channel 24

সর্বশেষ

  • আর্নল্ড শোয়ার্জনেগারকে ফ্লায়িং কিক!

  • ভৌতিক গল্পের ছবি 'খামোসী'র দৃশ্যধারন হয়েছে ২৫ দিনে

  • ২০ রমজানের মধ্যে পাটকল শ্রমিকদের সব বকেয়া পরিশোধের দাবি

  • 'সনিক দ্য হেজহগ'-এর ট্রেইলার প্রকাশ

  • জোট অ্যাকর্ডকে আরো ২৮১ দিন থাকার অনুমতি

  • বিশ্বকাপে রানবন্যা বয়ে যাবার আগাম বার্তা

  • গুগল ডুডলে ওমর খৈয়াম

  • কান চলচ্চিত্র উৎসবে আলোকচিত্রীরা

  • সন্তানকে নিয়ে কান চলচ্চিত্র উৎসব ভবনে ঢুকতে মাকে বাঁধা

  • ভার্জিন মোজিতো তৈরির রেসিপি

  • ঊর্ধ্বমুখী জ্বালানি তেলের বাজার

  • বান্দরবানে আওয়ামী লীগ কর্মীকে গুলি করে হত্যা

  • ইনশাআল্লাহ্ এবার আমি দ্বিতীয় ইনিংস খেলবো: কাদের

  • নরসিংদীর বাবুরহাটে ঈদের কেনাবেচা

  • দেশ থেকে অভিবাসনের ৮০ শতাংশই ২০ জেলার দখলে

প্রিন্টিং প্রেস থেকে ঢাবি'র প্রশ্ন ফাঁস করেতেন পিতা-পুত্র

প্রিন্টিং প্রেস থেকে ঢাবি'র প্রশ্ন ফাঁস করেতেন পিতা-পুত্র

অবশেষে চ্যানেল টোয়েন্টিফোরের অনুসন্ধানেই বেরিয়ে এলো চলতি বছর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ঘ ইউনিটের প্রশ্ন ফাঁসের আদ্যোপান্ত।

শুক্রবার রাত সাড়ে আটটায় অনুসন্ধানী অনুষ্ঠান সার্চলাইটের ‌‌'পিতা-পুত্রের প্রশ্ন ফাস' পর্বে দেখানো হয়, কিভাবে পিতা-পুত্র মিলে প্রশ্ন ফাঁসের একটি শক্তিশালী চক্র গড়ে তুলেছিল এবং ফাসকৃত প্রশ্ন কিভাবে শেষ পর্যন্ত ভাইরাল হয়ে যায়।

অনুসন্ধানে দেখানো হয়, চলতি বছর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশ্নপত্র ছাপা হয় সরকারি একটি প্রেসে। ওই প্রেসের সিটিপি টেকনিশিয়ান হিসেবে কাজ করেন হাবিবুর রহমান জাভেদ। ঘ ইউনিটের প্রশ্ন ছাপার আগে তিনি এর একটি কপি নিজের কাছে রেখে দেন। পরে সেটি হাতে লিখে পৌঁছে দেন একই প্রেসের সিনিয়র কম্পিউটার অপারেটর স্যামুয়েল সুমিত মণ্ডলের কাছে।

এরপর সুমিত মণ্ডল সেই প্রশ্নপত্র পৌঁছে দেন সহকর্মী বিদ্যুৎ আলীর কাছে। যিনি সরকারি ওই প্রতিষ্ঠানে উচ্চমান সহকারী হিসেবে কাজ করেন। বিদ্যুৎ আলীর হাত থেকে সেই প্রশ্ন চলে যায় তার ছেলে মোহাইমেনুল ইসলাম বাঁধনের হাতে। এই বাঁধনের মাধ্যমেই ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের কাছে ভাইরাল হয় চলতি বছরের ‘ঘ’ ইউনিটের প্রশ্নপত্র।

এই অনৈতিক কাজের জন্য বিদ্যুৎ আলীকে তার ছেলে বাঁধন দেয় ৩০ লাখ টাকা। সুমিত মন্ডল পায় ১৯ লাখ  এবং জাভেদ পায় ৫ লাখ টাকা।

এছাড়াও এই তিনজনের কাছ থেকে ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের দেওয়া দুই কোটি সাতাশ লাখ টাকার চেক উদ্ধার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ, সিআইডি।  

অনুসন্ধানে দেখানো হয়, ফাঁসকৃত রাজধানীর প্রশ্ন পশ্চিম শ্যাওড়া পাড়ার এবং উত্তরার দুটি বাসায় পরীক্ষার আগের রাতে অর্থাৎ বৃহস্পতিবার ভর্তিচ্ছুদের পড়ানো হয়।

গত মাসে চলতি বছরও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ঘ ইউনিটের প্রশ্ন ফাঁস হয়েছে- তথ্য-প্রমাণসহ এমন রিপোর্ট করে চ্যানেল টোয়েন্টিফোর। এরপর পরীক্ষা বাতিলের দাবিতে অনশন, স্মারকলিপি প্রদানসহ নানা কর্মসূচী পালন করেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা।

এক পর্যায়ে উত্তীর্ণ সাড়ে আঠার হাজার শিক্ষার্থীর পুনরায় পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। আগামী ১৬ নভেম্বর এই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবার কথা রয়েছে।

এর আগে গত বছরও সার্চলাইটের অনুসন্ধানে বেরিয়ে আসে রাজধানীর ইন্দিরা রোডের একটি প্রিন্টিং প্রেস থেকে ২০১৫ এবং ২০১৬ সালে পর পর দুই বছর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ঘ ইউনিটের প্রশ্ন ফাঁস হয়েছিল।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

চ্যানেল 24 বিশেষ খবর