channel 24

সর্বশেষ

  • উন্নয়ন ধরে রাখতে অশুভ তৎপরতা রুখতে হবে: রাষ্ট্রপতি

  • ধানমন্ডিতে বৈঠকে বসেছেন ফখরুলসহ জাতীয় ঐক্যের নেতারা

  • জনগণকে নয়, বিদেশিদের আস্থায় নিতে চায় ঐক্যফ্রন্ট: সেতুমন্ত্রী...

  • নীতিহীন ঐক্যে জনগণ থাকবে না: ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আইনমন্ত্রী...

  • সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য সরকারকে আলোচনার আহবান নজরুলের

  • ১৭৭ রোহিঙ্গাকে রাখাইনে পুনর্বাসনের দাবি মিয়ানমারের...

  • প্রত্যাবাসন নিয়ে মিয়ানমারের দাবি মিথ্যা: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

  • জাতীয় ঈদগাহে আইয়ুব বাচ্চুর জানাজা; কাল চট্টগ্রামে দাফন

  • প্রতিমা বিসর্জনে আজ শেষ হচ্ছে শারদীয় দুর্গোৎসব

  • প্রস্তুতি ম্যাচ: জিম্বাবুয়েকে ৮ উইকেটে হারিয়েছে বিসিবি একাদশ...

  • স্কোর: জিম্বাবুয়ে ১৭৮ (এবাদত ৫/১৯), বিসিবি ১৮১/২ (সৌম্য ১০২*)

গ্রেনেড হামলার আসামিদের কার বিরুদ্ধে কী অভিযোগ

গ্রেনেড হামলার আসামিদের কার বিরুদ্ধে কী অভিযোগ

১৪ বছর আগে আওয়ামী লীগের জনসমাবেশে ভয়াবহ গ্রেনেড হামলার মামলার রায় আজ বুধবার। ২০০৪ সালে ২১ আগস্ট বঙ্গবন্ধু এভিনিউতে আওয়ামী লীগের জনসভায় চলা গ্রেনেড হামলায় ২৪ জনের প্রাণ যায়।

হামলার ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার প্রমাণ পেয়ে, পুলিশ ৫২ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগ জমা দেয়। এদের মধ্যে রাজনৈতিক নেতা ৮ জন, পুলিশের কর্মকর্তা ৮ জন, সামরিক বাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা ৫ জন এবং পাঁচটি জঙ্গি সংগঠনের ৩১ জন।

৮ রাজনৈতিক নেতার বিরুদ্ধে অভিযোগ

বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ আটজনের বিরুদ্ধে গ্রেনেড হামলার পরিকল্পনা ও ষড়যন্ত্রের অভিযোগ আনা হয়। অন্য সাতজন হলেন সাবেক মন্ত্রী জামায়াত নেতা আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ (ফাঁসি কার্যকর), সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর, বিএনপির সাবেক সাংসদ শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ, সাবেক শিক্ষা উপমন্ত্রী আবদুস সালাম পিন্টু, খালেদা জিয়ার সাবেক রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরী, বিএনপি নেতা হানিফ পরিবহনের মালিক মো. হানিফ ও কমিশনার আরিফুল ইসলাম।

এই আট নেতার বিরুদ্ধে গ্রেনেড হামলা পরিচালনার জন্য আর্থিক সহায়তা, প্রশাসনিক সহায়তা এবং গ্রেনেড সরবরাহ করার অভিযোগ আনা হয়েছে।

পুলিশের ৮ জন

পুলিশের আট কর্মকর্তা হলেন সাবেক আইজিপি খোদা বক্স চৌধুরী, সাবেক আইজিপি শহুদুল হক, সাবেক আইজিপি আশরাফুল হুদা, সাবেক উপকমিশনার ওবায়দুর রহমান খান, সাবেক উপকমিশনার খান সাঈদ হাসান, সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার রুহুল আমিন, সিআইডির জ্যেষ্ঠ সহকারী পুলিশ সুপার মুন্সি আতিকুর রহমান ও সিআইডির সহকারী পুলিশ সুপার আবদুর রশীদ। আটজনের বিরুদ্ধে কর্তব্যকাজে অবহেলার অভিযোগের সর্বোচ্চ শাস্তি তিন বছর।

তাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, আওয়ামী লীগের জনসমাবেশে যথাযথ নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা নেননি। হামলা করে জঙ্গিরা যাতে নির্বিঘ্নে পালিয়ে যেতে সহায়তা করেছেন।


সামরিক বাহিনীর সাবেক ৫ কর্মকর্তা

সামরিক বাহিনীর সামরিক বাহিনীর সাবেক ৫ কর্মকর্তা হলেন, ডিজিএফআইয়ের সাবেক মহাপরিচালক রেজ্জাকুল হায়দার চৌধুরী, এনএসআইয়ের সাবেক মহাপরিচালক আবদুর রহীম, আর ডিজিএফআইয়ের সাবেক পরিচালক মেজর জেনারেল (অব.) এ টি এম আমিন, ডিজিএফআইয়ের সাবেক কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম জোয়ার্দার এবং খালেদা জিয়ার ভাগনে লে. কমান্ডার (অব.) সাইফুল ইসলাম ডিউক।

এঁদের মধ্যে দুজনের বিরুদ্ধে অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র ও আদালতের অনুমতি ছাড়া মামলার আলামত ধ্বংস করার অভিযোগ আনা হয়েছে। আর বাকি তিনজন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আসামিদের পালিয়ে যাওয়ার ব্যাপারে সহায়তার অভিযোগ আনা হয়েছে।


জঙ্গি ৩১ জন

পাঁচটি জঙ্গি সংগঠনের ৩১ জন নেতার বিরুদ্ধে ভয়াবহ গ্রেনেড হামলা চালিয়ে ২২ জনকে হত্যার অভিযোগ আনা হয়েছে। পাঁচটি জঙ্গি সংগঠন হলো হরকাতুল জিহাদ বাংলাদেশ (হুজি), লস্কর-ই-তাইয়েবা, হিযবুল মুজাহিদীন, তেহরিক-জিহাদি আল ইসলাম এবং রোহিঙ্গা সলিডারিটি অর্গানাইজেশন। হত্যা এবং অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড। হামলার প্রধান পরিকল্পনাকারী হুজির শীর্ষ নেতা মুফতি হান্নান এবং মাওলানা তাজউদ্দীন।

অপর ২৭ জঙ্গি হলেন শাহদাত উল্লাহ ওরফে জুয়েল, আবদুল মাজেদ ভাট, গোলাম মোহাম্মদ ওরফে জিএম, মাওলানা আবদুর রউফ, মাওলানা শেখ আবদুস সালাম, মাওলানা সাব্বির আহমদ, মাওলানা শওকত ওসমান, মহিবুল্লাহ ওরফে ওভি, মাওলানা আবু সাঈদ ওরফে ডা. জাফর, আবুল কালাম আজাদ ওরফে বুলবুল, জাহাঙ্গীর আলম, মাওলানা আবু তাহের, হোসাইন আহমেদ তামিম, মঈন উদ্দিন শেখ ওরফে মুফতি মঈন, আরিফ হাসান সুমন, জাহাঙ্গীর আলম বদর, রফিকুল ইসলাম ওরফে খালিদ সাইফুল্লাহ উজ্জ্বল ওরফে রতন, হাফেজ মাওলানা ইয়াহিয়া, আবু বকর ওরফে সেলিম হাওলাদার, মুফতি শফিকুর রহমান, মহিবুল মোত্তাকিন, আনিসুল মোরসালিন, খলিল,ইকবাল, লিটন ওরফে মাওলানা লিটন, মুফতি আবদুল হাই ও রাতুল বাবু।


কারাগারে থাকা ৩১ জন হল

১. সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর
২. সাবেক উপমন্ত্রী আবদুস সালাম পিন্টু
৩. ডিজিএফআইয়ের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল (অব.) এ টি এম আমিন
৪. মেজর জেনারেল (অব.) রেজ্জাকুল হায়দার চৌধুরী
৫. এনএসআই মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার (অব.) আবদুর রহিম
৬. জঙ্গি শাহদাত উল্লাহ ওরফে জুয়েল
৭. মাওলানা শেখ আবদুস সালাম
৮. মো. আবদুল মাজেদ ভাট ওরফে মো. ইউসুফ ভাট
৯. আবদুল মালেক ওরফে গোলাম মোহাম্মদ ওরফে জিএম
১০. মাওলানা আবদুর রউফ ওরফে আবু উমর আবু হোমাইরা ওরফে পীর সাহেব
১১. মাওলানা সাব্বির আহমদ ওরফে আবদুল হান্নান সাব্বির
১২. মাওলানা শওকত ওসমান ওরফে শেখ ফরিদ
১৩. মহিবুল্লাহ ওরফে মফিজুর রহমান ওরফে ওভি
১৪. মাওলানা আবু সাঈদ ওরফে ডা. জাফর
১৫. আবুল কালাম আজাদ ওরফে বুলবুল
১৬. মো. জাহাঙ্গীর আলম
১৭. হাফেজ মাওলানা আবু তাহের
১৮. হোসাইন আহমেদ তামিম
১৯. মঈন উদ্দিন শেখ ওরফে মুফতি মঈন ওরফে খাজা ওরফে আবু জানদাল ওরফে মাসুম বিল্লাহ
২০. আরিফ হাসান ওরফে সুজন ওরফে আবদুর রাজ্জাক
২১. মো. রফিকুল ইসলাম ওরফে সবুজ ওরফে খালিদ সাইফুল্লাহ ওরফে শামিম ওরফে রাশেদ
২২. মো. উজ্জ্বল ওরফে রতন
২৩. হাফেজ মাওলানা ইয়াহিয়া ও আবু বক ওরফে হাফে সেলিম হাওলাদার
২৪. লে. কমান্ডার (অব.) সাইফুল ইসলাম ডিউক
২৫. সাবেক আইজিপি মো. আশরাফুল হুদা
২৬. সাবেক আইজিপি শহুদুল হক
২৭. সাবেক আইজিপি খোদা বক্স চৌধুরী
২৮. তদন্ত কর্মকর্তা সাবেক বিশেষ পুলিশ সুপার রুহুল আমিন
২৯. সিআইডির সিনিয়র এএসপি মুন্সি আতিকুর রহমান
৩০. এএসপি আবদুর রশীদ
৩১. সাবেক ওয়ার্ড কমিশনার আরিফুল ইসলাম


পলাতক ১৮ জন হল

১. তারেক রহমান
২. হারিছ চৌধুরী
৩. মাওলানা মো. তাজউদ্দীন
৪. মহিবুল মোত্তাকিন ওরফে মুত্তাকিন
৫. আনিসুল মোরসালিম ওরফে মোরসালিন
৬. মো. খলিল
৭. জাহাঙ্গীর আলম বদর ওরফে ওস্তাদ জাহাঙ্গীর
৮. মো. ইকবাল
৯. লিটন ওরফে মাওলানা লিটন ওরফে দেলোয়ার হোসেন ওরফে জোবায়ের,
১০. কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ
১১. মো. হানিফ,
১২. মুফতি আবদুল হাই,
১৩. রাতুল আহম্মেদ বাবু ওরফে বাবু ওরফে রাতুল বাবু
১৪. লে. কর্নেল (অব.) সাইফুল ইসলাম জোয়ারদার
১৫. মেজর জেনারেল (অব.) এটিএম আমিন
১৬. ডিআইজি খান সাঈদ হাসান (সাবেক ডিসি পূর্ব)
১৭. পুলিশ সুপার মো. ওবায়দুর রহমান খান
১৮. মুফতি শফিকুর রহমান


ফাঁসি কার্যকর

১. জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ
২. জঙ্গি নেতা মুফতি হান্নান
৩. শহিদুল আলম বিপুল

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

চ্যানেল 24 বিশেষ খবর