channel 24

সর্বশেষ

  • উয়েফা নেশন্স লিগে আজ মুখোমুখি ইতালি-পর্তুগাল

  • নিজ নিজ ম্যাচে জিতেছে ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনা

  • ১৫ ম্যাচ অজেয় থাকা ফ্রান্সকে হারালো নেদারল্যান্ডস

  • এক সময়ের তৃণভূমি এখন বিস্তীর্ণ মরু

  • এক যুগেও গ্যাস সরবরাহ পায়নি খুলনাবাসী

  • চট্টগ্রামে আসন ভাগাভাগিতে চাপে বিএনপি

  • সাতক্ষীরায় গণমাধ্যমকর্মীদের সাথে সভা করেছেন রিটার্নিং কর্মকর্তা

  • রংপুরে আচরণবিধি লঙ্ঘন ঠেকাতে ১১জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট

  • জিম অ্যাকোস্টার হোয়াইট হাউসের প্রেস কার্ড পুনর্বহালের নির্দেশ

  • 'খাশোগিকে হত্যার নির্দেশ দিয়েছিলেন সৌদি প্রিন্স'

  • মুন্সিগঞ্জে পুলিশের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে একজনের মৃত্যু

  • পত্রিকার সম্পাদকদের সঙ্গে ঐক্যফ্রন্টের বৈঠক

  • পাকিস্তান সফরে যাচ্ছে না বাংলাদেশ হকি দল

  • বাংলা চলচ্চিত্রের উজ্জ্বল নক্ষত্র পরিচালক সুভাষ দত্ত

  • বলিউডে মুক্তি পেল যেসব ছবি

বঙ্গবন্ধু হত্যার ষড়যন্ত্রকারীরা এখনও আইনের আওতার বাইরে

বঙ্গবন্ধু হত্যার ষড়যন্ত্রকারীরা এখনও আইনের আওতার বাইরে

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের খুনিদের মধ্যে পলাতক দুজনের অবস্থান শনাক্ত হয়েছে। তাদের ফেরাতে সর্বোচ্চ পর্যায়ে আলোচনা চলছে। জানিয়েছেন, আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। বলেন, পলাতক বাকি খুনিদের ফিরিয়ে আনতেও কাজ চলছে। অধ্যাপক আবু সাইয়িদ বলছেন, বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার হলেও; ষড়যন্ত্রকারীদের এখনও আইনের আওতায় আনা যায়নি।

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট। ধানমন্ডির নিজ বাড়িতে সপরিবারে নৃশংস হত্যাকাণ্ডের শিকার হন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
ভয়াবহ হত্যাকাণ্ডের বৈধতা দিতে ওই বছরেরই ২৬ সেপ্টেম্বর দায়মুক্তি অধ্যাদেশ জারি করে রাষ্ট্রপতি খন্দকার মুশতাক।
৭৫ এর পটপরিবর্তনে বিভিন্ন গোষ্ঠী নিরব থাকলেও বিচারের দাবিতে সোচ্চার ছিলেন, বিদেশে থাকা বঙ্গবন্ধু কণ্যা শেখ হাসিনা এবং শেখ রেহানা। তাদের আবেদনের প্রেক্ষিতে ১৯৮০ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর যুক্তরাজ্যে এই হত্যাকাণ্ড তদন্তে গঠন করা হয় বেসরকারি পর্যায়ে একটি কমিশন। ১৯৮২ সালে কমিশনের দেয়া প্রতিবেদন, হত্যাকাণ্ডের বিচার এবং আইনি প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্থ করার জন্য দায়ী করা হয় তৎকালিন সরকারকেই।
পরে ১৯৯৬ সালে ক্ষমতায় এসে আলোচিত দায়মুক্তি অধ্যাদেশ বাতিল করে আওয়ামী লীগ সরকার। ওই বছরই ধানমন্ডি থানায় ২৪ জনকে আসামি করে মামলা করেন বঙ্গবন্ধুর ব্যক্তিগত সহকারী আ ফ ম মুহিতুল ইসলাম।
এই মামলার প্রথম রায় আসে ১৯৯৮ সালে। ঢাকার দায়রা জজ কাজী গোলাম রসুল ১৫ জনকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেন। আপিল হলে বিভক্ত আদেশ দেন হাইকোর্টের দ্বৈতবেঞ্চ। পরে  একক বেঞ্চ ১২ জনের মৃত্যুদণ্ড বহাল এবং খালাস দেন আরও ৩ জনকে। যা বহাল রাখেন আপিল বিভাগও।
আইনি প্রক্রিয়া শেষে ২০১০ সালের ২৮ জানুয়ারি কার্যকর হয় বঙ্গবন্ধুর ৫ খুনীর ফাঁসি। তবে এখনো পলাতক আছে ৬ খুনী। যাদের মধ্যে দুই জনের অবস্থান সনাক্ত করার কথা জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী।
বঙ্গবন্ধুর হত্যাকাণ্ড এবং পরবর্তী প্রেক্ষপট নিয়ে গবেষণা করা অধ্যাপক আবু সাইয়িদের মতে, বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার হলেও এখনও হয়নি পুরো হত্যাকাণ্ডের বিচার।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

চ্যানেল 24 বিশেষ খবর