channel 24

সর্বশেষ

  • মহান বিজয় দিবসে শহীদদের প্রতি সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধা...

  • জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী...

  • ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

  • নির্বাচনি পরিবেশ নিয়ন্ত্রণে আছে, নির্বাচন সুষ্ঠু হবে: সিইসি

  • কোনো অপশক্তি নির্বাচন বানচাল করতে পারবে না: ওবায়দুল কাদের

  • হামলা ও গ্রেপ্তার বন্ধ না হলে পরিস্থিতির দায় সরকারের: ফখরুল

  • ঐক্যবদ্ধভাবে স্বাধীনতার মূল্যবোধ রক্ষা করতে হবে: ড. কামাল

  • মেহেরপুরের স্টেডিয়াম মাঠে বিজয় দিবসের অনুষ্ঠানে...

  • পুলিশের ওপর হামলা; ছাত্রলীগ সভাপতিসহ ৪ জন আটক

৬০ বছরে ৭০টি ভয়াবহ দুর্ঘটনার সাক্ষী বিমানবন্দরটি

৬০ বছরে ৭০টি ভয়াবহ দুর্ঘটনার সাক্ষী বিমানবন্দরটি

বিমান দুর্ঘটনার জন্য কুখ্যাত নেপালের ত্রিভুবন বিমানবন্দর। পাহাড় ঘেরা এই বিমানবন্দরটি কাঠমাণ্ডু উপত্যকায় শহর থেকে প্রায় ৬ কিলোমিটার দূরে। ৬০ বছরের পুরনো বিমানবন্দরটিতে এ পর্যন্ত ৭০টি ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটেছে। যাতে প্রাণ হারিয়েছেন বাংলাদেশিসহ প্রায় ৭শ মানুষ।

 

নেপালের ত্রিভুবন বিমানবন্দর যেন মৃত্যুকূপের নাম। রাজধানী কাঠমান্ডু থেকে ৬ কিলোমিটার দূরে এর অবস্থান। নেপালের রাজা মাহেন্দ্রা ১৯৫৫ সালে বিমানবন্দরটি উদ্বোধন করেন। তারপর থেকেই নিয়মিত বিরতিতে একের পর এক বিমান গ্রাস করতে থাকে ত্রিভুবন। সর্বশেষ ইউএস-বাংলা এয়ার লাইন্সের ড্যাশ 8 Q400 বিমানটি গ্রাস করলো ত্রিভুবন। কেড়ে নিলো অর্ধশত প্রাণ। যেখানে বাংলাদেশি ও নেপালি'সহ চার দেশের নাগরিক ছিলেন।
ত্রিভুবনে অবতরণের পর এখন পর্যন্ত ৭০টিরও বেশি বিমান দুর্ঘটনার শিকার হয়েছে। যাতে প্রাণ গেছে প্রায় ৭শ জনের। বিভিন্ন সময় এসব দুর্ঘটনার মধ্যে ১৫টি দুর্ঘটনার শোক চিরদিনই বয়ে বেড়াবেন স্বজনরা। ১০ মে ১৯৭২, থাই এয়ারওয়েজের ডগলাস ডিসি-৮ বিমান বিধ্বস্তের মধ্যদিয়ে ত্রিভুবনে প্রাণহানির সূচনা। ঐ দুর্ঘটনায় প্রাণ যায় ১১০ জনের। তারপর ১৯৯২র ৩১ জুলাই ও ২৮ সেপ্টেম্বর আবারো থাই বিমান....এবার মৃত্যুকূপ ত্রিভুবনে প্রাণ হারান ২৮০ জন।
১৯৯৫র ১৭ জানুয়ারি নেপাল রয়েল এয়ার ওয়েজের একটি বিমান বিধ্বস্তে নিহত হন ২ জন। ২০১০ সালে আবারো জোড়া আঘাত হানে ত্রিভুবন। ২৪ আগস্ট ও ১৫ ডিসেম্বর দুটি দুর্ঘটনায় মারা যান ৩৬ জন।
পরের বছর ২৫ সেপ্টেম্বর বুদ্ধ বিমান বিধ্বস্ত হয়ে প্রাণহানি ঘটে ১৯জনের। ২০১২র ২৮ সেপ্টেম্বর সিতা এয়ারের একটি বিমান ত্রিভুবন থেকে উড়ার পর একটি শকুনের সাথে ধাক্কা লেগে বিধ্বস্ত হয়। এতে প্রাণ যায় ১৯ জনের। তিন বছর শান্ত থেকে ২০১৫ সালের ৪ মার্চ ফের আগ্রাসী হয়ে ওঠে ত্রিভুবন। কিন্তু ঐ যাত্রায় তুর্কি বিমানের ২২৭ জন যাত্রি প্রাণে বাঁচেন কোনো মতে। গত বছর ২৭মে সামিট এয়ারওয়েজের একটি বিমান দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। এতে প্রাণ যায় দুইজনের।

সর্বশেষ সংবাদ

জাতীয় খবর