channel 24

সর্বশেষ

  • বাংলাদেশের এখন আর সহজ শর্তে ঋণ নেয়ার প্রয়োজন নেই: অর্থমন্ত্রী

  • সংবিধানের আলোকে বর্তমান প্রক্রিয়া মেনেই আগামী নির্বাচন..

  • নির্বাচন প্রক্রিয়া পরিবর্তনের কোনো সুযোগ নেই: ওবায়দুল কাদের

  • ওয়ান-ইলেভেনের পথ প্রশস্ত করছে ক্ষমতাসীন দলের মন্ত্রীরা: রিজভী

  • সবাই ট্রাফিক আইন মানলে ৭০-৮০ ভাগ বিশৃঙ্খলা দূর হবে: আইজিপি

  • দুর্ঘটনা রোধে ঈদের পরের ৩ দিন মহাসড়কে র‍্যাবের চেকপোস্ট: ডিজি

  • পাকিস্তানের ২২তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন ইমরান খান

বিমানটি ১৭ বছরের পুরোনো ছিল

বিমানটি ১৭ বছরের পুরোনো ছিল

বিশ্বের আকাশে যখন সগর্বে ডানা মেলছিলো বাংলাদেশের বেসরকারি বিমান যাত্রীসেবা ভয়াবহ দুঃসংবাদটি এলো তখনই। নেপালের কাঠমান্ডুতে ইউএস-বাংলা এয়ারের একটি বিমান বিধ্বস্ত হয়ে, এ পর্যন্ত নিহত হয়েছেন অন্তত ৫০ জন। স্থানীয় সময় দুপুর ২ টার কিছু পর বিমানটি বিধ্বস্ত হয়। বিমানে থাকা ৬৭ যাত্রী ও ৪ ক্রুর মধ্যে ৩৩ জন নেপালের নাগরিক। ধারণা করা হচ্ছে, যান্ত্রিক ক্রুটির কারণেই এই দুর্ঘটনা। আর ফ্লাইট রাডার বলছে, বিমানটি ১৭ বছরের পুরাতন।

 

নেপালের রাজধানীর কাঠমান্ডুর ত্রিভুবন বিমানবন্দর। স্থানীয় সময় দুপুর সোয়া দুইটায় অবতরণের সময় এখানেই বিধ্বস্ত হয় ইউএস বাংলা এয়ারলাইন্সের একটি বিএস ২১১ নম্বর ফ্লাইটটি।  ত্রিভূবন বিমানবন্দরের কর্মকর্তারা জানান, রানওয়ে থেকে ছিটকে পাশের ফুটবল মাঠে আছড়ে পড়ে বিমানটি। সাথে সাথেই এতে আগুন ধরে যায় এতে। ঘটনাস্থলেই নিহত হন বেশ কয়েকজন।
নিরাপত্তা বাহিনীর সাথে তাৎক্ষণিক উদ্ধার কাজে নামে নেপালের সেনাবাহিনী। আহতদের উদ্ধার করে কাঠমন্ডু মেডিকেল কলেজ ও সিনামানগালের টিচিং হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এদের মধ্যে অনেকেই হাসপাতালে নেয়ার পথে মারা যান।
৬৭ যাত্রী ও চার ক্রু নিয়ে ড্যাশ এইট Q400 বিমানটি ঢাকা থেকে কাঠমাণ্ডু যাচ্ছিলো। যাদের মধ্যে ৩৭ পুরুষ, ২৮ নারী ও দুটি বাংলাদেশের নাগরিক ৩২ জন। এছাড়া নেপালের ৩৩, চীন ও মালদ্বীপের দুই নাগরিক। বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশনের দুই কর্মকতা উম্মে সালমা ও নাজিয়া আফরিন চৌধুরী ছিলেন বিমানে।
সিভিল অ্যাভিয়েশন জানায়, বিমানটি উত্তর দিক থেকে অবতরণের কথা থাকলেও এটি সামান্য বেকে উত্তর-পূর্ব দিক থেকে অবতরণের চেষ্টা করে। ধারণা করা হচ্ছে, যান্ত্রিক ক্রুটির কারণেই এ দুর্ঘটনা। আর ফ্লাইট রাডার24 বলছে, বিমানটি ১৭ বছরের পুরোনো ছিল। এ ঘটনার পর প্রায় দুই ঘন্টা বন্ধ ছিলো ত্রিভুবন বিমানবন্দর। বাতিল করা হয়, সব ফ্লাইট। ১৯৭২ থেকে এখন পর্যন্ত এই বিমানবন্দরে অন্তত ১৫ টি ছোট-বড় বিমান দুর্ঘটনা হয়েছে।

সর্বশেষ সংবাদ

জাতীয় খবর