channel 24

সর্বশেষ

  • জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭৩তম অধিবেশনে যোগ দিতে...

  • নিউইয়র্ক যাওয়ার পথে যাত্রাবিরতিতে লন্ডনে প্রধানমন্ত্রী

  • কক্সবাজারের উদ্দেশে সড়ক পথে আ.লীগের সাংগঠনিক সফর শুরু...

  • নির্বাচনে জনপ্রিয় ব্যক্তিদের মনোনয়ন দেয়া হবে: কুমিল্লায় সেতুমন্ত্রী

  • রেলপথের মতো সড়কপথের প্রচারণাতেও ব্যর্থ হবে আ.লীগ: রিজভী

  • ২০১৮'র শেষ অথবা ২০১৯'র শুরুতে জাতীয় নির্বাচন: সিইসি...

  • আইনগত ভিত্তি পেলেই ইভিএম ব্যবহার করা হবে

  • নরসিংদীতে ব্রহ্মপুত্র নদে নৌকাডুবি; ভাইবোনসহ ৩ জনের মৃত্যু

নির্যাতনের কথা মনে করে ফিরতে চান না অনেকেই

নির্যাতনের কথা মনে করে ফিরতে চান না অনেকেই

বার্মিজ সেনাদের নির্যাতন থেকে প্রাণ বাঁচিয়ে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গা বিধবা নারীদের আশ্রয়স্থল কক্সবাজারের বালুখালির বিধবা ক্যাম্প। প্রায় আড়াইশ নারী আর শিশুর এই ক্যাম্পে প্রবেশাধিকার নেই পুরুষের। তাই নিরাপত্তা নিয়ে কোনো শঙ্কা নেই তাদের। তবে, ঢাকা-নেপিদো একমত হলেও মিয়ানমার সেনাদের নির্যাতনের ভয়ংকর স্মৃতির কারণে এদের অনেকেই আর ফিরতে চান না রাখাইনে। 

 

লাল তারপুলিন আর বাঁশের চাই দিয়ে তৈরি কয়েক সারি ঘর। কক্সবাজারের বালুখালিতে রোহিঙ্গা শিবিরের এই ঘরগুলো পরিচিত 'বিধবা ক্যাম্প' নামে। পালিয়ে আসা বিধবা রোহিঙ্গা নারীদের নিরাপদ আশ্রয় হিসেবে গড়ে তোলা হয়েছে এই ক্যাম্প। যেখানে প্রবেশের অনুমতি নেই কোন পুরুষের।

এই ক্যাম্পের বাসিন্দা সালেহা বেগম। বিয়ের মাত্র তিন মাসের মাথায় বার্মিজ সেনাদের কারণে স্বামী হারিয়ে এখন বিধবা। এখানে থাকতে আমার ভালো লাগে। কারণ ৫ ওয়াক্ত নামাজের সুযোগ পাই এখানে। এটা অনেক নিরাপদ কারণ পুরুষদের আসার অনুমতি নেই এখানে।

সালেহার মতোই আরেক জন, কুশিদা বেগম। মিয়ানমারের বাসিন্দা হলেও নির্যাতনের মুখে স্বজন হারিয়ে, ঠিকানা এখন এই বিধবা ক্যাম্প। এখানে আসার আগে অনেক নির্যাতন দেখেছি আমরা। সবার অভিজ্ঞতা এক। আর তাই সবাই মিলেমিশে একই পরিবারের বোনের মতো থাকি আমরা।

সালেহা আর কুশিদা ছাড়াও বালুখালির এই বিধবা ক্যাম্পের বাসিন্দা প্রায় আড়াইশ নারী আর শিশু। মানবাধিকার সংস্থাগুলো বলছে, বালুখালির শরণার্থী শিবিরে আশ্রয় নেয়া এমন কোন রোহিঙ্গা নারী নেই যারা নির্যাতনের শিকার হননি। আর এই ভয়াবহ অভিজ্ঞতার কারণেই মিয়ানমারে ফেরার খবরে শিউরে ওঠেন তারা।

মিয়ানমারে আমার জন্ম। আমার মা, বাবা, দাদা সবার জন্মই মিয়ানমারে। আমরা এখানে আশ্রয় নিয়েছি কারণ ওখানে মানুষ মারছিলো, বাড়িতে আগুন দিচ্ছিল সেনাবাহিনী। ওইসব নির্যাতনের ন্যায়বিচার পেলে মিয়ানমারে ফেরত যেতে চাই আমরা। নাহলে নয়। 

নভেম্বরে ঢাকা-নেপিদো চুক্তি অনুযায়ী রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন শুরু করতে চায় বাংলাদেশ। অবশ্য, বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া অনেক রোহিঙ্গাই আর ফিরতে চান না মিয়ানমারে। 

 

সর্বশেষ সংবাদ

জাতীয় খবর