channel 24

সর্বশেষ

  • ৮ বছর পেরিয়ে নয়ে পা রাখলো চ্যানেল টোয়েন্টিফোর

  • করোনায় মারা গেলেন আ.লীগের সাবেক এমপি হাজী মকবুল

  • অনির্দিষ্টকাল মানুষের আয়ের পথ বন্ধ রাখা সম্ভব নয় জাতির উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী

  • ঈদুল ফিতর উপলক্ষে জাতির উদ্দেশে শেখ হাসিনার ভাষণ

  • মহামারিতে কাল বিষাদের ঈদ

  • শারীরিক দূরত্ব মেনে বায়তুল মোকাররমে ৫টি জামাত

  • হালদা নদীতে আরও একটি ডলফিন মারা পড়লো

  • ৮ জুন থেকে লা লিগা ফিরতে বাধা নেই

  • স্বাস্থ্যবিধি মেনে ঈদ উদযাপনের আহ্বান কাদেরের

  • পাকিস্তানের সাবেক ক্রিকেটার তৌফিক উমর করোনায় আক্রান্ত

  • জয়পুরহাটে অসহায়দের পাশে দাঁড়িয়েছে 'করোনা যুদ্ধে আমরা' সংগঠন

  • করোনায় ভেঙে পড়েছে ই-কমার্স খাত

  • ভিন্ন প্রেক্ষাপটে উদযাপিত হবে এবারের ঈদ

  • অনুমোদন না পেলেও মঙ্গলবার থেকে করোনা পরীক্ষা শুরু করবে গণস্বাস্থ্য

  • শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় বিপাকে কিন্ডারগার্টেনের শিক্ষকরা

সিউইড প্রকল্পে তিন কর্মকর্তা থাকলেও বিদেশ সফরে ১২ জন !

সিউইড প্রকল্পে তিন কর্মকর্তা থাকলেও বিদেশ সফরে ১২ জন !

প্রকল্পে তিন কর্মকর্তা থাকলেও কাজ করেন একজন। অথচ প্রশিক্ষণের জন্য বিদেশে যাওয়ার তালিকায় রয়েছেন ১২ জন। উপকূলীয় সিউইড চাষ ও পণ্য উৎপাদনের এই প্রকল্পে বরাদ্দের ১৬ কোটি টাকার দেড় কোটি টাকাই খরচ হবে এই বিদেশ সফরে। প্রকল্প পরিচালকের সরল স্বীকারোক্তি তার নিয়ন্ত্রণে নেই সব কিছু।

সীউইড। সাগরের লোনা জলে নিমজ্জিত এক প্রকার উদ্ভিদ। মানুষের খাদ্য ছাড়াও ব্যবহার হয়ে থাকে ডেইরি, ওষুধ, টেক্সটাইল ও কাগজ শিল্পে। এর মধ্যেই বাংলাদেশে ১১৭ প্রজাতির সীউইড সনাক্ত হয়েছে।

সামুদ্রিক এই সম্পদ ব্যবহারের ২০১৮ থেকে ২০২১ পর্যন্ত প্রকল্প গ্রহণ করেছে। ব্লু ইকোনমি বিকাশই মূল লক্ষ্য। প্রকল্পের তিনজন জনবল থাকলেও কাজ চলছে একজন দিয়েই।

গুরুত্বপূর্ণ এই প্রকল্পে ৩জন কর্মকর্তা থাকলেও প্রশিক্ষণের জন্য বিদেশ সফরের তালিকায় এই সংখ্যাটা দাঁড়িয়েছে ১২ জনে। এজন্য খরচ ধরা হয়েছে দেড় কোটি টাকা।

এরই মধ্যে ২০১৮ সালে ছয় কর্মকর্তা ফিলিপাইন ঘুরে চলে এসেছেন। পরিকল্পনা আছে জাপান, কোরিয়া ও ইন্দোনেশিয়া যাওয়ার। এই ভুতূড়ে বিদেশ সফর এবং তিন জনের বাইরের কারা প্রকল্পের টাকায় বিদেশ যাচ্ছেন তা জানতে চাইলে ক্যামেরার সামনে কথা বলেননি কেউ।

তবে প্রকল্প পরিচালক ও মৎস গবেষণা ইন্সটিটিউটের বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো. মাহিদুল ইসলাম মুঠোফোনে জানান, তার নিয়ন্ত্রণে নেই সব কিছু।  

স্টাডি ট্যুরের বাইরেও আরো ভ্রমণ ভাতা আছে ৫০ লাখ টাকা। এছাড়া প্রকল্পে ৪ জনের জন্য একটি জিপ, ৩টি মোটর সাইকেল এবং ৪টি বাই সাইকেল কিনতে অর্থ বরাদ্দ আছে। আর জ্বালানী খরচ ৩০ লাখ টাকা। স্টেশনারি দ্রব্য ৭ লাখ টাকা, প্রিন্টিং এবং পাবলিকেশনের জন্য ১০ লাখ টাকা।

সবচেয়ে বেশি খরচ ধরা হয়েছে গবেষণায় ৩ কোটি ৫০ লক্ষ্য টাকা। আর ৫০০ বর্গ মিটারের একটি সীউইড প্রসেসিং ল্যাবরেটরি কমপ্লেক্স  তৈরিতে খরচ ধরা হয়েছে ৩ কোটি টাকা।    

১৬ কোটি ৮৬ লাখ টাকা প্রকল্পের প্রথম বছরে খরচ করা হবে ৪ কোটি ৭২ লাখ টাকা। বাকি টাকা খরচ করা হবে তিন ধাপে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

জাতীয় খবর