channel 24

সর্বশেষ

  • ৮ বছর পেরিয়ে নয়ে পা রাখলো চ্যানেল টোয়েন্টিফোর

  • করোনায় মারা গেলেন আ.লীগের সাবেক এমপি হাজী মকবুল

  • অনির্দিষ্টকাল মানুষের আয়ের পথ বন্ধ রাখা সম্ভব নয় জাতির উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী

  • ঈদুল ফিতর উপলক্ষে জাতির উদ্দেশে শেখ হাসিনার ভাষণ

  • মহামারিতে কাল বিষাদের ঈদ

  • শারীরিক দূরত্ব মেনে বায়তুল মোকাররমে ৫টি জামাত

  • হালদা নদীতে আরও একটি ডলফিন মারা পড়লো

  • ৮ জুন থেকে লা লিগা ফিরতে বাধা নেই

  • স্বাস্থ্যবিধি মেনে ঈদ উদযাপনের আহ্বান কাদেরের

  • পাকিস্তানের সাবেক ক্রিকেটার তৌফিক উমর করোনায় আক্রান্ত

  • জয়পুরহাটে অসহায়দের পাশে দাঁড়িয়েছে 'করোনা যুদ্ধে আমরা' সংগঠন

  • করোনায় ভেঙে পড়েছে ই-কমার্স খাত

  • ভিন্ন প্রেক্ষাপটে উদযাপিত হবে এবারের ঈদ

  • অনুমোদন না পেলেও মঙ্গলবার থেকে করোনা পরীক্ষা শুরু করবে গণস্বাস্থ্য

  • শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় বিপাকে কিন্ডারগার্টেনের শিক্ষকরা

প্রেম যেন সহিংসতায় রূপ না নেয় : বিচারক

প্রেম যেন সহিংসতায় রূপ না নেয় : বিচারক

রাজধানীর কাকরাইলের উইলস লিটল ফ্লাওয়ার স্কুলের শিক্ষার্থী সুরাইয়া আক্তার রিশা (১৫) হত্যা মামলার একমাত্র আসামি ওবায়দুল খানকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার (১০ অক্টোবর) ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েশের আদালতে আসামির উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করা হয়।

আদালত বলেন, ঘটনাটি একটি অসম প্রেম বলে মনে হয়েছে। ভালোবাসা যেন সহিংসহতায় রূপ নিতে না পারে সে জন্য আসামির সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড দেওয়াই শ্রেয়।

রায়ে আরও বলা হয়, ওবায়দুল হচ্ছেন একজন টেইলার, রিশার বাবা একজন ব্যবসায়ী। সে ভালোবাসতে পারে কিন্তু ভালোবাসা যেন এমন সহিংসতায় রূপ নিতে না পারে।

এর আগে গত ১১ সেপ্টেম্বর যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শুনানি শেষে রায় ঘোষণার জন্য ৬ অক্টোবর নির্ধারণ করেছিলেন আদালত। তবে ওই দিন আসামিকে কারাগার থেকে আদালতে হাজির না করায় রায় ঘোষণা করা হয়নি। পরবর্তী রায় ঘোষণার জন্য ১০ অক্টোবর দিন ধার্য করেন বিচারক।

২০১৬ সালের ২৪ আগস্ট দুপুরে রিশাকে ছুরিকাঘাত করা হয়। এরপর তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২৮ আগস্ট তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় রিশার মা তানিয়া হোসেন বাদী হয়ে রমনা থানায় মামলা করেন।

মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০১৬ সালের শুরুর দিকে ইস্টার্ন মল্লিকা শপিং কমপ্লেক্সের বৈশাখী টেইলার্সে পোশাক বানাতে দেয় রিশা। ওই টেইলার্সের রসিদে বাসার ঠিকানা ও তার মায়ের মোবাইল নম্বর দেওয়া ছিল। সেখান থেকে মোবাইল নম্বর নিয়ে টেইলার্সের কাটিং মাস্টার ওবায়দুল খান (২৯) রিশাকে উত্ত্যক্ত করা শুরু করে। পরে ফোন নম্বরটি বন্ধ করে দিলে স্কুলে যাওয়ার পথে রিশাকে উত্ত্যক্ত করতে থাকে সে। তার প্রেমের প্রস্তাবে সাড়া না দেওয়ায় রিশাকে ছুরিকাঘাত করে ওবায়দুল খান।

২০১৬ সালের ১৪ নভেম্বর মামলার তদন্ত শেষে ওবায়দুল খানকে একমাত্র আসামি করে অভিযোগপত্র দাখিল করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা রমনা থানার পুলিশ পরিদর্শক আলী হোসেন। এর পরের বছর ১৭ এপ্রিল আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন আদালত। মামলায় ২৬ জন সাক্ষীর মধ্যে ২১ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

জাতীয় খবর