channel 24

সর্বশেষ

  • ক্রিকেটারদের আন্দোলন অপ্রত্যাশিত: নাজমুল হাসান...

  • ক্রিকেটাররা যখন যা চেয়েছে, সবকিছুই দিয়েছে বিসিবি...

  • ক্রিকেটারদের চাহিদামতোই ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ চলবে...

  • এমন সিদ্ধান্ত আগেই নেয়া হয়েছে...

  • চুক্তিভিত্তিক ক্রিকেটারের সংখ্যা বাংলাদেশেই সর্বোচ্চ

  • মুজিববর্ষ উপলক্ষ্যে আজ থেকে টেলিফোনের নতুন ও...

  • পুনঃসংযোগ ফি সম্পূর্ণ মওকুফ: টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী

  • সীমানা পেরিয়ে বরগুনায় ভারতীয় জেলেদের ইলিশ শিকার; আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজরদারি বাড়ানোর দাবি স্থানীয়দের।

  • সড়ক দুর্ঘটনা ঠেকাতে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে পুলিশের উদ্যোগ; বেপরোয়া গতি ও মাদকাসক্ত চালক ধরা পড়বে সহজেই।

  • শরীয়তপুর-চাঁদপুর আঞ্চলিক সড়ক যেন মরণফাঁদ; চরম ভোগান্তিতে যাত্রীরা

  • ফের আলোচনায় ডাকসু জিএস রাব্বানী; এমফিলে ভর্তির বিষয়টি জানতো না সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদ

আন্দোলনরত বুয়েট শিক্ষার্থীদের তোপের মুখে ভিসি

আন্দোলনরত বুয়েট শিক্ষার্থীদের তোপের মুখে ভিসি

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) তড়িৎ প্রকৌশল বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র আবরার ফাহাদকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় উপাচার্য (ভিসি) অধ্যাপক ড. সাইফুল ইসলামকে অবরুদ্ধ করে রেখেছেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। শিক্ষকদের সঙ্গে বৈঠক শেষে মঙ্গলবার (৮ অক্টোবর) সন্ধ্যা পৌনে ৬টার দিকে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলতে আসেন তিনি।

আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলতে আসলে বুয়েট ভিসি অধ্যাপক ড. সাইফুল ইসলামকে ভবনের নিচে অবরুদ্ধ করে রাখা হয়।

ভিসি বলেন, 'আমি তোমাদের অভিভাবক, তোমরা আমার সন্তান। আবরারের সাথে যে ঘটনাটি ঘটেছে সেটা অনাকাঙ্ক্ষিত।'

এ কথা শোনার পরে শিক্ষার্থীরা ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন বলেন, 'এটা একটা খুন, আপনাকে স্বীকার করতে হবে।' এ সময় শিক্ষার্থীদের শান্ত হয়ে কথা শুনতে বলেন বুয়েট ভিসি।

ভিসি বড. সাইফুল ইসলাম লেন, 'আমি শিক্ষামন্ত্রী ও উপমন্ত্রীর সাথে কথা বলেছি। তারা দেশের বাইরে আছেন। সেখান থেকে তারা যেভাবে নিদের্শনা দিচ্ছেন আমি তা পালন করছি। আমি তোমাদের দাবিগুলো দেখেছি। এসব নিয়ে তোমাদের শিক্ষকদের সাথে কথা হয়েছে। আমি সব দাবি মেনে নিয়েছে।'

এ সময় কয়েকজন শিক্ষার্থী উত্তেজিত হয়ে ভিসিকে বলেন, 'আবরার খুন হওয়ার পর আপনি কই ছিলেন? গতকাল কেন এখানে আসেননি?'

তিনি বলেন, 'আমি এখানেই ছিলাম। আমি রাত দেড়টা পর্যন্ত কাজ করেছি।'

একথা বলে ভিসি চলে যেতে চাইলে শিক্ষার্থীরা 'ভুয়া ভুয়া' বলে স্লোগান দিতে থাকেন। এরপর শিক্ষার্থীরা ভিসি ভবনের নিচে তাকে অবরুদ্ধ করে রাখেন। ভিসির সাথে বুয়েটের বিভ্ন্নি বিভাগের ডিন ও শিক্ষকরা শিক্ষার্থীদের শান্ত করার চেষ্টা করেন।

ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস জেরে আবরার ফাহাদকে রোববার (৬ অক্টোবর) রাতে ডেকে নিয়ে যায় বুয়েট শাখা ছাত্রলীগের কয়েকজন নেতাকর্মী। এরপর রাত ৩টার দিকে শেরেবাংলা হলের নিচতলা ও দোতলার সিঁড়ির করিডোর থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

ঢাকা মেডিকেলের ফরেনসিক বিভাগের প্রধান ডা. সোহেল মাহমুদ তিনি বলেন, নিহত আবরারে ফাহাদের হাত, পা ও পিঠে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। আবরারকে বাঁশ বা স্ট্যাম্প জাতীয় জিনিস দিয়ে আঘাত করা হয়েছে। প্রচুর রক্ত ক্ষরণ হওয়ায় তার মৃত্যু হয়েছে।

এ ঘটনায় মঙ্গলবার রাত ৮টার দিকে বাবা বরকত উল্লাহ ১৯ জনকে আসামি করে চকবাজার মামলা করেছেন।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

জাতীয় খবর