channel 24

সর্বশেষ

  • রাজধানীর রায়েরবাজারে ড্রেজিংয়ের সময় ৩ জনের মৃত্যু

  • লালমনিরহাটে বিএসএফের গুলিতে ২ বাংলাদেশির মৃত্যু: বিজিবি

বুয়েট ভিসির সঙ্গে বৈঠকে বসেছেন শিক্ষকরা

বুয়েট ভিসির সঙ্গে বৈঠকে বসেছেন শিক্ষকরা

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ হত্যাকাণ্ড নিয়ে চলমান আন্দোলন পরিস্থিতিতে শিক্ষকদের সঙ্গে বৈঠকে বসেছেন উপাচার্য (ভিসি) অধ্যাপক ড. সাইফুল ইসলাম। মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে ৪টায় ভিসির কার্যালয়ে এ বৈঠক শুরু হয়।

শিক্ষার্থীদের আন্দোলন নিরসনের জন্য বিভাগীয় চেয়ারম্যান ও ডিনদের সঙ্গে বৈঠকে বসেছেন অধ্যাপক ড. সাইফুল ইসলাম।

এদিকে ভিসির কার্যালয় ঘেরাও করে বুয়েট শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ করছেন। এছাড়া প্রধান ফটকেও তালা দিয়েছেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।

এ বৈঠকের পর আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সাথে ও সাংবাদিকদের নিয়ে ভিসির বৈঠকে বসার কথা রয়েছে। তবে বৈঠকের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছেন আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা।

তারা জানান, আমরা চাই আন্দোলনের মাঝে ভিসি স্যার এসে আমাদের দাবি-দাওয়াগুলো কীভাবে মানবেন ও বাস্তবায়ন করবেন সে বিষয়গুলো বলবেন।

আবরার ফাহাদের হত্যাকারীদের ফাঁসিসহ আট দফা দাবি দিয়ে আন্দোলন করেছেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা।

শিক্ষার্থীদের আট দফা দবি হলো- খুনিদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে, ৭২ ঘণ্টার মধ্যে খুনিদের বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আজীবনের জন্য বহিষ্কার করতে হবে, আবাসিক হলগুলোতে র‌্যাগের নামে এবং ভিন্নমত দমানোর নামে নির্যাতন বন্ধে প্রশাসনের সক্রিয় ভূমিকা নিশ্চিত করতে হবে, ঘটনার ৩০ ঘণ্টা পরও ভিসি কেন ঘটনাস্থলে উপস্থিত হননি তা মঙ্গলবার বিকাল ৫টার মধ্যে ভিসিকে ক্যাম্পাসে উপস্থিত হয়ে শিক্ষার্থীদের কাছে এর জবাব দিতে হবে, হত্যা মামলার খরচ বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে বহন করতে হবে, এর আগের ঘটনাগুলোর বিচার করতে হবে, ১১ অক্টোবরের মধ্যে শেরেবাংলা হলের প্রভোস্টকে প্রত্যাহার করতে হবে এবং ক্যাম্পাসে ছাত্র রাজনীতি স্থায়ীভাবে নিষিদ্ধ করতে হবে।

ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস জেরে আবরার ফাহাদকে রোববার (৬ অক্টোবর) রাতে ডেকে নিয়ে যায় বুয়েট শাখা ছাত্রলীগের কয়েকজন নেতাকর্মী। এরপর রাত ৩টার দিকে শেরেবাংলা হলের নিচতলা ও দোতলার সিঁড়ির করিডোর থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। আবরারের বাড়ি কুষ্টিয়ায়। তার বাবা বরকত উল্লাহ একজন এনজিও কর্মী, মা রোকেয়া বেগম কিন্ডার গার্টেন স্কুলে শিক্ষকতা করেন। দুই ভাইয়ের মধ্যে আবরার বড়। তার ছোট ভাই ঢাকা কলেজের ছাত্র।

ঢাকা মেডিকেলের ফরেনসিক বিভাগের প্রধান ডা. সোহেল মাহমুদ তিনি বলেন, নিহত আবরারে ফাহাদের হাত, পা ও পিঠে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। আবরারকে বাঁশ বা স্ট্যাম্প জাতীয় জিনিস দিয়ে আঘাত করা হয়েছে। প্রচুর রক্ত ক্ষরণ হওয়ায় তার মৃত্যু হয়েছে।

এ ঘটনায় মঙ্গলবার রাত ৮টার দিকে বাবা বরকত উল্লাহ ১৯ জনকে আসামি করে চকবাজার মামলা করেছেন।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

জাতীয় খবর