channel 24

সর্বশেষ

  • করোনাভাইরাসের কারণে চীনে বন্ধ কাঁকড়া রপ্তানি; বিপাকে চাষী ও ব্যবসায়ীরা

  • আগামী মাস থেকে যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি হবে বাংলাদেশে তৈরি স্মার্টফোন

  • হরিণের চামড়ার ওপর সৌম্য সরকারের বিয়ের আশীর্বাদ!

  • চট্টগ্রাম সিটিতে বিএনপির মেয়রপ্রার্থী ডা. শাহাদাত হোসেন

  • ভারতের কাছে হারলো বাংলাদেশ নারী দল

  • মধ্যপ্রাচ্যেও ছড়িয়েছে করোনাভাইরাস, ইরানে প্রাণ গেছে ১২ জনের

  • ট্রাক ড্রাইভারকে মারধর ও চাঁদাবাজির অভিযোগে ঢাবির ২ শিক্ষার্থী বহিষ্কার

  • দিল্লিতে নাগরিকত্ব আইন বিরোধী সহিংস বিক্ষোভ, পুলিশ সদস্য নিহত

  • চট্টগ্রামে বিদ্যুৎকেন্দ্র করার পরিকল্পনা আছে: রাশিয়ান রাষ্ট্রদূত

  • চট্টগ্রাম সিটিতে সবধরনের প্রচারণা সামগ্রী অপসারণের নির্দেশ

  • চট্টগ্রাম সিটিতে বিএনপির কাউন্সিলর পদে মনোনয়ন চূড়ান্ত

  • শারীরিক প্রতিবন্ধকতাকে দূরে ঠেলে স্বপ্নের দিকে এগিয়ে যাচ্ছেন কুড়িগ্রামের ফারজানা

  • সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষায় যাচ্ছে না ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

  • পাকিস্তানের সঙ্গে সর্ম্পক উন্নয়নে ভারতের প্রতি আহ্বান ট্রাম্পের

  • অসন্তোষ মা ও মামার, সামিরার দাবি সত্যের জয় হয়েছে

তল্লাশি না করতে র‌্যাবকে ১০ কোটির প্রস্তাব দেন জি কে শামীম

তল্লাশি না করতে র‌্যাবকে ১০ কোটির প্রস্তাব দেন জি কে শামীম

যুবলীগ নেতা ও প্রভাবশালী ঠিকাদার গোলাম কিবরিয়া শামীম ওরফে জি কে শামীমের নিকেতনের অফিস শুক্রবার ভোর থেকেই ঘিরে রাখে র‌্যাব। র‌্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারওয়ার আলম নিকেতনে এলে একপর্যায়ে শুরু হয় অভিযান ও তল্লাশির প্রস্তুতি।

এসময় জি কে শামীম র‌্যাব কর্মকর্তাদের অভিযান ও তল্লাশি করতে বারণ করেন। অভিযান না করার পরিবর্তে র‍্যাবের এক কর্মকর্তাকে ১০ কোটি টাকা ঘুষ দেওয়ার প্রস্তাব দেন। তবে র‌্যাব তার প্রস্তাবে রাজি না হয়ে অভিযান চালায়। জব্দ করা হয় নগদ টাকা, সরঞ্জাম, এফডিআরসহ মাদক।

র‌্যাবের লিগ্যাল ও মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. সারওয়ার-বিন-কাশেম বলেন, ‘জি কে শামীম তার অফিস ও বাসায় অভিযান না চালাতে এবং গ্রেফতার এড়াতে আমাকে ১০ কোটি টাকার ঘুষ প্রস্তাব করেছিলেন। প্রস্তাব আমলে না নিয়ে আমরা জি কে শামীমের কার্যালয়ে অভিযান চালাই, তাকেসহ তার সাত দেহরক্ষীকে গ্রেফতার করি।’

তিনি আরও বলেন, টেন্ডারবাজি, চাঁদাবাজি, মানি লন্ডারিংয়ের সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে তাকে গ্রেফতার করে আদালতে সোপর্দ করা হয়। আদালত অধিকতর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য জি কে শামীমকে রিমান্ড মঞ্জুর করেন। তিনি এখন ডিবি হেফাজতে রয়েছেন।

রিমান্ডে নেয়ার আগে শামীমকে জিজ্ঞাসাবাদে করে র‌্যাব। দায়িত্বশীল সূত্র জানায়, জিজ্ঞাসাবাদের পর শামীম গণপূর্ত অধিদফতরের ২০ জন সাবেক সরকারি কর্মকর্তার নাম বলেছেন, যাদের মাসে ২-৫ লাখ টাকা দিতেন তিনি। সরকারি কর্মকর্তারা টাকার বদলে শামীমকে ঠিকাদারির কাজের টেন্ডার পেতে সাহায্য করতেন।

র‌্যাব সূত্র জানায়, ক্ষমতাসীন দলের ভুয়া পরিচয় দিয়ে চলাফেরা করতেন শামীম। তিনি একসময় বিএনপি নেতা মির্জা আব্বাসের 'ডান হাত' হিসেবে পরিচিত ছিলেন। যুবদল ঢাকা মহানগরের সহ-সম্পাদকও ছিলেন তিনি। তবে ক্ষমতার পালাবদলে শামীমও তার পরিচয় বদলে ফেলেন। রাতারাতি ভোল পাল্টে আওয়ামী লীগ ও যুবলীগে ভিড়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

জাতীয় খবর