channel 24

সর্বশেষ

  • নির্বাচনি প্রচারণায় আসছে নানা বিধিনিষেধ; যত্রতত্র পোস্টার-মাইকিং নয়

  • উন্নয়ন পরিকল্পনা সঠিকভাবে বাস্তবায়ন না হওয়ার কারণে দুর্ভোগে পড়তে হয় জনগণকে

  • দেশের পুঁজিবাজারে আজও সূচকের পতন

  • আন্তর্জাতিক জ্বালানি খাতে নিজেদের আধিপত্য বাড়াতে চায় সৌদি আরব

  • ভুতুড়ে বিল বন্ধ করতে প্রযুক্তি ব্যবহারের বিকল্প নেই: বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী

  • কানাডার সাস্কাটুনে বসন্তের ফুল ফুটবে ২৯ ফেব্রুয়ারি

  • রোহিঙ্গা ও স্থানীয় অপরাধীদের এক হতে দেয়া যাবে না: ভূমিমন্ত্রী

  • পা দিয়ে ছবি এঁকে জাতীয় পুরস্কার জিতেছেন ফেনীর মোনায়েম

  • ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের কাজ যথাসময়ে শেষ করার নির্দেশ

  • চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন: ৮৫ হাজার নতুন ভোটারের ভোটদানে অনিশ্চয়তা

  • ব্যবসায়ী মহলে করোনার নেতিবাচক প্রভাব

  • ফরহাদ রেজার সেঞ্চুরিতে ইস্টের বিপক্ষে রান পাহাড়ে সাউথ

  • অবশেষে বিটিআরসিকে এক হাজার কোটি টাকা দিলো গ্রামীণফোন

  • আ.লীগের রাজনৈতিক স্বার্থে খালেদা জিয়া কারাবন্দি: ফখরুল

  • কুর্মিটোলায় ফুটপাতে প্রাইভেটকার চাপায় আহত ১৫

কানাডায় বঙ্গবন্ধুর খুনি নূরের অবস্থান জানতে বাংলাদেশের আবেদন মঞ্জুর

কানাডায় বঙ্গবন্ধুর খুনি নূরের অবস্থান জানতে বাংলাদেশের আবেদন মঞ্জুর

কানাডায় থাকা বঙ্গবন্ধুর খুনি নূর চৌধুরীর অবস্থানের বিষয়ে তথ্য পেতে বাংলাদেশের আবেদন মঞ্জুর করেছে দেশটির ফেডারেল আদালত। চারটি বিষয় বিবেচনা করে অন্টারিও ফেডারেল আদালতের বিচারক জেমস ডব্লিউ ওরেইলি এই রায় দেন। এর ফলে নূর চৌধুরীকে দেশে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া সহজ হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক।

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট নির্মমভাবে সপরিবারে হত্যা করা হয় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে। দেশের বাইরে থাকায় প্রাণ বেঁচে যান বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার ছোট বোন শেখ রেহানা।

১৯৭৫ এর ২৬ সেপ্টেম্বর হত্যাকাণ্ডের বিচাররে নিষেধাজ্ঞা দিয়ে জারি করা হয় দায়মুক্তি অধ্যাদেশ। দীর্ঘ ২১ বছর পর ২৪ জনের বিরুদ্ধে এই ঘটনায় মামলা করা হয়। পরবর্তিতে বাতিল করা হয় দায়মিুক্তি অধ্যাদেশ। শুরু হয় মামলার কার্যক্রম। বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে নূর চৌধুরীসহ ১৫ জনেকে মৃত্যুদণ্ড দেন ঢাকার দায়রা জজ আদালত।

১৯৯৬ সালেই নূর চৌধুরী ও তার স্ত্রী ভ্রমণকারী মর্যাদা নিয়ে কানাডায় প্রবেশ করেন করেন। পরে তারা শরনার্থী মর্যাদার জন্য আবেদন করেন। ২০০২ সালে শরনার্থীর মর্যাদার আবেদন খারিজ করা হয়। ২০০৯ সালে প্রি রিমুভাল রিস্ক অ্যাসেসমেন্ট এর আবেদন করেন নূর চৌধুরী।

কানাডায় নূর চৌধুরীর অবস্থানের বিষয়ে তথ্য পেতে ২০১০ সাল থেকে দেশটির কর্মকর্তাদের সাথে আলোচনা শুরু করে বাংলাদেশ। ২০১৮ সালে বাংলাদেশের হাই কমিশন জনস্বার্থে নূর চৌধুরীর অবস্থানের তথ্য চেয়ে অভিবাসন মন্ত্রীর কাছে লিখিত আবেদন করেন। তবে, দুই দেশের মধ্যে তথ্য আদান প্রদানে কোন চুক্তি না থাকায় দেশটি বাংলাদেশকে নূর চৌধুরীর অবস্থানের বিষয়ে কোন তথ্য দেয়নি। এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ফেডারেল আদালতে আবেদন করা হলে তা মঞ্জুর করেন কানাডার আদালত।

এই রায়ের প্রতিক্রিয়ায় আইনমন্ত্রী আনিসুল হক চ্যানেল টোয়েন্টি ফোরকে বলেন, এর ফলে নূর চৌধুরীকে দেশে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়ার অগ্রগতি হলো।

তবে নূর চৌধুরী বিষয়ে তথ্য পেতে নতুন করে আবেদন করতে হবে না বলেও মনে করেন আইনমন্ত্রী।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

জাতীয় খবর