channel 24

সর্বশেষ

  • ছুটি বাতিলের সিদ্ধান্তে কয়েকগুণ বাড়বে সংক্রমণ ঝুঁকি

  • আজ খুলছে দেশের দুই স্টক এক্সচেঞ্জ

  • শঙ্কা নিয়েই খুললো সরকারি-বেসরকারি অফিস

  • কৃষ্ণাঙ্গ হত্যার বিচার দাবিতে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে বিক্ষোভ

  • ব্রাজিলে একদিনে করোনায় আক্রান্তের নতুন রেকর্ড

  • করোনায় বিশ্বে আক্রান্ত ৬০ লাখ ৫৯ হাজার ছাড়িয়েছে

  • দুমাস পর ট্রেন ও লঞ্চ চলাচলে কর্মস্থলমুখি জনস্রোত

  • বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবর্ষ উপলক্ষে স্মারক ডাকটিকিট অবমুক্ত করেছে জাতিসংঘ

  • লিবিয়ায় ২৬ বাংলাদেশি খুনে মাফিয়াদের বিচার চান স্বজনরা

  • বাসভাড়া বৃদ্ধি মরার উপর খাড়াঁর ঘা

  • সীমিত পরিসরে সেবার নামে বাসভাড়া ৮০ শতাংশ বাড়ানোর প্রস্তাব

  • চট্টগ্রামে এবার চিকিৎসা পেলেন না স্বাস্থ্য পরিচালকের মা!

  • কক্সবাজারে নতুন করে ২৬ জন করোনায় আক্রান্ত

  • ভার্চুয়াল শপথ নিলেন ১৮ বিচারপতি

  • করোনাকালে অসহায়দের পাশে 'ওল্ড ল্যাবরেটরি অ্যাসোসিয়েশন'

ঢাকা নদীরক্ষা প্রকল্পের কাজ শুরু

ঢাকা নদীরক্ষা প্রকল্পের কাজ শুরু

উদ্বোধনের প্রায় দেড় মাস পর শুরু হলো ঢাকা নদী রক্ষা প্রকল্পের কাজ। গেলো মাসের শেষের দিকে ঠিকাদারদের, বুড়িগঙ্গা-তুরাগের কয়েকটি পয়েন্টের সীমানা বুঝিয়ে দিয়েছে বিআইডব্লিউটিএ। যেসব এলাকায় এখন চলছে পাইলিংয়ের কাজ। তবে, এসকেভেটরের অভাবে আটকে আছে নদী তীরের ধ্বংসস্তূপ সরানো ও মাটি খনন।

পাইলিংয়ের এক-একটি গাঁথুনিতেই যেন তুরাগ বুঝে পাচ্ছে তার নিজের জায়গা। কয়েকমাস আগেও যে স্থান ছিলো মানুষের দখলে। সেখানে এখন বসানো হচ্ছে নদীর স্থায়ী সীমানা পিলার।

তুরাগের মোহাম্মদপুর এলাকার রামচন্দ্রপুর মৌজা আর বুড়িগঙ্গার কামরাঙ্গীরচর খোলামোড়া এলাকার মোট ৪টি পয়েন্টে চলছে এই কর্মযজ্ঞ। জুলাই মাসের শুরুতে এই কাজের উদ্বোধন হলেও দেড় মাস পর তা শুরু হয় আগস্টের শেষের দিকে। ২৫ থেকে ৩০ ফুট পর্যন্ত গভীর পাইল এমন ১০ হাজার ৮২০টি পিলার স্থাপনা করা হবে বুড়িগঙ্গা, তুরাগ, বালু ও শীতলক্ষ্মা এই ৪ নদীর ৫২ কিলোমিটার তীরজুড়ে। এরপর হবে ওয়াকওয়ে ও নদী তীর রক্ষার দেয়াল।

তবে এতোসব পরিকল্পনা থাকলেও, ভরাট হওয়া নদীর জায়গার মাটি অপসারণ কিংবা ধ্বংসস্তুপ সরানো কাজে গতি নেই এতটুকু। কারণ হিসেবে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বিআইডব্লিউটিএ এর বহরে রয়েছে মাত্র ৩টি এসকেভেটর। যারমধ্যে ২টি রয়েছে ঢাকার বাইরে বাকি একটি দিয়ে চলছে বিশাল এই এলাকার ধ্বংসস্তুপ সরানো কিংবা মাটি অপসারণের কাজ।

বিষয়টি নৌ পরিবহন প্রতিমন্ত্রীর নজরে আনা হলে তিনি জানান, শিগগিরই বহরে নতুন এসকেভেটর যুক্ত হচ্ছে। আর সময়মতো কাজ শেষ না হলে ব্যবস্থা নেয়া হবে ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে।

চলতি বছরের জানুয়ারির শেষ সপ্তাহ থেকে জুলাই মাসের মাঝামাঝি পর্যন্ত চালানো অভিযানে গুড়িয়ে দেয়া হয় ৪ হাজার ৪৭২টি স্থাপনা, উদ্ধার করা হয় ১২১ একর জমি।

নিউজটির বিস্তারিত প্রতিবেদন ভিডিওতে-

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

জাতীয় খবর