channel 24

সর্বশেষ

  • বাংলামোটরে বাস চাপায় ২ মোটর সাইকেল আরোহী নিহত

  • করোনায় মাসে গড়ে ১১'শ কোটি টাকার ক্ষতিতে পোল্ট্রিখাত

  • করোনার ভয়াবহ সংক্রমণ ঝুঁকিতে রোহিঙ্গা ক্যাম্প

  • চট্টগ্রামে চিকিৎসা সেবার পাশাপাশি ওষুধ ও অক্সিজেন সিলিন্ডারের তীব্র সংকট

  • জামালপুরে কারিগরি ত্রুটিতে ল্যাব বন্ধ থাকায় ব্যাহত হচ্ছে করোনা পরীক্ষা

  • জয়পুরহাটে দরিদ্র দাবি করে সরকারি সাহায্যের তালিকায় জনপ্রতিনিধিরা

  • করোনা চিকিৎসায় নিয়ন্ত্রণহীন প্লাজমা থেরাপি প্রয়োগ

  • শেরপুর সদর হাসপাতালে চিকিৎসায় অবহেলায় নারীর মৃত্যু

  • অগ্নিকাণ্ডে অবহেলা: ইউনাইটেড হাসপাতালের বিরুদ্ধে ভুক্তভোগীর মামলা

  • ময়মনসিংহ সার্কিট হাউস মাঠে দেয়াল নির্মাণের সিদ্ধান্তে খেলোয়াড়দের প্রতিবাদ

  • করোনায় বিশ্বে প্রাণহানি ৩ লাখ ৮০ হাজার ছাড়ালো, আক্রান্ত ৬৪ লাখ

  • রংপুরে জাতীয় পার্টির রাজনীতিতে উত্তাপ

  • পাকশী বিভাগীয় রেলওয়ের ৮৫ গেটম্যানকে চাকরিচ্যুতির প্রতিবাদে বিক্ষোভ

  • বাস ও ট্রেনে বেশিরভাগ যাত্রীই মানছেন স্বাস্থ্যবিধি, ব্যতিক্রম নৌপথে

  • স্বাস্থ্যকর্মীদের সঙ্গে তিতুমীর কলেজ স্টাফদের সংঘর্ষের ঘটনায় পরিস্থিতি এখনও থমথমে

সরাসরি কৃষকের কাছে কেন ধান ক্রয় করা হবে না: হাইকোর্টের রুল

সরাসরি কৃষকের কাছে কেন ধান ক্রয় করা হবে না: হাইকোর্টের রুল

অভ্যন্তরীণ খাদ্যশস্য সংগ্রহ নীতিমালা, ২০১৭ অনুযায়ী সরাসরি কৃষকের কাছ থেকে কেন ধান ক্রয় করা হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছে হাইকোর্ট।

আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে কৃষি সচিব, খাদ্য সচিব ও খাদ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে এই রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে। এক রিট আবেদনের প্রেক্ষিতে বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. খায়রুল আলমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোটের ডিভিশন বেঞ্চ গতকাল বুধবার এই আদেশ দেন।

অভ্যন্তরীণ খাদ্যশস্য সংগ্রহ নীতিমালায় বলা হয়েছে, কৃষকদের নিকট থেকে সরাসরি সংগ্রহ মৌসুমে উৎপাদিত ধান ও গম এবং বৈধ ও সচল চালকল মালিকদের নিকট থেকে চুক্তির বিপরীতে সংশ্লিষ্ট মৌসুমের ধান থেকে ছাঁটাই করা চাল সংগ্রহ করা হবে। এছাড়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার সরবরাহ করা মৌসুমে আবাদকৃত জমির পরিমাণ এবং সম্ভাব্য উৎপাদনের পরিমাণসহ ডাটাবেইজ হতে প্রযোজনীয় সংখ্যক প্রান্তিক কৃষক নির্বাচন করবে।

উপজেলা কমিটি প্রত্যেকের প্রদেয় খাদ্যশস্যের পরিমাণসহ নির্বাচিত কৃষকদের তালিকা সংশ্লিষ্ট সংগ্রহ কেন্দ্রে প্রেরণ করবে। এ তালিকায় অন্তর্ভূক্ত কৃষকদের নিকট থেকে ধান ও গম ক্রয় করা হবে। সংগ্রহ কেন্দ্রের কর্মকর্তা কৃষি উপকরণ সহায়তা কার্ড/জাতীয় পরিচয়পত্রের ভিত্তিতে তালিকাভুক্ত কৃষকদের সনাক্ত করবেন। তালিকা বহির্ভূত কারো নিকট হতে ধান ও গম ক্রয় করা যাবে না।

কিন্তু এই নীতিমালার ব্যতয় ঘটিয়ে সরাসরি কৃষকদের কাছ থেকে ধান ক্রয় না করে মধ্যস্বত্ত্বভোগীদের কাছ থেকে তা কেনা হচ্ছে। এত কৃষকরা ন্যায্য মূল্য পাচ্ছে না। এই বিষয়গুলো উল্লেখ করে হাইকোর্টে রিট করেন জাতীয় কৃষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম গোলাপ।

রিটে বলা হয়, স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের পছন্দের লোক বা স্থানীয় সরকারি লের লোকজনই আসলে সরকারি গুামে ধান সরবরাহের সুযোগ পায়। আর তারা কেউই প্রান্তিক কৃষক নন। ক্ষেত্র বিশেষে তারা গরিব কৃষকের ধান কম ামে কিনে বেশিামে সরকারি গুদামে সরবরাহ করে থাকেন। ফলে ঋণ করে ধান উৎপাদন করে এখন কৃষকেরা তাদের উৎপাদন খরচও তুলতে পারছেন না। রিটের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট মো. ফিরোজ আলম। শুনানি শেষে হাইকোর্ট রুল জারি করে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

জাতীয় খবর