channel 24

সর্বশেষ

  • ট্রাম্পের অভিশংসনের বিষয়ে প্রকাশ্যে শুনানি শুরু

  • ঢাকা-চট্টগ্রাম রেলরুটে সাত বছরে এক হাজারের বেশি দুর্ঘটনা

  • বিয়ে করলেন গুলতেকিন

  • ‘আকাশ প্রদীপে’ ৫ ঘণ্টার অপারেশন শেষে ৭৬ স্বর্ণের বার জব্দ

  • কলকাতায় অপহৃত বাংলাদেশির মুক্তি মিললো ৫০ লাখ টাকায়

  • সিআইপি সম্মাননা পাচ্ছেন ৪৮ ব্যবসায়ী

  • রাজধানীর নারিন্দায় চিলেকোঠা থেকে তরুণের মৃতদেহ উদ্ধার

  • জমি অধিগ্রহণের আইনি জটিলতায় অনিশ্চিত বগুড়ার অর্থনৈতিক অঞ্চল

  • রাজশাহীতে রেলের টেন্ডারকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে যুবলীগ কর্মী নিহত

  • সিঙ্গাপুরে ক্যাসিনো খেলা বাংলাদেশিদের তথ্য চাওয়া হয়েছে: প্রধানমন্ত্রী

  • ফরিদপুরের তিন উপজেলায় শতভাগ বিদ্যুতায়নের উদ্বোধন

  • বরিশালে অনুমতি ছাড়া গর্ভপাতের অভিযোগে প্যারামেডিক আটক

  • দ্রুত চার্জশিট দেয়ায় আবরারের পরিবারের সন্তোষ

  • বাবাকে দাফন করে ফেরার পথে মাকেও হারালো সুমি

  • পিরোজপুরে কিশোর উজ্জল হত্যার দায়ে দুইজনের মৃত্যুদণ্ড

সরাসরি কৃষকের কাছে কেন ধান ক্রয় করা হবে না: হাইকোর্টের রুল

সরাসরি কৃষকের কাছে কেন ধান ক্রয় করা হবে না: হাইকোর্টের রুল

অভ্যন্তরীণ খাদ্যশস্য সংগ্রহ নীতিমালা, ২০১৭ অনুযায়ী সরাসরি কৃষকের কাছ থেকে কেন ধান ক্রয় করা হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছে হাইকোর্ট।

আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে কৃষি সচিব, খাদ্য সচিব ও খাদ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে এই রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে। এক রিট আবেদনের প্রেক্ষিতে বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. খায়রুল আলমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোটের ডিভিশন বেঞ্চ গতকাল বুধবার এই আদেশ দেন।

অভ্যন্তরীণ খাদ্যশস্য সংগ্রহ নীতিমালায় বলা হয়েছে, কৃষকদের নিকট থেকে সরাসরি সংগ্রহ মৌসুমে উৎপাদিত ধান ও গম এবং বৈধ ও সচল চালকল মালিকদের নিকট থেকে চুক্তির বিপরীতে সংশ্লিষ্ট মৌসুমের ধান থেকে ছাঁটাই করা চাল সংগ্রহ করা হবে। এছাড়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার সরবরাহ করা মৌসুমে আবাদকৃত জমির পরিমাণ এবং সম্ভাব্য উৎপাদনের পরিমাণসহ ডাটাবেইজ হতে প্রযোজনীয় সংখ্যক প্রান্তিক কৃষক নির্বাচন করবে।

উপজেলা কমিটি প্রত্যেকের প্রদেয় খাদ্যশস্যের পরিমাণসহ নির্বাচিত কৃষকদের তালিকা সংশ্লিষ্ট সংগ্রহ কেন্দ্রে প্রেরণ করবে। এ তালিকায় অন্তর্ভূক্ত কৃষকদের নিকট থেকে ধান ও গম ক্রয় করা হবে। সংগ্রহ কেন্দ্রের কর্মকর্তা কৃষি উপকরণ সহায়তা কার্ড/জাতীয় পরিচয়পত্রের ভিত্তিতে তালিকাভুক্ত কৃষকদের সনাক্ত করবেন। তালিকা বহির্ভূত কারো নিকট হতে ধান ও গম ক্রয় করা যাবে না।

কিন্তু এই নীতিমালার ব্যতয় ঘটিয়ে সরাসরি কৃষকদের কাছ থেকে ধান ক্রয় না করে মধ্যস্বত্ত্বভোগীদের কাছ থেকে তা কেনা হচ্ছে। এত কৃষকরা ন্যায্য মূল্য পাচ্ছে না। এই বিষয়গুলো উল্লেখ করে হাইকোর্টে রিট করেন জাতীয় কৃষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম গোলাপ।

রিটে বলা হয়, স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের পছন্দের লোক বা স্থানীয় সরকারি লের লোকজনই আসলে সরকারি গুামে ধান সরবরাহের সুযোগ পায়। আর তারা কেউই প্রান্তিক কৃষক নন। ক্ষেত্র বিশেষে তারা গরিব কৃষকের ধান কম ামে কিনে বেশিামে সরকারি গুদামে সরবরাহ করে থাকেন। ফলে ঋণ করে ধান উৎপাদন করে এখন কৃষকেরা তাদের উৎপাদন খরচও তুলতে পারছেন না। রিটের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট মো. ফিরোজ আলম। শুনানি শেষে হাইকোর্ট রুল জারি করে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

জাতীয় খবর