channel 24

সর্বশেষ

  • পুঁজিবাজারে ব্যাংকগুলোর বিনিয়োগ সামর্থ্য বাড়াতে...

  • সাময়িক তারল্য সুবিধা দিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রজ্ঞাপন

  • খুলনা জিআরপি থানার সাবেক ওসি উছমান গনিসহ...

  • ৫ পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে আদালতে গণধর্ষণ মামলা দায়েরের আবেদন

  • ক্যাসিনো অবৈধ, কাউকে বেআইনি ব্যবসা করতে দেয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

  • অনিয়ম, দুর্নীতি রোধে ব্যর্থতায় সরকারের পদত্যাগ করা উচিত: ফখরুল

  • নাব্যতা সংকটে বন্ধ শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ি নৌরুটে ফেরি চলাচল

  • টেকনাফে পুলিশের সাথে কথিত বন্দুকযুদ্ধে রোহিঙ্গা দম্পতি নিহত

  • উগান্ডায় প্রশিক্ষণ নিতে যাওয়া কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অনেকেই প্রকল্প সংশ্লিষ্ট নন; অনিয়মে বারবারই অভিযুক্ত চট্টগ্রাম ওয়াসা।

  • দখল-দূষণে অস্তিত্ব সংকটে বেশিরভাগ নদী; দখলদারদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রকাশ ও খননের দাবি পরিবেশবাদীদের।

  • গোপালগঞ্জে বঙ্গবন্ধু বিশ্ববিদ্যালয়ে চতুর্থ দিনের মতো আমরণ অনশনে শিক্ষার্থীরা; ভিসি পদত্যাগ না করা পর্যন্ত আন্দোলন চালানোর ঘোষণা

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আন্তর্জাতিক চক্রের অভিনব প্রতারণা, হাতিয়ে নিচ্ছে সর্বস্ব

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আন্তর্জাতিক চক্রের অভিনব প্রতারণা, হাতিয়ে নিচ্ছে সর্বস্ব

প্রথমে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গড়ে তুলে সখ্যতা। কিছুদিন পর প্রতারণার জালে আটকে কেড়ে নেয়া হয় সর্বস্ব। সম্প্রতি আন্তর্জাতিক প্রতারক চক্রের এক নাইজেরিয়ানসহ চারজনকে গ্রেপ্তারের পর বেরিয়ে আসে এমন তথ্য। ভুক্তভোগীরা বলছেন, একেক জনকে একেক ধরনের ফাঁদে ফেলে প্রতারক চক্র হাতিয়ে নেয় লাখ লাখ টাকা। অপরাধীদের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত রাখার কথা জানিয়েছে পুলিশ।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রতারণার শিকার বেলাল হোসেন পেশায় একজন স্থপতি। যুক্তরাষ্ট্র থেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তার সাথে সখ্যতা গড়ে তুলে জেনিট নরমানি নামের এক মেয়ে। কিছু দিন পর ব্যবসার কথা বলে দেড় মিলিয়ন ডলার পাঠানোর আশ্বাস দেয় জেনিট। যা পাঠানো হয় এক নাইজেরিয়ানের মাধ্যমে। পরে বেলালকে বলা হয় বিমানবন্দরে দেড় মিলিয়ন ডলার আটকে দেয়া হয়েছে। যা ছাড়াতে ৮৫০ ডলার লাগবে। বেলাল একটি ব্যাংক অ্যাকাউন্টে টাকা জমা দেয়ার পর বুঝতে পারেন প্রতারণার ফাঁদে পড়েছেন তিনি।

পুরো প্রক্রিয়াটির সাথে জড়িত দেশি-বিদেশি প্রতারক চক্র। এর কয়েক সদস্যকে রাজধানীর উত্তরাসহ বেশ কয়েকটি এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয় বিভিন্ন ব্যাংকের ডেভিড কার্ড ও চেকবই।

গ্রেপ্তারকৃতরা জানায়, প্রথমে তারা কিছু মানুষকে বাছাই করে। পরে তাদের সাথে বিদেশি নারী পুরুষের মাধ্যমে সখ্যতা গড়ে তোলে। এরপর অভিনব কায়দায় হাতিয়ে নেয় লাখ লাখ টাকা। এই অর্থের ১০ শতাংশ পায় তারা।

চক্রটি একেক জনকে একেকভাবে প্রতারণার ফাঁদে ফেলছে। লোভের কারণেই সাধারণ মানুষ প্রতারণার শিকার হচ্ছে বলছে গোয়েন্দা পুলিশ। আন্তর্জাতিকভাবে অনেকে জড়িত থাকায়, বিদেশি গোয়েন্দা সংস্থার সহায়তা নেয়া হবে বলেও জানান পুলিশের এই কর্মকর্তা।

নিউজটির ভিডিও-

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

জাতীয় খবর