channel 24

সর্বশেষ

  • লাখো মোমবাতির আলোয় উজ্জ্বল নড়াইল

  • বসানো হলো পদ্মা সেতুর ২৫তম স্প্যান, দৃশ্যমান ৩৭৫০ মিটার

  • আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের ব্যানারে বীরশ্রেষ্ঠদের ছবি!

  • চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে সর্বস্তরের মানুষের ঢল

  • অভিনব প্রতারনা!

  • টেকনাফে গোলাগুলিতে যুবক নিহত

  • চট্টগ্রামে ১৪ হাজার ইয়াবাসহ সেনা সদস্য আটক

  • কুষ্টিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় জাতীয় হ্যান্ডবল দলের গোলরক্ষক সোহান নিহত

  • জাতিধর্ম আর দলমত নির্বিশেষে সবাই এককাতারে

  • নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ: ভারতের কাছে হারলো অস্ট্রেলিয়া

  • যারা ইংরেজি উচ্চারণে বাংলা বলে, তাদের প্রতি করুণা হয়: প্রধানমন্ত্রী

  • ইরানে সংসদ নির্বাচনের ভোট গ্রহণ চলছে, কট্টরপন্থীদের জয়ের সম্ভাবনা

  • শিশুদের খেলনা ও পোশাকে করোনাভাইরাসের প্রভাব

  • দেশের তরুণদের দক্ষতা বাড়াতে সহায়তা দিবে ইউএনডিপি

  • ছোট বড় সব ব্যবসায় করোনাভাইরাসের প্রভাব

বিমানের প্রকৌশল বিভাগের পরিচালকের চুক্তি বাতিল, প্রধান প্রকৌশলী বরখাস্ত

বিমানের প্রকৌশল বিভাগের পরিচালকের চুক্তি বাতিল, প্রধান প্রকৌশলী বরখাস্ত

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের প্রকৌশল বিভাগের পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন (অব.) খন্দকার সাজ্জাদুর রহিমের চুক্তি ভিত্তি নিয়োগ বাতিল করা হয়েছে। এছাড়া ইঞ্জিনিয়ারিং সার্ভিসের প্রধান প্রকৌশলী গাজী মাহমুদ ইকবালকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৩ সেপ্টেম্বর) রাতে কুর্মিটোলায় বিমানের প্রধান কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

মিশরের ইজিপ্ট এয়ারের কাছ থেকে লিজ নেওয়া দু'টি উড়োজাহাজ ফেরত সংক্রান্ত বিষয়ে গাফিলতির কারণে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিমান পরিচালনা পর্ষদ। বিমান পরিচালনা পর্ষদ সদস্য ও বিমান মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মহিবুল হক এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

২০১৮ সালের ৩০ এপ্রিল চুক্তিতে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের পরিচালক (প্রকৌশল) পদে নিয়োগ পান গ্রুপ ক্যাপ্টেন (অব.) খন্দকার সাজ্জাদুর রহিম। অন্যদিকে বিমানের স্থায়ী নিয়োগপ্রাপ্ত গাজী মাহমুদ ইকবাল প্রধান প্রকৌশলী (ইঞ্জিনিয়ারিং সার্ভিস) পদে দায়িত্ব পালন করছেন।

বিমান পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান এয়ার মার্শাল (অব.) মুহম্মাদ এনামুল বারীর সভাপতিত্বে সভায় সংস্থাটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা নিয়োগসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়। তবে এমডি নিয়োগ বিষয়ে চূড়ান্ত কোনও সিদ্ধান্ত হয়নি।

২০১৪ সালে মিশরের ইজিপ্ট এয়ার থেকে ৫ বছরের চুক্তিতে ড্রাই লিজে দুটি বোয়িং ৭৭৭-২০০ ইআর উড়োজাহাজ সংগ্রহ করে বিমান। ২০১৪ সালের মার্চে একটি উড়োজাহাজ বিমান বহরে যু্ক্ত হয়। অপর উড়োজাহাজটি যুক্ত হয় একই বছর মে মাসে। লিজের চুক্তি অনুসারে উড়োজাহাজ দুটি যাত্রী পরিবহন করুক আর না করুক মাসে উড়োজাহাজ প্রতি ৫ লাখ ৮৫ হাজার ডলার (৪ কোটি ৭০ লাখ ১৬ হাজার টাকা) ভাড়া দিতে হবে। সব ধরনের রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয় বিমানকে বহন করতে হবে। ৫ বছরের আগে চুক্তি বাতিল করতে পারবে না বিমান। লিজের মেয়াদ শেষে উড়োজাহাজ ভাড়া নেওয়ার সময় যে অবস্থায় ছিল সে অবস্থায় ফেরত দিতে হবে। তবে ত্রুটিপূর্ণ উড়োজাহাজ দুটি দীর্ঘ সময় বিকল হয়ে পড়ে।

এ বছরের ২০ জানুয়ারি বেসামরিক বিমান পরিবহন প্রতিমন্ত্রী মাহবুব আলী দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথমবারের মতো বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের কার্যালয়ে যেয়ে লিজে আনা উড়োজাহাজের জন্য লোকসান হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন। এক্ষেত্রে বিমান কর্তৃপক্ষের গাফিলতি আছে কি না, খতিয়ে দেখা শুরু করে মন্ত্রণালয়। বিমান দুটি ফেরত দিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেওয়া হয় মন্ত্রণালয় থেকে।

পরে এ বছরের ১৬ জুলাই একটি উড়োজাহাজ ইজিপ্ট এয়ারকে ফেরত দেয় বিমান। ফেরত পাঠাতে পাওনা পরিশোধসহ ৪.১ মিলিয়ন ডলার খরচ হয় বিমানের। অপর একটি উড়োজাহাজ এখনও ফেরত দিতে পারেনি বিমান।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

জাতীয় খবর