channel 24

সর্বশেষ

  • খুলনা জিআরপি থানার সাবেক ওসি উছমান গনিসহ...

  • ৫ পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে আদালতে গণধর্ষণ মামলা দায়েরের আবেদন

  • ক্যাসিনো অবৈধ, কাউকে বেআইনি ব্যবসা করতে দেয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

  • অনিয়ম, দুর্নীতি রোধে ব্যর্থতায় সরকারের পদত্যাগ করা উচিত: ফখরুল

  • নাব্যতা সংকটে বন্ধ শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ি নৌরুটে ফেরি চলাচল

  • টেকনাফে পুলিশের সাথে কথিত বন্দুকযুদ্ধে রোহিঙ্গা দম্পতি নিহত

  • উগান্ডায় প্রশিক্ষণ নিতে যাওয়া কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অনেকেই প্রকল্প সংশ্লিষ্ট নন; অনিয়মে বারবারই অভিযুক্ত চট্টগ্রাম ওয়াসা।

  • দখল-দূষণে অস্তিত্ব সংকটে বেশিরভাগ নদী; দখলদারদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রকাশ ও খননের দাবি পরিবেশবাদীদের।

  • গোপালগঞ্জে বঙ্গবন্ধু বিশ্ববিদ্যালয়ে চতুর্থ দিনের মতো আমরণ অনশনে শিক্ষার্থীরা; ভিসি পদত্যাগ না করা পর্যন্ত আন্দোলন চালানোর ঘোষণা

'নব্য জেএমবি নামে জামায়াত-শিবিরের লোকজনই পুলিশের ওপর হামলা চালাচ্ছে'

'নব্য জেএমবি নামে জামায়াত-শিবিরের লোকজনই পুলিশের ওপর হামলা চালাচ্ছে'

ডিএমপির কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিটের (সিটিটিসি) প্রধান অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মনিরুল ইসলাম বলেছেন, নব্য জেএমবি নামে জামায়াত-শিবিরের লোকজনই পুলিশকে টার্গেট করে হামলা চালাচ্ছে। সোমবার (২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে নিজ কার্যালয়ে সায়েন্সল্যাবে এলাকায় পুলিশের ওপর চালানো হামলা প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের করা এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

মনিরুল ইসলাম বলেন, জেএমবি ছিল মূলত জামায়াত-শিবিরের সাবেক নেতাকর্মীদের তৈরি একটি জঙ্গিবাদী সংগঠন। ২০১৬ সালের পরে যারা জড়িত হচ্ছে তাদের মধ্যে অনলাইন অ্যাকটিভিস্টই বেশি। হলি আর্টিজানের পরে তাদের যে সাংগঠনিক কাঠামো গড়ে উঠেছিল, তাতে সাবেক শিবির ছাড়াও আরও কিছু তরুণ যোগ দেয়। অনলাইন প্রচারণার ল্যাংগুয়েজ এবং ছাত্রশিবিরের ব্যবহৃত কিছু ট্রেডমার্ক ল্যাংগুয়েজ এখন পর্যন্ত ব্যবহৃত হচ্ছে। বিভিন্ন সময় যারা ধরা পড়ছে তারাও দেখা গেছে শিবিরের সঙ্গে জড়িত ছিল।

তিনি বলেন, আগের সব সন্ত্রাসী ঘটনার রহস্য উদঘাটন এবং অধিকাংশ মামলার চার্জশিট হয়েছে। এছাড়া কিছু কিছু মামলায় বিচার হয়েছে। এসব কারণে পুলিশের প্রতি তাদের প্রচণ্ড একটা ক্ষোভ আছে। এখন পর্যন্ত যতটুকু তথ্য-উপাত্ত পাওয়া গেছে তাতে পুলিশই মূলত এর টার্গেট ছিল।

পুলিশকে টার্গেটের পেছনে নানা কারণ আছে উল্লেখ করে সিটিটিসি প্রধান বলেন, ২০১৩, ২০১৪ ২০১৫ সালে এক ধরনের রাজনৈতিক সহিংসতা দেখেছেন। যুদ্ধাপরাধীদের বিচার শুরু হওয়ার পর যখন গণজাগরণ মঞ্চের উত্থান হয়, তখন থেকেই জঙ্গিবাদ বিস্তার শুরু হয়। ব্লগার হত্যাকাণ্ড শুরু হয়। ব্লগার, অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট মানেই নাস্তিক, এরকম আখ্যা দিয়ে তাদের প্রতিপক্ষ হিসেবে দেশবাসীকে দাঁড় করিয়ে দেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, রাজনৈতিকভাবে যুদ্ধাপরাধের বিচার শুরু হলে, তারা যে নৈরাজ্যকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে চেয়েছিল, তখন প্রধান প্রতিপক্ষ হিসেবে তারা দেখেছে পুলিশকে। ফলে সেদিক থেকে পুলিশের প্রতি তাদের একটি ক্ষোভ রয়েছে। তারা মনে করে যখনই সংগঠিত হতে চেয়েছে, পুলিশের কারণে পারেনি।

এজন্য পুলিশের প্রতি তাদের সাংগঠনিক যে ক্ষোভ ছিল, সেটাকে তারা কাজে লাগাচ্ছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

জাতীয় খবর