channel 24

সর্বশেষ

  • আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের প্রথম নারী ব্যবস্থাপনা পরিচালক...

  • হিসেবে দায়িত্ব নিলেন ক্রিস্টিলিনা জর্জিভা

  • ক্যাসিনোকাণ্ডে অভিযুক্ত ঢাকা দক্ষিণ সিটির ওয়ার্ড কাউন্সিলর...

  • মমিনুল হক সাঈদকে অপসারণ করেছে মন্ত্রণালয়

  • বিআইডব্লিউটিএর প্রকৌশলী জরিনা খানমকে লাঞ্ছিত করার অভিযোগ...

  • অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী নেছার উদ্দিন সাময়িক বরখাস্ত...

  • জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগ নেতা রাকিবের নামে মামলা

  • আবরার হত্যা: অমিত ও তানভীর ফের ৩ দিনের রিমান্ডে; তোহা কারাগারে

  • প্রেমের টানে আসা ভারতীয় নারীকে হস্তান্তরের পর...

  • বাংলাদেশি যুবক ও অর্ধশতাধিক গরু ফেরত দিয়েছে ভারতীয় খাসিয়ারা

  • জালিয়াতির মাধ্যমে গাড়ি আমদানির অভিযোগে...

  • মুসা বিন শমসেরসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুদক

  • গ্রামীণফোনের কাছে বিটিআরসি'র ১২ হাজার ৫৮০ কোটি টাকা...

  • দাবি আদায়ের ওপর হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞা

  • গ্রামীণফোন ও রবিতে প্রশাসক নিয়োগের বিষয়ে প্রস্তুতি সম্পন্ন...

  • সরকারের অনুমতি পেলে নিয়োগ দেয়া হবে: বিটিআরসি চেয়ারম্যান

  • রূপপুর বালিশকাণ্ডের ঘটনায় অনুসন্ধান শুরু করেছে দুদক

  • ক্যাসিনোকাণ্ড: ডিবি থেকে র‍্যাব সদর দপ্তরে নেয়া হচ্ছে সম্রাটকে

  • পদ্মা সেতুর ৮৪ ভাগ কাজ শেষ হয়েছে: ওবায়দুল কাদের

  • অনুশীলনে পাঁজরের ইনজুরিতে তামিম ইকবাল...

  • খেলছেন না জাতীয় লিগের দ্বিতীয় রাউন্ড...

  • ভারত সফরের দলে পাওয়া নিয়ে নির্বাচকদের শঙ্কা

  • হাসপাতাল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও ঘনবসতিপূর্ণ এলাকা থেকে...

  • মোবাইল টাওয়ার দ্রুত সরানোর নির্দেশ হাইকোর্টের; পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ

  • ঢাকা জেলার সন্ত্রাসবিরোধী বিশেষ ট্রাইব্যুনালের স্পেশাল পাবলিক...

  • প্রসিকিউটরের পদ থেকে জাহাঙ্গীর আলমকে অব্যাহতি: আইন মন্ত্রণালয়

  • রাজধানীর গাবতলী থেকে নব্য জেএমবির ৩ সদস্যকে আটক করেছে পুলিশ

  • চট্টগ্রামে ১৪১ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে...

  • মিশম্যাক শিপ ব্রেকিং ইয়ার্ডের মালিক মিজানুর রহমান ও...

  • মার্কেন্টাইল ব্যাংকের শাখা ব্যবস্থাপক নন্দ দুলালের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

  • প্রধানমন্ত্রীর সাথে ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর সৌজন্য সাক্ষাৎ

দ্রুততম সময়ে ধর্ষকদের শাস্তি দিতে ব্যর্থ হওয়ায় ধর্ষণ বেড়েছে: হাইকোর্ট

দ্রুততম সময়ে ধর্ষকদের শাস্তি দিতে ব্যর্থ হওয়ায় ধর্ষণ বেড়েছে: হাইকোর্ট

দ্রুততম সময়ে অপরাধীদের বিচার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হওয়ায় ধর্ষণের ঘটনা বৃদ্ধি পেয়েছে মর্মে পর্যবেক্ষণ দিয়েছে হাইকোর্ট। আদালত বলেছে, সাম্প্রতিক সময়ে দেশে ধর্ষণ বিশেষত: শিশু ধর্ষণ ও ধর্ষণ পরবর্তী হত্যার মত ঘৃণ্য অপরাধ বেড়েই চলেছে। এই অপরাধের সঙ্গে জড়িত অপরাধীর দ্রুততম সময়ে বিচার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে না পারার দায় মূলত রাষ্ট্রের উপরই বতার্য়। এক্ষেত্রে বিচার বিভাগও জবাবদিহিতার উর্দ্ধে নয়। বগুড়ার একটি শিশু ধর্ষণ মামলার আসামির জামিন সংক্রান্ত আপিল নিষ্পত্তি করে পর্যবেক্ষণসহ এ রায় দিয়েছে হাইকোর্ট। একইসঙ্গে ধর্ষণসহ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে দায়েরকৃত মামলাসমূহ দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য ছয় দফা নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চের দেয়া এই রায়ের অনুলিপি সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে প্রকাশ পেয়েছে।

রায়ের পর্যবেক্ষণে আদালত বলেছে, আমাদের অভিজ্ঞতা হলো যে, ধর্ষণ সংক্রান্ত মামলার আসামিগণ অধিকাংশ ক্ষেত্রেই বেপরোয়া ও ধূর্ত প্রকৃতির। এরা ভিকটিম ও তার পরিবারের উপর চাপ-প্রভাব বিস্তার করে আদালতে সাক্ষ্য প্রদানে ভয়-ভীতি, প্রলোভনসহ বিভিন্ন ধরনের কূটকৌশল অবলম্বন করে।

ক্ষেত্র বিশেষ সালিশের নামে সামাজিক বিচার করে ভিকটিম ও তার পরিবারকে মামলা প্রত্যাহারে বাধ্য এবং আদালতে সাক্ষ্য প্রদানে বিরত থাকার জন্য চাপ প্রয়োগ করে থাকে। এ অবস্থায় সাক্ষী সুরক্ষা আইন প্রণয়নের বিকল্প নেই। আমরা প্রত্যাশা করছি সরকার দ্রুততম সময়ে এ বিষয়ে আইন প্রণয়ন করবে।

আদালত বলেন, দেশের বিভিন্ন নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক ধর্ষণ ও ধর্ষণ পরবর্তী হত্যাসহ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের মামলাসমূহ বিচারের জন্য অপেক্ষমান। এর মধ্যে ৪/৫ বছরের পুরাতন মামলার সংখ্যাও নেহাত কম নয়। অভিযোগ গঠনে বিলম্ব এবং যুক্তিসংগত কারন ছাড়া ধার্য তারিখে রাষ্ট্রপক্ষে স্বাক্ষী উপস্থিত না হওয়ায় ট্রাইব্যুনাল কর্তক কয়েক মাস পরপর তারিখ পড়ছে।

যদিও এই আইনের ২০(৩) ধারায় সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ রয়েছে যে, মামলা বিচারের জন্য নথি প্রাপ্তির তারিখ হতে ছয় মাসের মধ্যে বিচার কাজ সমাপ্ত করার।

এছাড়া শুনানি শুরু হলে তা শেষ না হওয়া পর্যন্ত প্রতি কর্মদিবসে বিচার পরিচালনার কথাও বলা হয়েছে। কিন্তু এই নির্দেশনা যথাযথভাবে অনুসরন ও প্রতিপালন হচ্ছে না। বিচার বিলম্বের জন্য ট্রাইব্যুনাল, পাবলিক প্রসিকিউটর ও সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকতার্কে সুপ্রিম কোর্ট ও সরকারের নিকট লিখিতভাবে ব্যাখ্যা প্রদানের নির্দেশনা থাকলেও সমন্বয়হীনতার কারনে সংশ্লিষ্টদের জবাবদিহিতা দৃশ্যমান নয়।

এ কারনে ছয় দফা নির্দেশনাসমূহ বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করতে রায়ের অনুলিপি ট্রাইব্যুনালের সকল বিচারকের কাছে পাঠাতে বলা হয়েছে।

নির্দেশনাসমূহ: সমন জারির পর ধার্য তারিখে অফিসিয়াল স্বাক্ষীদের (ম্যাজিস্ট্রেট/পুলিশ/চিকিৎসক বা অন্যান্য বিশেষজ্ঞগণ) সাক্ষ্য প্রদানে আদালতে হাজির হতে হবে। সন্তোষজনক কারন ব্যাতীত সাক্ষ্য প্রদানে হাজির না হলে স্বাক্ষীর বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহনের সুপারিশ এবং প্রয়োজনে বেতন বন্ধের আদেশ দিতে বিবেচনা করবে ট্রাইব্যুনাল। অন্যান্য স্বাক্ষীর উপস্থিতি ও নিরাপত্তা নিশ্চিতে মনিটরিং কমিটি গঠনের কথা বলা হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

জাতীয় খবর