channel 24

সর্বশেষ

  • আ.লীগের আমলে সংখ্যালঘুরা নিরাপদে থাকে: সেতুমন্ত্রী

  • রোহিঙ্গা ইস্যুতে দায় এড়াতে পারে না জাতিসংঘ: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

  • বাঘাইছড়িতে ফের সেনাটহলে গুলি, পাল্টা গুলিতে সন্ত্রাসী নিহত

  • দেশের উন্নয়নে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি কাজে লাগাতে রাষ্ট্রপতির আহ্বান

  • ধর্ষণের অধিকাংশ ঘটনায় নির্যাতনকারী ক্ষমতাসীন দলের: সেলিমা রহমান

  • ডেঙ্গু জ্বরে সাতক্ষীরায় গৃহবধূর মৃত্যু

  • সাফ অনূর্ধ্ব ১৫ ফুটবল: ভূটানকে ৫-২ গোলে বিধ্বস্ত করলো বাংলাদেশ

ধর্ষণ মামলা দ্রুত শেষ করতে হাইকোর্টের ৭ নির্দেশনা

ধর্ষণ মামলা দ্রুত শেষ করতে হাইকোর্টের ৭ নির্দেশনা

ধর্ষণ মামলার বিচার ৬ মাসের মধ্যে শেষ করতে বিচারকদের নির্দেশ দিয়েছেন উচ্চ আদালত। একইসঙ্গে এসব মামলা দ্রুত নিষ্পত্তি করতে একটি মনিটরিং সেল গঠনসহ ৭ দফা নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

আদালত বলেছেন, তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণীর শিশুরা ধর্ষণের শিকার হবে, কিন্তু বিচার হবে না, তা শুধু দু:খজনকই নয়, হতাশাজনক।

গত বছর (২০১৮ সাল) রাজধানীর ডেমরাতে চকলেট খাওয়ানোর নাম করে ডেকে নিয়ে ধর্ষণ করা হয় ৮ বছর বয়ষী এক শিশুকে। এর ১৬ মাসেও এ মামলার বিচার শুর হয়নি। এরকম তিনটি মামলার শুনানি শেষে বিচারহীনতা সংস্কৃতির দুর্নাম ঘুচাতে ৭ দফা নির্দেশনা দিলেন দেশের উচ্চ আদালত।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, আইনে বেধে দেয়া ৬ মাসের মধ্যে ধর্ষণ মামলার বিচার শেষ করতে হবে। বিরতিহীনভাবে শুনানি করতে সাক্ষী হাজিরে ব্যর্থতা গ্রহণযোগ্য হবে না। আর এসব মনিটরিং এ গঠন করতে হবে একটি বিশেষ কমিটি। বিচারহীন সংস্কৃতি রুখতেই সংবিধানের ১০৯ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী এ আদেশ বলেও জানিয়েছেন উচ্চ আদালত।

নির্দেশনা ৭টি হলো-

১. দেশে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে বিচারাধীন ধর্ষণ ও ধর্ষণ পরবর্তী হত্যা মামলাগুলো অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ১৮০ দিনের মধ্যে যাতে দ্রুত বিচারকাজ সম্পন্ন করা যায়, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ট্রাইব্যুনালের বিচারকদের সব ধরনের আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া যাচ্ছে।

২. ট্রাইব্যুনালগুলোকে মামলার শুনানি শুরু হলে তা শেষ না হওয়া পর্যন্ত প্রতি কর্মদিবসে একটানা মামলা পরিচালনা করতে হবে।

৩. ধার্য তারিখে সাক্ষীর উপস্থিতি ও সাক্ষীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য প্রতি জেলায় অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন), সিভিল সার্জনের একজন প্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্ট ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটরের সমন্বয়ে একটি মনিটরিং কমিটি গঠন করতে হবে। পাবলিক প্রসিকিউটর কমিটির সমন্বয়কের দায়িত্বে থাকবেন এবং কমিটির কার্যক্রম সম্পর্কে প্রতি মাসে সুপ্রিম কোর্ট স্বরাষ্ট্র ও আইন মন্ত্রণালয়ে প্রতিবেদন পাঠাবেন। যে সব জেলায় একাধিক ট্রাইব্যুনাল রয়েছে সেসব জেলায় সব ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটররা মনিটরিং কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত হবেন। তাদের মধ্যে যিনি জ্যেষ্ঠ তিনি সমন্বয়কের দায়িত্ব পালন করবেন।

৪. ধার্য তারিখে রাষ্ট্রপক্ষ সংগত কারণ ছাড়া সাক্ষীকে আদালতে উপস্থিত করতে ব্যর্থ হলে মনিটরিং কমিটিকে জবাবদিহি করতে হবে।

৫. মনিটরিং কমিটি সাক্ষীদের ওপর দ্রুত সময়ে যাতে সমন জারি করা যায় সে বিষয়টিও তদারকি করবেন।

৬. ধার্য তারিখে সমন পাওয়ার পর অফিশিয়াল সাক্ষী যেমন ম্যাজিস্ট্রেট, পুলিশ, ডাক্তার বা অন্যান্য বিশেষজ্ঞ সন্তোষজনক কারণ ছাড়া সাক্ষ্য প্রদানে উপস্থিত না হলে ট্রাইব্যুনাল ওই সাক্ষীর বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ এবং প্রয়োজনে বেতন বন্ধের আদেশ প্রদান বিবেচনা করবেন।

৭. আদালতের অভিমত এই যে অবিলম্বে সাক্ষী সুরক্ষা আইন প্রণয়ন করা প্রয়োজন। আদালত এটিও প্রত্যাশা করেন যে সরকার অতি অল্প সময়ে ওই বিষয়ে আইন প্রণয়ন করবে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

জাতীয় খবর