channel 24

সর্বশেষ

  • আ.লীগের ভেতরে থাকা রাজাকারের তালিকা করা উচিত: গাফফার চৌধুরী

  • কাদের মোল্লাকে 'শহীদ' বলায় সংগ্রাম পত্রিকার বিরুদ্ধে...

  • কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে: তথ্য প্রতিমন্ত্রী

  • ভারতে থাকা অবৈধ বাংলাদেশিদের তালিকা চাওয়া হবে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

  • রাজধানীর তেজগাঁওয়ে বাসের ধাক্কায় নারী নিহত; বাস আটক

  • ৪৭ হাজার গ্রামপুলিশকে জাতীয় স্কেলের...

  • চতুর্থ শ্রেণির সমান বেতন দেয়ার নির্দেশ হাইকোর্টের

  • দেশের কল্যাণে যেকোনো ত্যাগ স্বীকারে...

  • সশস্ত্র বাহিনীকে প্রস্তুত থাকার আহবান প্রধানমন্ত্রীর

  • প্রথম ধাপে ১০ হাজার ৭৮৯ রাজাকারের তালিকা প্রকাশ...

  • প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা ২ লাখ ১০ হাজারের বেশি নয়: মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী

শিশু ডিপজল হত্যা: হাইকোর্টে সব আসাসি খালাস

শিশু ডিপজল হত্যা: হাইকোর্টে সব আসাসি খালাস

বাগেরহাটের মোল্লাহাটে দেড় বছর বয়সী শিশু ডিপজলকে পানিতে ফেলে হত্যার ঘটনায় নিম্ন আদালতে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত মা লতিফা বেগম ও প্রতিবেশী মনির মোল্যা এবং নাজমা বেগমকে খালাস দিয়েছেন হাইকোর্ট।

আসামিদের আপিল ও ডেথরেফোরেন্সের শুনানি নিয়ে মঙ্গলবার (৯ জুলাই) বিচারপতি কৃষ্ণা দেবনাথ ও বিচারপতি সহিদুল করিমের হাইকোর্ট বেঞ্চ এই রায় দেন।

আদালতে আসামী পক্ষে ছিলেন এ কে এম ফজলুল হক খান ফরিদ। সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী সাইফুর রহমান রাহি। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এম এ মান্নান মোহন ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল আতিকুল হক সেলিম।

পরে এ কে এম ফজলুল হক খান ফরিদ বলেন,চাক্ষুষ সাক্ষী না থাকাসহ বিভিন্ন কারণে আসামীরা খালাস পেয়েছেন।

ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এম এ মান্নান মোহন বলেন, সাক্ষীদের সাক্ষ্যে গড়মিল থাকাসহ বিভিন্ন কারণে ডেথ রেফারেন্স রিজেক্ট করা হয়েছে। এ রায়ের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে আপিল করা হবে।

এর আগে  ২০১৪ সালের ২১ এপ্রিল বাগেরহাটের দায়রা জজ আদালতের রায়ে মোল্লাহাট উপজেলার নগরকান্দি গ্রামের ইকু বিশ্বাসের স্ত্রী ও ডিপজলের মা লতিফা বেগম, একই গ্রামের আয়েন উদ্দিন মোল্যার ছেলে মনির মোল্যা ও লুৎফর রহমানের স্ত্রী নাজমা বেগমকে মৃত্যুদণ্ড দেন । তাদের মধ্যে মনির মোল্যা ও নাজমা বেগম সম্পর্কে ভাই-বোন।

পরে ডেথ রেফারেন্স হিসেবে বিষয়টি হাইকোর্টে পাঠানো হয়। পাশাপাশি আসামিরা ফৌজদারি আপিল ও জেল আপিল করেন।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, লতিফা বেগমের সঙ্গে প্রতিবেশী মনির মোল্যার পরকীয়া প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এ নিয়ে ঝগড়ার পর স্ত্রী লতিফা বেগমকে মারধর করেন ইকু বিশ্বাস। পরকীয়ায় বাধা ও মারপিটের ঘটনায় আসামিরা ইকু বিশ্বাসের ওপর ক্ষিপ্ত হন। ২০০৫ সালের ১২ এপ্রিল ভোরে ডিপজল নিখোঁজ হন। পরের দিন বাড়ির পাশের একটি পুকুর থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় ওই দিনই মোল্লাহাট থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা করা হয়। তবে ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর ওই বছরের ২৯ অক্টোবর মনির মোল্যা ও নাজমা বেগমকে আসামি করে মোল্লাহাট থানায় একটি হত্যা মামলা করেন ইকু বিশ্বাস। তদন্ত শেষে ২০০৬ সালের ১০ মে এজাহারভুক্ত দুই আসামি ও শিশুটির মা লতিফা বেগমকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

জাতীয় খবর