channel 24

সর্বশেষ

  • বাণিজ্য মেলায় হকার-ভিক্ষুকের উপস্থিতি, আন্তর্জাতিন মান হারাচ্ছে মেলা

  • বিসিএস পরীক্ষার বয়সসীমা ৩২ বছর চেয়ে রিট দায়ের

  • ঢাকাকে স্মার্ট সিটি গড়ার ৩৮ প্রতিশ্রুতি দিয়ে আতিকের ইশতেহার

  • আন্তর্জাতিক কাস্টমস দিবসে টেলিছবি স্বর্ণমানব তিন

  • ইশরাকের নির্বাচনী প্রচারণায় হামলা

  • অনলাইনে ভ্রমণ করের উদ্বোধন, ৩টি স্থল বন্দরে মেলবে এই সুবিধা

  • চট্টগ্রামের 'শেখ রাসেল পানি শোধনাগার' উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

  • ইশতেহার ঘোষণা করলেন আতিকুল ইসলাম

  • ৫০০০ টাকা মুচলেকায় ড. ইউনূসের জামিন

  • ঢাকায় ভারতের ৭১তম গণতন্ত্র দিবস উদযাপন

  • এসএসসি পরীক্ষা পেছানোয় কিছুটা অস্বস্তিতে শিক্ষার্থী-অভিভাবকরা

  • বাঁশখালীতে র‍্যাবের সাথে 'বন্দুকযুদ্ধে' ডাকাত নিহত

  • কয়েকটি উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

  • মুক্তাগাছায় ট্রাক-সিএনজির সংঘর্ষে নিহত ২

  • বিদ্যুৎকেন্দ্রের পাশের গ্রামেই নেই বিদ্যুৎ সুবিধা

ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন ও ডাক্তারের নাম পাঠযোগ্য করে লেখার নির্দেশ

ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন ও ডাক্তারের নাম পাঠযোগ্য করে লেখার নির্দেশ

মরদেহের ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন প্রস্তুতকারী ডাক্তারের নাম, পদবী এবং প্রতিবেদনের তথ্য স্পষ্টভাবে পড়ার উপযোগী করে লেখার নির্দেশ দিয়েছেন হা্ইকোর্ট। একইসঙ্গে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক এবং স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সহ সংশ্লিষ্টদের ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

২০০৩ সালে ধর্ষণের পর এক শিশু হত্যা মামলায় যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত আসামির করা আপিলের রায় ঘোষণাকালে সোমবার (৮ জুলাই)হাইকোর্টের বিচারপতি এ এন এম বশির উল্লাহ ও বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলামের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এসব নির্দেশ দেন।
 
আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানিতে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আমিনুল ইসলাম। তার সঙ্গে ছিলেন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল ফাতেমা রশিদ। অন্যদিকে আসামীপক্ষে শুনানিতে ছিলেন আইনজীবী হাসান শহীদ কামরুজ্জামান।

পরে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, এক শিশু হত্যার ঘটনায় রায় ঘোষণার সময় হাইকোর্ট ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন প্রস্তুতকারী চিকিৎসকের নাম এবং প্রতিবেদনের লেখা স্পষ্ট ছিল না। আদালতের বুঝতে অসুবিধা হচ্ছিল। তাই যে চিকিৎসক ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন তৈরি করবেন তাদের নাম-ঠিকানা (পোস্ট, পদবি) এবং ওই প্রতিবেদন যেন পাঠ করার উপযোগী হয়- সেসব বিষয়ে পর্যবেক্ষণ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

এর আগে ২০০৩ সালের ১ জুলাই যশোরের ঝিকরগাছার গদাখালী ইউনিয়নের বামনখালী গ্রামের রবিউল ইসলামের ৫ বছরের শিশু আসমা খাতুনকে পাট খেতে নিয়ে ধর্ষণের পর হত্যা করে তার চাচাতো ভাই কাদের।

ওই ঘটনায় চারদিন পরে (৫ জুলাই) ঝিকরগাছা থানায় মামলা দায়ের করেন আসমার বাবা। পরে একই বছরের ৩১ আগস্ট আসামী আবদুল কাদেরের (১৯) বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র জমা (চার্জশিট) দেয় পুলিশ। গ্রেফতারের পর আসামী কাদের ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে শিশু আসমাকে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ স্বীকার করে।

এরপর ২০০৭ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি যশোরের নারী ও শিশু ট্রাইব্যুনালের বিচারক নুর মোহাম্মদ মোড়ল আসামি আবদুল কাদেরকে যাবজ্জীন কারাণ্ডাদেশ প্রদান করে রায় ঘোষণা করেন। ওই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করলে আসামীর আপিল আবেদন খারিজ করে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বহাল রেখে রায় ঘোষণা করলেন হাইকোর্ট।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

জাতীয় খবর