channel 24

সর্বশেষ

  • সীমান্তে আটক ভারতীয় জেলের বিরুদ্ধে বিজিবির মামলা

  • উত্তর চব্বিশ পরগনায় ৮ বাংলাদেশিকে আটক করেছে বিএসএফ

  • বিজিবি-বিএসএফ গোলাগুলির ঘটনা ভুল বোঝাবুঝি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

  • কথায় কথায় শুধু অভিযোগ-নালিশ করে বিএনপি: কাদের

  • দলের স্বার্থে ভারতকে সব দিয়ে এসেছে আ.লীগ: আমীর খসরু

  • অন্যকে ফাঁসাতে নিজের সন্তান হত্যার কড়া সমালোচনা প্রধানমন্ত্রীর

বিচারকের বিচারে হাইকোর্টের রুল

বিচারকের বিচারে হাইকোর্টের রুল

বিচার শুরুর আগেই হত্যা মামলার প্রধান আসামিকে দেওয়া হয় অব্যাহতি। অভিযোগ গঠন করা হয় বাকি ৬৭ আসামির বিরুদ্ধে। নড়াইলের দায়রা জজ শেখ আব্দুল আহাদের দেওয়া এমন আদেশে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে অব্যাহতির আদেশের বিষয়ে ওই বিচারককে ৩০ জুলাইয়ের মধ্যে লিখিত ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি তার বিচারিক ক্ষমতা কেন প্রত্যাহার করে নেওয়া হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন আদালত।

বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ রোববার (৭ জুলাই) এই আদেশ দেন।

এছাড়া মামলার প্রধান আসামি মল্লিক মাঝহারুল ইসলাম ওরফে মাঝাকে দেওয়া অব্যাহতির আদেশ স্থগিত করে তাকে বিচারিক আদালতে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

হাইকোর্ট বলেছেন, এ ধরনের গুরুতর অপরাধের সঙ্গে সম্পৃক্ত মামলার প্রধান আসামিকে কিভাবে অভিযোগ গঠন থেকে বাদ দেওয়া হয়? মামলার সাক্ষ্য-প্রমাণে যদি আসামি নিজেকে নির্দোষ প্রমাণ করতে সক্ষম হন তাহলে তিনি বিচার শেষে খালাস পাবেন। কিন্তু হত্যা মামলার বিচার শুরুর আগেই যদি অভিযোগ থেকে আসামিকে অব্যাহতি দেওয়া হয় তাহলে বিচারকের ভূমিকা নিয়ে জনগণের মাঝে প্রশ্ন উত্থাপিত হবেই। ওই বিচারকের তো বিচারিক ক্ষমতা থাকা উচিত নয়।

২০১৫ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি নড়াইলের কালিয়া থানার চন্ডিনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পশ্চিম পার্শ্বে রাস্তায় পূর্ব শত্রুতার জেরে এনামুল শেখকে গুলি করে হত্যা করা হয়। কুপিয়ে জখম করা হয় আরো কয়েকজনকে। এ ঘটনায় পরদিন বাদী হয়ে মল্লিক মাঝহারুলসহ ৬৮ জনের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৩০২/৩৪ ধারায় হত্যা মামলা দায়ের করেন নিহতের ভাই মো. নাজমুল হুদা। ২০১৭ সালের ৩০ জানুয়ারি ওই ৬৮ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করে পুলিশ। এই মামলায় আদালতে আত্মসমর্পণ করলে গত বছরের ২৯ নভেম্বর প্রধান আসামিকে জামিন দেন দায়রা জজ শেখ আব্দুল আহাদ। গত ১১ জুন মামলার অভিযোগ গঠনের ওপর শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। শুনানিতে আসামিরা অভিযোগ গঠন থেকে অব্যাহতি চেয়ে আবেদন করেন। শুনানি শেষে বিচারক শেখ আব্দুল আহাদ প্রধান আসামিকে অভিযোগ গঠন থেকে অব্যাহিত দেন।

অব্যাহতির আদেশে বিচারক বলেছেন, শুনানিকালে জানা যায়- আসামি মাঝা ঘটনার সময় গোপালগঞ্জের ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হয়ে চিকিৎসাধীন ছিলেন। সে এন.এস.আইয়ের একজন কর্মকর্তা। ঘটনার ২৭ ঘণ্টা পরে এজাহার দায়ের করা হয়েছে। অথচ বিলম্বে এজাহার দায়েরের কোনো গ্রহণযোগ্য কারন উল্লেখ নেই। প্রকৃতপক্ষে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে এই আসামিকে আসামি শ্রেণিভুক্ত করা হয়েছে অনৈতিক ও অবৈধ উপায়ে। তাই এই আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের সুস্পষ্ট অভিযোগ না থাকায় মামলার দায় থেকে অব্যাহতি প্রদান করা হলো। এই আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে রিভিশন মামলা করেন মামলার বাদী।

ভিডিও প্রতিবেদন-

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

জাতীয় খবর