channel 24

সর্বশেষ

  • নিউইয়র্কে গত ২৪ ঘন্টায় ৫ বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত নাগরিকের মৃত্যু

  • করোনায় ক্ষতির মুখে ছাপা অক্ষরের গণমাধ্যম

  • নিম্নবিত্তের প্রতিদিনের খাবার জোটাতে নীরব আর্তনাদ

  • গণমাধ্যমের জন্য জরুরি প্রণোদনা প্যাকেজ দাবি এডিটরস গিল্ড বাংলাদেশের

  • ফিলিপাইনে উড্ডয়নের পরপরই বিমানে আগুন, নিহত ৮

  • শেরপুরে জ্বর ও শ্বাসকষ্ট নিয়ে এক নির্মাণ শ্রমিকের মৃত্যু

  • করোনা: বিশ্বে প্রাণহানির সংখ্যা প্রায় ৩৪ হাজার, আক্রান্ত ৭ লাখ ২০ হাজার

  • ইতালিতে গত ২৪ ঘন্টায় আরও ৭৫৬ জনের প্রাণহানি

  • দানব হয়ে উঠছে করোনা, প্রাণহানি ৩২ হাজার ১৩৭ জনের

  • চার মাসের বেতন নেবেন না রোনালদো

  • করোনা প্রতিরোধে দাতব্য সংস্থা 'দ্য সাকিব আল হাসান ফাউন্ডেশন'র আত্মপ্রকাশ

  • বাহাত্তরে বঙ্গবন্ধুর টাঙ্গাইল সফরে ১ লাখ ৪ হাজার অস্ত্র জমা দেন মুক্তিযোদ্ধারা

  • স্পেনে করোনাভাইরাসে গত ২৪ ঘণ্টায় ৮৩৮ জনের প্রাণহানি

  • কাঁচা পাট ও চিংড়ি রপ্তানি বন্ধে খুলনায় কর্মহীন ২৩ হাজারের বেশি শ্রমিক

  • করোনার দুশ্চিন্তায় জার্মান মন্ত্রীর আত্মহত্যা

বাণিজ্যিকভাবে ঘরেই চাষ হবে কোরাল, চিংড়িসহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছ

বাণিজ্যিকভাবে ঘরেই চাষ হবে কোরাল, চিংড়িসহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছ

এখন থেকে বাণিজ্যিকভাবে ঘরে চাষ হবে কোরাল, চিংড়িসহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছ। যা রিসার্কুলেটিং অ্যাকুয়াকালচার সিস্টেম বা আরএএস পদ্ধতি নামে পরিচিত। এই পদ্ধতিতে উৎপাদিত মাছ শুধু দেশের চাহিদা মেটাবে না, রপ্তানি হবে বিদেশেও। নরওয়ের অ্যাকুয়া-অপটিমার সহায়তায় টেকনাফে শিগগিরই এ কার্যক্রম শুরু করছে বিচ হ্যাচারী।

বাংলাদেশ থেকে প্রতিবছর ৩ লাখ টন প্লাষ্টিক বর্জ্য পরছে সমুদ্রে। আর সারা বিশ্বে থেকে সুমদ্রে প্লাষ্টিক বর্জ্যের অপসারণ ১ কোটি ৩০ লাখ টন। গবেষকরা বলছেন, এর ফলে প্রতিবছর দুষিত হয়ে মারা যাচ্ছে ১০ কোটি সামুদ্রিক মাছ আর প্রাণী। একদেক মাছের মৃত্যু অন্যদিকে প্লাষ্টিক বর্জ্যের পরিমান বাড়ছে। এই অবস্থা চলতে থাকলে ২০৫০ সাল নাগাদ সমুদ্র্যে মাছ আর প্লাষ্টিকের পরিমান সমান হবে। অপরদিকে আবাদ জমির পরিমানও আসছে কমে। কমে আসবে সমুদ্র থেকে মাছ আহরন আর বড় পুকুরে মাছের বাণিজ্যিক চাষ। আর যা আসবে তা কতটুকু নিরাপদ তা নিয়েও রয়েছে সংশয়।

এমন প্রেক্ষাপটে মানুষের প্রাণিজ আমিষের অন্যতম উৎস মাছের নিরিবিচ্ছন্ন জোগানে বিশ্বে চালু হয়েছে নানা প্রযুক্তি। এমনি একটি রিসার্ক্যুলেটিং এ্যকুয়াকালচার সিস্টেম বার আরএএস। যা ইতোমধ্যে  যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপীয় দেশসহ বিভিন্ন দেশে জনপ্রিয় হয়ে এসেছে বাংলাদেশে।

উদ্যোক্তরা বলছেন,  এখন থেকে ঘরে চাষ হবে কেরালসহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছ, যেটি  রিসার্কুলেটিং এ্যকুয়াকালচার সিস্টেম বা আরএএস পদ্ধতি নামে পরিচিত। এই পদ্ধতিতে উৎপাদিত মাছকে রপ্তানী হবে বিদেশেও।

তারা বলেন, সনাতন পদ্ধতিতে যেখানে হেক্টরপ্রতি মাছের উৎপাদন ৫০০ কেজি থেকে ১ হাজার কেজি, সেখানে  আরএএস পদ্ধতিতে  একই পরিমান জমিতে ২শ টন থেকে ২৫০ টন মাছ উৎপাদন সম্ভব। উদ্যোক্তাদের দাবি,  শুধু উৎপাদন বাড়ানো নয় শতভাগ নিরাপদ মাছ পাওয়া যাবে স্বয়ংক্রিয় এই পদ্ধতিতে।  

বর্তমানে দেশে মাছের উৎপাদন ৪২ লাখ টন।

 

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

জাতীয় খবর