channel 24

সর্বশেষ

  • প্রস্তুতি ম্যাচে বিসিবি একাদশের স্পিনে ধরাশায়ী জিম্বাবুয়ে

  • ক্যাম্পাসেই করলেন গায়ে হলুদ অনুষ্ঠান

  • দেশের অর্থনীতি সিঙ্গাপুরের চেয়ে শক্তিশালী: প্রধানমন্ত্রী

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জে ধর্ষণের পর শিশু হত্যা, সিরাজগঞ্জে মুক্তিযোদ্ধার স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার

  • ঢাকায় মেট্রোরেলের মকআপ ট্রেন, মতিঝিল-দিয়াবাড়ি রুট চালু আগামী বছর

  • ইতিহাস বিভাগের দাবিতে আজও উত্তাল গোপালগঞ্জ বঙ্গবন্ধু বিশ্ববিদ্যালয়

  • চীনকে ১৮ লাখ মেডিকেল সামগ্রী দিলো বাংলাদেশ

  • করোনাভাইরাস: চীনে আটকা পড়া ১৯৮ বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর দেশে ফেরার আকুতি

  • বেত্রাঘাতের প্রতিশোধ নিতে শিক্ষককে খুন, একজনের মৃত্যুদণ্ড

  • ‘কচুরিপানা খাওয়া’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিলেন পরিকল্পনামন্ত্রী

  • রাজধানীর আরামবাগে ফ্ল্যাট থেকে বৃদ্ধার মরদেহ উদ্ধার

  • স্মার্ট এগ্রোরোবট উদ্ভাবন করেছেন ২ শিক্ষার্থী

  • টানা পাঁচদিন পর ফের পতন পুঁজিবাজারে

  • ফজলে কবিরকে গভর্নর পদে চুক্তিতে নিয়োগ

  • ময়মনসিংহে যুব বিশ্বকাপজয়ী রাকিবুলকে সংবর্ধনা

বাণিজ্যিকভাবে ঘরেই চাষ হবে কোরাল, চিংড়িসহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছ

বাণিজ্যিকভাবে ঘরেই চাষ হবে কোরাল, চিংড়িসহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছ

এখন থেকে বাণিজ্যিকভাবে ঘরে চাষ হবে কোরাল, চিংড়িসহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছ। যা রিসার্কুলেটিং অ্যাকুয়াকালচার সিস্টেম বা আরএএস পদ্ধতি নামে পরিচিত। এই পদ্ধতিতে উৎপাদিত মাছ শুধু দেশের চাহিদা মেটাবে না, রপ্তানি হবে বিদেশেও। নরওয়ের অ্যাকুয়া-অপটিমার সহায়তায় টেকনাফে শিগগিরই এ কার্যক্রম শুরু করছে বিচ হ্যাচারী।

বাংলাদেশ থেকে প্রতিবছর ৩ লাখ টন প্লাষ্টিক বর্জ্য পরছে সমুদ্রে। আর সারা বিশ্বে থেকে সুমদ্রে প্লাষ্টিক বর্জ্যের অপসারণ ১ কোটি ৩০ লাখ টন। গবেষকরা বলছেন, এর ফলে প্রতিবছর দুষিত হয়ে মারা যাচ্ছে ১০ কোটি সামুদ্রিক মাছ আর প্রাণী। একদেক মাছের মৃত্যু অন্যদিকে প্লাষ্টিক বর্জ্যের পরিমান বাড়ছে। এই অবস্থা চলতে থাকলে ২০৫০ সাল নাগাদ সমুদ্র্যে মাছ আর প্লাষ্টিকের পরিমান সমান হবে। অপরদিকে আবাদ জমির পরিমানও আসছে কমে। কমে আসবে সমুদ্র থেকে মাছ আহরন আর বড় পুকুরে মাছের বাণিজ্যিক চাষ। আর যা আসবে তা কতটুকু নিরাপদ তা নিয়েও রয়েছে সংশয়।

এমন প্রেক্ষাপটে মানুষের প্রাণিজ আমিষের অন্যতম উৎস মাছের নিরিবিচ্ছন্ন জোগানে বিশ্বে চালু হয়েছে নানা প্রযুক্তি। এমনি একটি রিসার্ক্যুলেটিং এ্যকুয়াকালচার সিস্টেম বার আরএএস। যা ইতোমধ্যে  যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপীয় দেশসহ বিভিন্ন দেশে জনপ্রিয় হয়ে এসেছে বাংলাদেশে।

উদ্যোক্তরা বলছেন,  এখন থেকে ঘরে চাষ হবে কেরালসহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছ, যেটি  রিসার্কুলেটিং এ্যকুয়াকালচার সিস্টেম বা আরএএস পদ্ধতি নামে পরিচিত। এই পদ্ধতিতে উৎপাদিত মাছকে রপ্তানী হবে বিদেশেও।

তারা বলেন, সনাতন পদ্ধতিতে যেখানে হেক্টরপ্রতি মাছের উৎপাদন ৫০০ কেজি থেকে ১ হাজার কেজি, সেখানে  আরএএস পদ্ধতিতে  একই পরিমান জমিতে ২শ টন থেকে ২৫০ টন মাছ উৎপাদন সম্ভব। উদ্যোক্তাদের দাবি,  শুধু উৎপাদন বাড়ানো নয় শতভাগ নিরাপদ মাছ পাওয়া যাবে স্বয়ংক্রিয় এই পদ্ধতিতে।  

বর্তমানে দেশে মাছের উৎপাদন ৪২ লাখ টন।

 

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

জাতীয় খবর