channel 24

সর্বশেষ

  • সিনহা হত্যার বিচার নিদিষ্ট সময়ে না হলে কঠোর পদক্ষেপ: রাওয়া

  • লেবাননে বিস্ফোরণে নিহত দুই বাংলাদেশির বাড়িতে শোকের মাতম

  • করোনা মোকাবিলায় বাংলাদেশকে ৩২৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার সহায়তা দেবে জাপান

  • ডা. সাবরিনা ও স্বামী আরিফুলসহ ৮ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল

  • নাসিমকে নিয়ে কটূক্তি: হাইকোর্টে জামিন পেলেন বেরোবি’র সেই বহিষ্কৃত শিক্ষিকা

  • করোনায় বিপর্যস্ত মানুষের মুখে খাবার তুলে দিচ্ছে 'সেইফ ফাউন্ডেশন'

  • নেত্রকোনায় হাওড়ের জলের রাক্ষুসী রূপ; ট্রলারডুবিতে প্রাণ গেল ১৭ জনের

  • সিনহা নিহতের ঘটনায় দায় ব্যক্তির, কোনো বাহিনীর নয়: সেনাপ্রধান

  • রুপার ইট দিয়ে রাম মন্দিরের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

  • চট্টগ্রামে প্রকাশনা বন্ধ ৫টি দৈনিক পত্রিকার, অনিশ্চিয়তায় কয়েকশো সাংবাদিক-কর্মচারির ভবিষ্যৎ

  • ১৫ আগস্ট হত্যাকাণ্ডের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা নষ্ট করার চেষ্টা হয়েছে: প্রধানমন্ত্রী

  • ইতিবাচক ধারায় ফিরেছে দেশের রপ্তানি বাণিজ্য

  • করোনায় দেশে আরও ৩৩ জনের মৃত্যু, নতুন শনাক্ত ২৬৫৪

  • ধীরে ধীরে উন্নতি হচ্ছে দেশের সার্বিক বন্যা পরিস্থিতির

  • নয়াপল্টনে আব্দুল মান্নানের প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত

বাণিজ্যিকভাবে ঘরেই চাষ হবে কোরাল, চিংড়িসহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছ

বাণিজ্যিকভাবে ঘরেই চাষ হবে কোরাল, চিংড়িসহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছ

এখন থেকে বাণিজ্যিকভাবে ঘরে চাষ হবে কোরাল, চিংড়িসহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছ। যা রিসার্কুলেটিং অ্যাকুয়াকালচার সিস্টেম বা আরএএস পদ্ধতি নামে পরিচিত। এই পদ্ধতিতে উৎপাদিত মাছ শুধু দেশের চাহিদা মেটাবে না, রপ্তানি হবে বিদেশেও। নরওয়ের অ্যাকুয়া-অপটিমার সহায়তায় টেকনাফে শিগগিরই এ কার্যক্রম শুরু করছে বিচ হ্যাচারী।

বাংলাদেশ থেকে প্রতিবছর ৩ লাখ টন প্লাষ্টিক বর্জ্য পরছে সমুদ্রে। আর সারা বিশ্বে থেকে সুমদ্রে প্লাষ্টিক বর্জ্যের অপসারণ ১ কোটি ৩০ লাখ টন। গবেষকরা বলছেন, এর ফলে প্রতিবছর দুষিত হয়ে মারা যাচ্ছে ১০ কোটি সামুদ্রিক মাছ আর প্রাণী। একদেক মাছের মৃত্যু অন্যদিকে প্লাষ্টিক বর্জ্যের পরিমান বাড়ছে। এই অবস্থা চলতে থাকলে ২০৫০ সাল নাগাদ সমুদ্র্যে মাছ আর প্লাষ্টিকের পরিমান সমান হবে। অপরদিকে আবাদ জমির পরিমানও আসছে কমে। কমে আসবে সমুদ্র থেকে মাছ আহরন আর বড় পুকুরে মাছের বাণিজ্যিক চাষ। আর যা আসবে তা কতটুকু নিরাপদ তা নিয়েও রয়েছে সংশয়।

এমন প্রেক্ষাপটে মানুষের প্রাণিজ আমিষের অন্যতম উৎস মাছের নিরিবিচ্ছন্ন জোগানে বিশ্বে চালু হয়েছে নানা প্রযুক্তি। এমনি একটি রিসার্ক্যুলেটিং এ্যকুয়াকালচার সিস্টেম বার আরএএস। যা ইতোমধ্যে  যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপীয় দেশসহ বিভিন্ন দেশে জনপ্রিয় হয়ে এসেছে বাংলাদেশে।

উদ্যোক্তরা বলছেন,  এখন থেকে ঘরে চাষ হবে কেরালসহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছ, যেটি  রিসার্কুলেটিং এ্যকুয়াকালচার সিস্টেম বা আরএএস পদ্ধতি নামে পরিচিত। এই পদ্ধতিতে উৎপাদিত মাছকে রপ্তানী হবে বিদেশেও।

তারা বলেন, সনাতন পদ্ধতিতে যেখানে হেক্টরপ্রতি মাছের উৎপাদন ৫০০ কেজি থেকে ১ হাজার কেজি, সেখানে  আরএএস পদ্ধতিতে  একই পরিমান জমিতে ২শ টন থেকে ২৫০ টন মাছ উৎপাদন সম্ভব। উদ্যোক্তাদের দাবি,  শুধু উৎপাদন বাড়ানো নয় শতভাগ নিরাপদ মাছ পাওয়া যাবে স্বয়ংক্রিয় এই পদ্ধতিতে।  

বর্তমানে দেশে মাছের উৎপাদন ৪২ লাখ টন।

 

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

জাতীয় খবর