channel 24

সর্বশেষ

  • প্রিয়া সাহার বক্তব্য ত্রুটিপূর্ণ ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত: পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়...

  • অভিযোগ প্রমাণ করতে না পারলে আইনি ব্যবস্থা: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী...

  • প্রিয়া সাহার বক্তব্য অগ্রহণযোগ্য ও উসকানিমূলক: ওবায়দুল কাদের...

  • উপজেলা নির্বাচনে বিদ্রোহী ও মদদদাতাদের বিরুদ্ধে ২৮ জুলাই থেকে ব্যবস্থা

  • যোগাযোগে বিঘ্ন ঘটায় বন্যাদুর্গত এলাকায় ত্রাণ পৌঁছাতে সময় লাগছে: প্রতিমন্ত্রী

  • সরল বিশ্বাসের ব্যাখ্যায় দুর্নীতি শব্দটি ছিল না, দাবি দুদক চেয়ারম্যানের

  • আগস্টের মধ্যে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার উন্মুক্ত হবে, আশা প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রীর

  • 'ছেলেধরা' সন্দেহে গণপিটুনি: ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জে নারীসহ নিহত ২...

  • চট্টগ্রাম, ময়মনসিংহ, গাজীপুরে ৩ নারী ও পাবনায় যুবক আহত; কুষ্টিয়ায় আটক ১

  • তিন ওয়ানডে খেলতে শ্রীলঙ্কার পথে বাংলাদেশ দল...

  • সাকিব-মাশরাফী না থাকায় সিরিজ কঠিন হবে: তামিম ইকবাল

রিমান্ডে নিয়ে জমি লিখে নিয়েছেন অতিরিক্ত ডিআইজি

রিমান্ডে নিয়ে জমি লিখে নিয়েছেন অতিরিক্ত ডিআইজি

উপ-মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মিজানের পর এবার আলোচনায় পুলিশ সদর দপ্তরের অতিরিক্ত উপ-মহাপরিদর্শক গাজী মোজাম্মেল হক। যিনি আনন্দ পুলিশ হাউজিং সোসাইটির সভাপতি। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ, জাহের আলী নামে দীর্ঘদিনের ব্যবসায়িক অংশীদারকে জোর করে আটকে রেখে দখলে নিয়েছেন প্রায় ৬২ বিঘা জমি। শুধু তাই নয়, ওই ব্যবসায়ীর নামে দিয়েছেন একের পর এক মামলা।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পাওয়া যাবে আনন্দ পুলিশ হাউজিং সোসাইটি নামের এই আবাসন প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন। যাতে রয়েছে লোভনীয় নানা অফার।

প্রকল্পের সভাপতি হলেন পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি গাজী মোজাম্মেল হক। যদিও পুলিশ সদর দপ্তর বলছে, এমন নামে পুলিশের কোন আবাসন প্রকল্পই নেই।

২০০১ সাল থেকে এই আবাসনের জমি কেনার কাজ করতেন, নারায়ণগঞ্জের রুপগঞ্জ এলাকার বাসিন্দা জাহের আলী। হঠাৎ করেই তার কাছ থেকে ৩৩ কোটি টাকা পাওনা দাবি করেন গাজী মোজাম্মেল। সেই থেকে ঘটনার শুরু।

গত বছরের (২০১৮ সাল) জুলাই মাসে আনন্দ পুলিশ হাউজিংয়ের পক্ষ থেকে শাহবাগ থানায় প্রতারণার মামলা করা হয় জাহের আলী এবং তার ছেলে ও মেয়ে জামাইয়ের বিরুদ্ধে। মামলা হস্তান্তর হয় গোয়েন্দা পুলিশে। বিধি মোতাবেক তাদের রিমান্ডে নেয়া হয় ২৫ জুলাই। সেখানেই জন্ম দেন চাঞ্চল্যকর এক ঘটনার।

রিমান্ডে থাকা অবস্থায়ই ৬২ বিঘা জমি ও ৩টি দামি গাড়ি গাজী মোজাম্মেল ও তার স্ত্রীর নামে লিখে দেন জাহের আলী।

ডিবি পুলিশের নথি থেকে জানা যায়, ২৯ জুলাই রিমান্ড শেষে আবারো আদালতে প্রেরণ করা হয় তাদের। যদিও জুলাইয়ের ১০ তারিখ থেকেই গুম করে রাখার অভিযোগ ভুক্তভোগীদের।

ভুক্তভোগী জাহের আলি বলনে, 'পা ধরছি আম্নের। আম্নে কি কইতেছেন। স্যার আমার চোখটা খুইল্লা দেন। পা টা খুইল্লা দেন। সে (অতিরিক্ত ডিআইজি গাজী মোজাম্মেল) কয়, ইলিয়াসের লাশ পাইছে না। তুগোর লাশ পাইতনা কিন্তু'।

আরেক ভুক্তভোগী মতিন বলেন, 'এলাকার কিছু নিরীহ মানুষ আছে, ৫ হাজার ১০ হাজার টাকা দিয়া তাদেরও বাদি বানাইছে। এইভাবে আমাদের খালি মামলার উপর মামলা দিয়া হয়রানি করাইছে'।

এ নিয়ে রুপগঞ্জ ও শাহবাগ থানা থেকে সহযোগিতা না পেয়ে আদালতে মামলা করেন জাহের আলীর পুত্রবধু। পরে জামিন পান তারা। বিষয়টি বিচার বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ দেন আদালত।

ভুক্তভোগীর আইনজীবী হাসনা খাতুন বলেন, '২৫ তারিখ পর্যন্ত যদি রিমান্ডে থাকে থাহলে ২৬ তারিখ কিভাবে জমি দলিল হয়। এটা নিশ্চয় জোর করা ছাড়া সম্ভব না।'

এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে, প্রথমে অস্বীকার করলেও পরে নিজের হাউজিংয়ে পুলিশ শব্দ ব্যবহারের বিষয়টি ভুলে হতে পারে বলে জানান গাজী মোজাম্মেল।

কিন্তু ডিবি অফিসে আটকে রাখা এবং জোর করে জমি লিখে নেয়ার অভিযোগ সত্য নয় দাবি করেন পুলিশের এই অতিরিক্ত ডিআইজি।

বিষয়টি নজরে এসেছে পুলিশ সদর দপ্তরেরও।

নিউজটির ভিডিও-

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

জাতীয় খবর