channel 24

সর্বশেষ

  • ড. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর স্বাস্থ্যের কিছুটা উন্নতি

  • করোনায় দেশে আরও ৩৫ জনের মৃত্যু, নতুন শনাক্ত ২৬৩৫

  • ডিএনসিসির মশক নিধন অভিযান শুরু

  • কক্সবাজারকে দেশের প্রথম রেড জোন ঘোষণা

  • ঢাকাতেই করোনা আক্রান্ত সাড়ে ৭ লাখের বেশি: দ্য ইকোনমিস্ট

  • টর্নেডোর তাণ্ডবে লণ্ডভণ্ড ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় চার গ্রাম, নিহত ১

  • রংপুরে বিভিন্ন মসজিদের নামে সরকারি বরাদ্দের টাকা আত্মসাৎ

  • আবহওয়া অনুকূলে থাকায় ব্রাক্ষণবাড়িয়ায় লিচুর বাম্পার ফলন

  • এডিপিতে এবার বিদ্যুৎখাতে বরাদ্দ প্রায় ২৫ হাজার কোটি টাকা

  • বাজেটে কর অবকাশ সুবিধা চান ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প সংশ্লিষ্টরা

  • করোনায় জীবনের মায়া ভুলে সেবা দিয়েও ৫ মাস বেতনহীন

  • সব সংকটে শক্ত হালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

  • করোনা চিকিৎসা: 'আমরা চাই না হাসপাতালটি বন্ধ হোক'

  • যুক্তরাষ্ট্রে বিমান দুর্ঘটনা, দুই শিশুসহ নিহত ৫

  • সাবেক মেয়র কামরান করোনায় আক্রান্ত

বালিশ ওঠাতে এত খরচ! হেসে দিলেন বিচারক

বালিশ ওঠাতে এত খরচ! হেসে দিলেন বিচারক

পাবনার রূপপুর পারমানবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রকল্প এলাকায় কর্মকর্তা কর্মচারিদের থাকার জন্য গ্রীনসিটি আবাসন পল্লীর বিছানা, বালিশ, আসবার পত্র অস্বাভাবিক মূল্যে কেনা ও তা ভবনে তোলার ঘটনায় বিচার বিভাগীয় তদন্ত চেয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন।

রিটটির শুনানী চলাকালীন সময়, রূপপুর পারমানবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রকল্পের গ্রীন সিটি পল্লীর বালিশের অস্বাভাবিক মূল্যে কেনা ও তা ভবনে তোলার ঘটনায় আদালত হেসে দেন। বলেন, বালিশ ওঠাতে এত খরচ!

পরে রিটের শুনানীতে ওই ঘটনায় গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ে গঠিত তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

বিচারপতি তারিক উল হাকিম ওবিচারপতি মো. সরওয়ারদীর সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ সোমবার (২০ মে) এ আদেশ দেন।

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার সায়েদুল হক সুমন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম।

অ্যাটর্নি জেনারেল আদালতকে বলেন, রূপপুর পারমানবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রকল্পের দূনীর্তির যে অভিযোগ উঠেছে তা তদন্তের জন্য ইতিমধ্যেই দুইটি কমিটি গঠন করেছে সরকার। তাই এ মূহুর্তে আদালতের হস্তক্ষেপ করা ঠিক হবে না।

সম্প্রতি রূপপুর পারমানবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রকল্পের গ্রীন সিটি আবাসন পল্লীর ভবনের নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিস কেনা ও তা ভবনে তোলায় অনিয়ম ও আর্থিক দুর্নীতি নিয়ে গত ১৬ মে একটি দৈনিক পত্রিকায় প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়।

পত্রিকার প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রকল্পের কর্মকর্তা ও কর্মচারিদের থাকার জন্য গ্রীনসিটি আবাসন পল্লীতে ২০ তলা ১১টি ও ১৬ তলা ৮টি ভবন হচ্ছে। এরই মধ্যে ২০ তলাআটটি ও ১৬ তলা একটি ভবন নির্মাণ সম্পনন্ন হয়েছে। ২০ তলা ভবনের প্রতিটি ফ্ল্যাটেরজন্য প্রতিটি বালিশ কিনতে খরচ দেখানো হয়েছে পাঁচ হাজার ৯৫৭ টাকা। আর ভবনে বালিশওঠাতে খরচ দেখানো হয়েছে ৭৬০ টাকা। প্রতিটি রেফ্রিজারেটর কেনার খরচ দেখানো হয়েছে৯৪ হাজার ২৫০ টাকা। রেফ্রিজারেটর ভবনে ওঠাতে খরচ দেখানো হয়েছে ১২ হাজার ৫২১টাকা। একেকটি খাট কেনা দেখানো হয়েছে ৪৩ হাজার ৩৫৭ টাকা। আর খাট ওপরে ওঠাতেখরচ দেখানো হয়েছে ১০ হাজার ৭৭৩ টাকা।

প্রতিটি টেলিভিশন কেনায় খরচ দেখানো হয়েছে ৮৬ হাজার ৯৭০ টাকা। আর টেলিভিশন ওপরেওঠাতে দেখানো হয়েছে ৭ হাজার ৬৩৮ টাকার খরচ। বিছানার খরচ ৫ হাজার ৯৮৬ টাকাদেখানো হয়েছে। তা ভবনে তুলতে খরচ দেখানো হয়েছে ৯৩১ টাকা। প্রতিটি ওয়ারড্রোবকিনতে খরচ দেখানো হয়েছে ৫৯ হাজার ৮৫৮ টাকা। আর তা ওঠাতে দেখানো হয়েছে ১৭হাজার ৪৯৯ টাকার খরচ। এরকম বৈদ্যুতিক চুলা, বৈদুতিক কেটলি, রুম পরিস্কারের মেশিন, ইলেকট্রিক আয়রন, মাইক্রোওয়েভ ইত্যাদি কেনাকাটা ও ভবনে তুলতে অস্বাভাবিক খরচদেখানো হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

জাতীয় খবর