channel 24

সর্বশেষ

  • বগুড়ার ’চাষী বাজারে’ ২৫ ব্যবসায়ী করোনায় আক্রান্ত

  • গণপরিবহন চালু করতে নানা কৌশল; স্বাস্থ্যবিধি মানা নিয়ে সংশয়

  • আগুনে মুত্যুতে ইউনাইটেড হাসপাতালের গাফিলতি; মানতে নারাজ কর্তৃপক্ষ

  • ৩১ মে চালু হচ্ছে স্টক এক্সচেঞ্জে শেয়ার লেনদেন

  • ক্রিকেটের বাইরে সাকিব আল হাসানের জানা-অজানা গল্প

  • অর্ধেক যাত্রী নিয়ে চলবে ট্রেন, নৌপথে সিদ্ধান্ত কাল

  • করোনায় বাংলাদেশে আটকে পড়া ১০৯ নাগরিককে ফিরিয়ে নিয়েছে ভারত

  • রান্না খারাপ হওয়ায় স্ত্রীকে গাছের সাথে বেধে নির্যাতন

  • ডলফিনসহ মৎস্যসম্পদ রক্ষায় সরকারের পদক্ষেপ জানতে চেয়েছে হাইকোর্ট

  • যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স ও ইতালিসহ সাত দেশের সঙ্গে বিমান চলাচল শুরু করছে চীন

  • চট্টগ্রামে সিটি কর্পোরেশনের এক কাউন্সিলরসহ ২'শ ১৫ জন করোনায় আক্রান্ত

  • যুক্তরাষ্ট্রে প্রাণহানি এক লাখ দুই হাজার ১০৭

  • যুক্তরাষ্ট্রে চিকিৎসা নিরাপত্তা সরঞ্জাম তৈরির ফ্যাক্টরি নির্মাণে বেক্সিমকো গ্রুপের অর্থায়ন

  • করোনায় দেশে একদিনে শনাক্তের রেকর্ড, ১৫ জনের মৃত্যু

  • ভারতের পশ্চিম ও মধ্যাঞ্চলের ৭ রাজ্যে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে পঙ্গপাল

শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস আজ

শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস আজ

আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস আজ। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট সপরিবারে বঙ্গবন্ধুকে হত্যার সময় তিনি ছিলেন দেশের বাইরে। নারকীয় হত্যাকাণ্ডের ৬ বছর পর ১৯৮১ সালের ১৭ মে দেশে ফেরেন শেখ হাসিনা। যার মাধ্যমে পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয় মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, স্বাধীনতার মূল্যবোধ আর গণতন্ত্র, এমনটাই মনে করে আওয়ামী লীগ।

নিষ্ঠুরতার সব সীমা ছাড়িয়ে যায় যেদিন স্বপরিবারে হত্যা করা হয় বাঙালী জাতির স্বাধীনতার পথপ্রদর্শক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে।৭৫ সালের ১৫ আগস্টের নির্মমতায় কেবল ধানমন্ডি ৩২ ই স্তব্ধ হয়নি থমকে দাঁড়ায় একটি যুদ্ধবিধ্বস্ত জাতির ঘুরে দাঁড়ানোর চাকাও। 

পশ্চিম জার্মানিতে অবস্থান করায় এদিন প্রাণে বেঁচে যান জাতির জনকের ২ কন্যা শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা। দুর্বিসহ যন্ত্রণায় কাতর দুই বোনকে পরের বছরেও মাতৃভূমিতে ফিরতে দেয়নি শাসনচক্র। নানা প্রতিকূলতা মাথায় নিয়ে লন্ডন ও দিল্লিতে নির্বাসিত জীবন কাটে বঙ্গবন্ধু কন্যাদের।  

১৯৮১ সালের ফেব্রুয়ারিতে আওয়ামী লীগের জাতীয় কাউন্সিলে শেখ হাসিনার অনুপস্থিতিতেই তাকে সর্বসম্মতিক্রমে নির্বাচিত করা হয় দলের সভাপতি। এর ঠিক ৩ মাস পর ১৭ ই মে দেশে ফেরেন শেখ হাসিনা। বৈরি আবহাওয়া উপেক্ষঅ করেই সেদিন লাখো জনতা জড়ো হন শেখ হাসিনাকে স্বাগত জানাতে। কুর্মিটোলা বিমানবন্দর থেকে শেরেবাংলা নগর পর্যন্ত পুরো রাস্তা পরিণত হয় জনসমুদ্রে। 

স্বজন হারানোর বেদনায় কাতর বঙ্গবন্ধু কন্যার সেদিনের ভাষণেও প্রতিফলিত হয় বাবার আদর্শ। জনসমুদ্রের উদ্দেশ্যে শেখ হাসিনার দৃপ্ত শপথ, বঙ্গবন্ধুর আদর্শ বাস্তবায়ন, জাতির জনকের হত্যার বিচার ও দেশবাসির সেবায় নিজের জীবন উৎসর্গ করতে চান তিনি। 

এরপর থেকেই দলীয় কাউন্সিলে টানা ৮ বার সভাপতি নির্বাচিত হয়ে গেলো ৩৮ বছর ধরে শক্ত হাতে দল সামলেছেন শেখ হাসিনা। ৪র্থ বারের মতো নির্বাচিত হন প্রধানমন্ত্রী। 

তবে কখনো মসৃণ ছিলনা শেখ হাসিনার রাজনৈতিক পথ। ১৯ বার সশস্ত্র হামলা হয় তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে। সবশেষ ২০০৪ সালে বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের শাসনামলে তাকে লক্ষ্য করে চালানো হয় গ্রেনেড হামলা। 

ওয়ান ইলাভেন পরবর্তী তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় দীর্ঘদিন কারাবাসে থাকা স্বত্তেও মাথা নত করেননি শেখ হাসিনা। ভয়-ভীতির কাছে পরাজিত হয়ে সে সময় দলের অনেক নেতা দূরে পথভ্রষ্ট হলেও কারাগারের ভেতর থেকেই দিক-নির্দেশনা দিয়ে দলের তৃণমূলের নেতাদের ঐক্যবদ্ধ রাখেন তিনি। 

জাতিসংঘের চ্যাম্পিয়ন অব দ্যা আর্থসহ শেখ হাসিনার নেতৃত্বে অসংখ্যবার আন্তর্জাতিক সম্মানে ভূষিত হয় বাংলাদেশ। শেখ হাসিনার দক্ষ নেতৃত্বে স্বল্প আয়ের দেশের তকমা ছাপিয়ে মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হওয়া এ দেশ এখণ স্বপ্ন দেখে উন্নত দেশ হওয়ার। 

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

জাতীয় খবর