channel 24

সর্বশেষ

  • ক্রিকেটারের চেয়ে নির্বাচকের দায়িত্ব কঠিন: মিনহাজুল আবেদীন

  • নিজেকে প্রমাণ করেই বিশ্বকাপে জায়গা পেলেন আবু জায়েদ রাহি

  • মির্জা ফখরুল সংসদে থাকলে বিরোধীদল আরও শক্তিশালী হতো: কাদের

  • প্রিয়াংকা হত্যায় দোষীদের বিচার দাবিতে মানববন্ধন

  • ঢাকা মেট্রোতে টিকিট ছাড়া কোনো বাস চলবে না: সাঈদ খোকন

  • মুন্সিগঞ্জের গজারিয়ায় শিশু ধর্ষণের অভিযোগে আটক ১

  • ধানের ন্যায্য দাম নিয়ে শিগগিরই সিদ্ধান্ত নেবে সরকার: কৃষিমন্ত্রী

  • ধানের ন্যায্য দামের দাবিতে কৃষি ও খাদ্যমন্ত্রীর কুশপুত্তলিকা দাহ

  • ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান

  • রূপপুর প্রকল্পে কর্মকর্তা-কর্মচারীরা বেতন পান সরকারি স্কেলে

  • স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের পর ভেন্টিলেটর দিয়ে ফেলে দেয় পুলিশ!

  • খুলনায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে পাটকল শ্রমিকদের অবস্থান কর্মসূচি

  • সঠিক ওজন নিশ্চিতে ভালো মানের যন্ত্রপাতি ব্যহার করতে হবে: শিল্পমন্ত্রী

  • যুক্তরাষ্ট্রের সাথে যুদ্ধে জড়ালে ইরান ধ্বংস হয়ে যাবে: ট্রাম্প

  • ফলের বাজারে কেমিক্যাল মেশানো রোধে মনিটরিং টিম গঠনের নির্দেশ

১০ বছরের সাজা থেকে খালাস চেয়ে খালেদার জিয়ার আপিল

১০ বছরের সাজা থেকে খালাস চেয়ে খালেদার জিয়ার আপিল

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে হাইকোর্টের দেওয়া ১০ বছরের কারাদণ্ড থেকে খালাস চেয়ে আপিল দায়ের করা হয়েছে। আপিল আবেদনে খালেদা জিয়ার জামিনও চাওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৪ মার্চ) আপিল বিভাগের সংশ্লিষ্ট শাখায় খালেদার আইনজীবীরা প্রায় দুইশত পৃষ্টার এ আপিল দায়ের করেন।

ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেন,আপিলে বলা হয়েছে খালেদা জিয়ার আইনজীবীদের শুনানির সুযোগ না দিয়ে হাইকোর্ট এক তরফা ভাবে রায় দিয়েছেন।যা অযৌক্তিক ও অগ্রহণযোগ্য। এক প্রশ্নের জবাবে এ আইনজীবী বলেন,উচ্চ আদালতের অবকাশকালীন ছুটির পর আপিল শুনানির উদ্যোগ নেওয়া হবে।

এর আগে গত বছরের  ৩০ অক্টোবর এই মামলায় খালেদার সাজা বৃদ্ধিতে দুদকের আবেদন গ্রহণ করে বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চ ১০ বছর কারাদন্ড দেন।

একইসঙ্গে ৫ বছরের দণ্ড থেকে খালাস চেয়ে খালেদা জিয়ার করা আপিল খারিজ করে দেন আদালত। এছাড়া ১০বছরের দণ্ড থেকে খালাসচেয়ে মাগুরার সাবেক সংসদ সদস্য (এমপি) কাজীসালিমুল হক কামাল ওরফে কাজী কামাল ও ব্যবসায়ী শরফুদ্দিন আহমেদের আপিল খারিজ করেন আদালত।

তবে রায় ঘোষণার সময় খালেদা জিয়ার কোন আইনজীবী উপস্থিত ছিলেন না।

গত বছরের ২৯ অক্টোবর জিয়া অরফানেজ ট্রাষ্ট দুর্নীতি মামলায় কারাদণ্ডপ্রাপ্ত বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার খালাস চেয়ে করা আপিল ও সাজা বৃদ্ধি চেয়ে দুদকের আপিলের শুনানি সমাপ্ত ঘোষণা করেন হাইকোর্ট।

এদিনও খালেদা জিয়ার পক্ষেকোন আইনজীবী উপস্থিতছিলেন না।

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতির মামলায় গত বছরের  ৮ ফেব্রুয়ারি খালেদা জিয়াকে পাঁচ বছরেরকারাদণ্ড দেন রাজধানীর বকশীবাজারে স্থাপিত অস্থায়ী পঞ্চম বিশেষ জজ আদালত। রায়ঘোষণার পরপরই তাকে ওই দিন বিকালে নাজিমউদ্দিন রোডের পুরনো কেন্দ্রীয় কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়।

এ মামলায় ছয় আসামির মধ্যে খালেদা জিয়াসহ তিনজন কারাবন্দি। বাকি তিন আসামি পলাতক। খালেদা জিয়া ছাড়া বাকি দু’জন হলেন- মাগুরার প্রাক্তন সংসদ সদস্য (এমপি) কাজী সালিমুল হক কামাল ওরফে ইকোনো কামাল ও ব্যবসায়ী শরফুদ্দিন আহমেদ।

পলাতক তিনজন হলেন- বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপারসন তারেক রহমান, সাবেক মুখ্য সচিব ড. কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী ও বিএনপির প্রতিষ্ঠাতাজিয়াউর রহমানের ভাগ্নে মমিনুর রহমান।

পরে খালেদা জিয়া ৫ বছরের সাজা থেকে খালাস চেয়ে হাইকোর্টে আপিল করেন। পাশাপাশি সাজা বৃদ্ধি চেয়ে রিভিশন আবেদন করেন দূনীর্তি দমন কমিশন।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

জাতীয় খবর