channel 24

সর্বশেষ

  • নিজেকে প্রমাণ করেই বিশ্বকাপে জায়গা পেলেন আবু জায়েদ রাহি

  • মির্জা ফখরুল সংসদে থাকলে বিরোধীদল আরও শক্তিশালী হতো: কাদের

  • প্রিয়াংকা হত্যায় দোষীদের বিচার দাবিতে মানববন্ধন

  • ঢাকা মেট্রোতে টিকিট ছাড়া কোনো বাস চলবে না: সাঈদ খোকন

  • মুন্সিগঞ্জের গজারিয়ায় শিশু ধর্ষণের অভিযোগে আটক ১

  • ধানের ন্যায্য দাম নিয়ে শিগগিরই সিদ্ধান্ত নেবে সরকার: কৃষিমন্ত্রী

  • ধানের ন্যায্য দামের দাবিতে কৃষি ও খাদ্যমন্ত্রীর কুশপুত্তলিকা দাহ

  • ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান

  • রূপপুর প্রকল্পে কর্মকর্তা-কর্মচারীরা বেতন পান সরকারি স্কেলে

  • স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের পর ভেন্টিলেটর দিয়ে ফেলে দেয় পুলিশ!

  • খুলনায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে পাটকল শ্রমিকদের অবস্থান কর্মসূচি

  • সঠিক ওজন নিশ্চিতে ভালো মানের যন্ত্রপাতি ব্যহার করতে হবে: শিল্পমন্ত্রী

  • যুক্তরাষ্ট্রের সাথে যুদ্ধে জড়ালে ইরান ধ্বংস হয়ে যাবে: ট্রাম্প

  • ফলের বাজারে কেমিক্যাল মেশানো রোধে মনিটরিং টিম গঠনের নির্দেশ

  • রূপপুর প্রকল্পে অনিয়মে তদন্ত শেষে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা

অভিনব কায়দায় ডাকাতি

অভিনব কায়দায় ডাকাতি

ছুটির দিনে রাজধানীতে আসতো ৫০-৬০ জনের সংঘবদ্ধ দল।

তারপর অভিনব কায়দায় স্বর্ণের দোকানসহ বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ডাকাতি করে চম্পট।

সবশেষ রাজধানীর উত্তরায় একটি মানি এক্সচেঞ্জের দোকান থেকে ৩১ লাখ টাকা লুট করে নেয়ার পর এই চক্রকে ধরতে অভিযানে নামে গোয়েন্দা পুলিশ।

অবশেষে ধরা পড়ে ১০ জন। এ সময় তাদের কাছ থেকে ২১ লাখ টাকাসহ বেশ কিছু যন্ত্রপাতি উদ্ধার করা হয়।

৩০ জানুয়ারি। রাজধানীর উত্তরা তিন নম্বর সেক্টরের এই মানি এক্সচেঞ্জের দোকানটিতে সন্ধ্যা সাতটার কিছু পরে ঢুকে পড়ে একদল লোক।

প্রায় ২০ মিনিট সময় নিয়ে দোকানে থাকা প্রায় ৩১ লাখ টাকা লুট করে একজন। বাকিরা দোকানের আশপাশে অবস্থান করে। একই সময়ে কয়েকজন মিলে দোকানের একপাশ ঘিরে রাখে। পরে দোকানের কাটা অংশ দিয়ে টাকার ব্যাগ হতে বের হয় চলে যায় সবাই।

ঘটনার পর থেকেই গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল ছায়া তদন্ত শুরু করে। রাজধানীর কমলাপুরে একটি হোটেলে তাদের অবস্থান জানতে পারে গোয়েন্দারা। অভিযান চালিয়ে আটক করা হয় ১০ জনকে।

চক্রটি বেশ কয়েক বছর ধরে কীভাবে ডাকাতি করতো, পুলিশের কাছে জানায় সেসব কথা।

গোয়েন্দা পুলিশের এ কর্মকর্তা জানান, শুধু মানি এক্সচেঞ্জ নয়, স্বর্ণের দোকান, অফিস ও বাসাবাড়িতেও ডাকাতি করতো এই চক্র।

সংঘবদ্ধ এ চক্রটি ছুটির দিনগুলোতে রাজধানীতে আসতো। ৫০ থেকে ৬০ জনের টিম বিভিন্ন এলাকায় ভাগ হয়ে অভিনব কায়দায় চালাতো ডাকাতি।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

জাতীয় খবর