channel 24

সর্বশেষ

  • জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭৪তম অধিবেশনে যোগ দিতে...

  • কাল নিউইয়র্কের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়বেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

  • অবৈধ ক্যাসিনো: আটক যুবলীগ নেতা খালেদকে গুলশান থানায় হস্তান্তর

  • রাজধানীতে জুয়ার আসর বসতে দেয়া হবে না: ডিএমপি কমিশনার...

  • ক্যাসিনো মালিক প্রভাবশালী হলেও আইনের আওতায় আনা হবে...

  • মসজিদের শহরকে ক্যাসিনোর শহরে পরিণত করেছে সরকার: ড. মঈন

  • প্রধানমন্ত্রীকে হত্যার হুমকি দেয়ার অভিযোগে বিএনপি নেতা...

  • শামসুজ্জামান দুদুর বিরুদ্ধে মামলা; দ্রুত আটকের দাবি ছাত্রলীগের

  • কোনো প্রক্রিয়া ছাড়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়া...

  • ছাত্রলীগ নেতাদের ছাত্রত্ব বাতিলের দাবি ডাকসু ভিপির

  • পারিবারিক কলহ: নারায়ণগঞ্জে মা ও ২ শিশুকে ছুরিকাঘাতে হত্যা...

  • আহত আরও এক শিশুকে ঢাকা মেডিকেলে ভর্তি

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল এখন শিশু আদালত

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল এখন শিশু আদালত

এখন থেকে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল বিবেচিত হবে শিশু আদালত হিসেবে। ফলে শিশু অপরাধ মামলা বিচারের জন্য পাঠাতে হবে এই আদালতে। একই সাথে শিশুর বিরুদ্ধে কোনো প্রাপ্তবয়স্ক কোনো অপরাধ সংঘটিত করলে তার বিচারও এই আদালতই করবে। তবে আলাদা শিশু আদালত স্থাপন জরুরি বলেও মত অনেক আইনজীবীর।

২০১৬ সালে হত্যা করা হয় স্কুল শিক্ষার্থী রিশাকে। ২০১৭ সালে মহানগর অষ্টম অতিরিক্ত দায়রা জজ আদালতে অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে শুরু হয় বিচার। সেখানে ২০ সাক্ষীর মধ্যে নেয়া হয় ১৯ জনের সাক্ষী। তবে চার জন সাক্ষী শিশু এমন যুক্তি দেখিয়ে আসামিপক্ষের আবেদনের পর মামলাটি শিশু আদালতে বদলির নির্দেশ দেন মহানগর দায়রা জজ আদালত।

আরও জানতে: জাহালমের গায়ে লাগা দুদকের কালিমা মুছলো দুধ গোসলে

দীর্ঘক্ষণ এক জায়গায় বসে কাজের জন্য হচ্ছে সায়াটিকা ব্যথা

নির্যাতনের পর নারীকে ইয়াবা দিয়ে চালান, পুলিশি তদন্তে গুমট ফাঁস

এই মামলার একমাত্র আসামী ওবায়দুল যে প্রাপ্তবয়স্ক। কোন প্রাপ্তবয়স্কের বিচার করার এখতিয়ার শিশু আদালতের আছে কিনা এই নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয় আসামিপক্ষ থেকে। ফলে আইন সংশোধন করে বলা হয়েছে, এরকম মামলার ক্ষেত্রে বিচার হবে এখতিয়ার সম্পন্ন আদালতে। ফলে রিশা হত্যা মামলাটি  আবারো বদলি হচ্ছে। আর এই মামলার বিচার চলবে এখন নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে যেটি একই সাথে শিশু আদালত হিসেবে গণ্য হবে। এছাড়া এরকম অপরাধের ক্ষেত্রে প্রাপ্তবয়স্ক অপরাধীর বিচার কোন আদালত করবে সেই দ্বিধাদ্বন্দ্বেরও আবসান হয়েছে।

আইনজীবীরা বলছেন এখতিয়ারনসম্পন্ন আদালত বলতে বোঝাবে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল, যেটি একই সাথে শিশু আদালত।

এই আইনজীবী বলছেন, এখনও শিশুবান্ধব আদালত তৈরি করা সম্ভব হয়নি। তাই বাস্তবতার প্রেক্ষিতে এখন পৃথক শিশু আদালত স্থাপন করা জরুরি।

এছাড়া সংশোধিত আইনে বলা হয়েছে, আর যেসব মামলা এখন বিচারাধীন আছে সেগুলো ৯০ কার্যদিবসের মধ্যে স্থানান্তর করতে হবে। আর এই সময়ের মধ্যে মামলাগুলো স্থানান্তর করা সম্ভব না হলে, আরো ৪৫ কার্যদিবস সময় বৃদ্ধি করা যাবে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

জাতীয় খবর