channel 24

সর্বশেষ

  • চ্যানেল 24 এ সংবাদ প্রচারের পর ৩০ বছর আগের...

  • সগিরা মোর্শেদ হত্যা মামলার তদন্তে নতুন মোড়...

  • তার স্বামীর বড় ভাই ও ভাবিসহ গ্রেপ্তার ৪, আদালতে স্বীকারোক্তি...

  • ভিকারুননিসা নূন স্কুল থেকে মেয়েকে আনতে গিয়ে খুন হন তিনি...

  • ছিনতাইকারীর হাতে এ হত্যাকাণ্ড বলে সেই সময় প্রচার হয় গণমাধ্যমে

  • প্রথমবারের মতো আয়কর মেলায় প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে...

  • রিটার্ন দাখিল ও কর পরিশোধ করেছেন তার প্রতিনিধি

  • কলকাতায় খেলা দেখতে প্রধানমন্ত্রীকে মোদির আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ...

  • প্রবাসী নারী শ্রমিক নির্যাতন বন্ধে উদ্যোগ নেয়া হয়েছে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

  • সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় রংপুর এক্সপ্রেসের ৯টি বগি লাইনচ্যুত...

  • ৩টি বগিতে আগুন, ঢাকার সাথে উত্তর ও দক্ষিণের যোগাযোগ বন্ধ...

  • আগুন নিয়ন্ত্রণে, কোনো হতাহত নেই: রেলসচিব

  • ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সংঘর্ষের আগে তূর্ণার গতি ছিল ঘণ্টায় ২০ কি.মি...

  • চালক ওভার ডিউটি করেনি: রেলমন্ত্রী

  • দেশীয় ও আন্তর্জাতিক আইন ভঙ্গ করে চলছে জাহাজভাঙা শিল্প: হাইকোর্ট

  • সাগর-রুনি হত্যা: আগামী বছরের ৪ মার্চের মধ্যে..

  • হাইকোর্টে অগ্রগতি রিপোর্ট দাখিলের নির্দেশ

  • ইন্দোর টেস্ট: প্রথম দিন প্রথম ইনিংসে ব্যাট করছে ভারত...

  • স্কোর: বাংলাদেশ ১৫০ (মুশফিক ৪৩, শামি ৩/২৭)

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল এখন শিশু আদালত

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল এখন শিশু আদালত

এখন থেকে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল বিবেচিত হবে শিশু আদালত হিসেবে। ফলে শিশু অপরাধ মামলা বিচারের জন্য পাঠাতে হবে এই আদালতে। একই সাথে শিশুর বিরুদ্ধে কোনো প্রাপ্তবয়স্ক কোনো অপরাধ সংঘটিত করলে তার বিচারও এই আদালতই করবে। তবে আলাদা শিশু আদালত স্থাপন জরুরি বলেও মত অনেক আইনজীবীর।

২০১৬ সালে হত্যা করা হয় স্কুল শিক্ষার্থী রিশাকে। ২০১৭ সালে মহানগর অষ্টম অতিরিক্ত দায়রা জজ আদালতে অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে শুরু হয় বিচার। সেখানে ২০ সাক্ষীর মধ্যে নেয়া হয় ১৯ জনের সাক্ষী। তবে চার জন সাক্ষী শিশু এমন যুক্তি দেখিয়ে আসামিপক্ষের আবেদনের পর মামলাটি শিশু আদালতে বদলির নির্দেশ দেন মহানগর দায়রা জজ আদালত।

আরও জানতে: জাহালমের গায়ে লাগা দুদকের কালিমা মুছলো দুধ গোসলে

দীর্ঘক্ষণ এক জায়গায় বসে কাজের জন্য হচ্ছে সায়াটিকা ব্যথা

নির্যাতনের পর নারীকে ইয়াবা দিয়ে চালান, পুলিশি তদন্তে গুমট ফাঁস

এই মামলার একমাত্র আসামী ওবায়দুল যে প্রাপ্তবয়স্ক। কোন প্রাপ্তবয়স্কের বিচার করার এখতিয়ার শিশু আদালতের আছে কিনা এই নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয় আসামিপক্ষ থেকে। ফলে আইন সংশোধন করে বলা হয়েছে, এরকম মামলার ক্ষেত্রে বিচার হবে এখতিয়ার সম্পন্ন আদালতে। ফলে রিশা হত্যা মামলাটি  আবারো বদলি হচ্ছে। আর এই মামলার বিচার চলবে এখন নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে যেটি একই সাথে শিশু আদালত হিসেবে গণ্য হবে। এছাড়া এরকম অপরাধের ক্ষেত্রে প্রাপ্তবয়স্ক অপরাধীর বিচার কোন আদালত করবে সেই দ্বিধাদ্বন্দ্বেরও আবসান হয়েছে।

আইনজীবীরা বলছেন এখতিয়ারনসম্পন্ন আদালত বলতে বোঝাবে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল, যেটি একই সাথে শিশু আদালত।

এই আইনজীবী বলছেন, এখনও শিশুবান্ধব আদালত তৈরি করা সম্ভব হয়নি। তাই বাস্তবতার প্রেক্ষিতে এখন পৃথক শিশু আদালত স্থাপন করা জরুরি।

এছাড়া সংশোধিত আইনে বলা হয়েছে, আর যেসব মামলা এখন বিচারাধীন আছে সেগুলো ৯০ কার্যদিবসের মধ্যে স্থানান্তর করতে হবে। আর এই সময়ের মধ্যে মামলাগুলো স্থানান্তর করা সম্ভব না হলে, আরো ৪৫ কার্যদিবস সময় বৃদ্ধি করা যাবে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

জাতীয় খবর