channel 24

সর্বশেষ

  • সংখ্যালঘু নির্যাতন বিতর্ক: ঢাকার সিএমএম আদালতে...

  • প্রিয়া সাহার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের ২টি মামলা...

  • সিলেট, কুষ্টিয়া ও খুলনায় আরও ৩ রাষ্ট্রদ্রোহ মামলার আবেদন

  • আত্মপক্ষ সমর্থনের আগে প্রিয়া সাহার বিরুদ্ধে...

  • আইনি ব্যবস্থা না নেয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর: ওবায়দুল কাদের...

  • প্রিয়া সাহার বক্তব্যের সাথে দেশের বাস্তবতার মিল নেই: তথ্যমন্ত্রী...

  • কোনো গোষ্ঠীর ইন্ধন আছে কি না, খতিয়ে দেখবে সরকার: আইনমন্ত্রী

  • বরগুনায় রিফাত হত্যা মামলায় স্ত্রী মিন্নির জামিন নামঞ্জুর

  • 'ছেলেধরা' সন্দেহে গণপিটুনি: নওগাঁয় ৬ ও কুমিল্লায় ৩ জনকে উদ্ধার...

  • রাজধানী ও সাভারে ২ নারী নিহতের ঘটনায় অজ্ঞাতদের আসামি করে মামলা

  • ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ঢাকা মেডিকেলে একজনের মৃত্যু...

  • এ নিয়ে মৃতের সংখ্যা ৪; হাসপাতালে ভর্তি ৩৩৪ জন

উদোর পিণ্ডি বুদোর ঘাড়ে

উদোর পিণ্ডি বুদোর ঘাড়ে

উদোর পিণ্ডি বুদোর ঘাড়ে চাপিয়ে সোনালী ব্যাংকের ১৮ কোটি লোপাট। খলনায়ক আবু সালেক। কারাগারে নিরপরাধ জাহালম। ভোটার আইডি কার্ড প্রকল্পে কাজ করার সুবিধা নিয়ে জাহালমকে ফাঁসান সালেক। তিন বছর ধরে প্রকৃত আসামির বিষয়ে বেশ কিছু ক্লু মিললেও অজ্ঞাত কারণে উদাসীন ছিল দুদক।

দুর্ভাগা জাহালম। শুধু ছবির মিলে ৩২ মামলায় ৩ বছরের কারাবাস।

ঘটনার শুরু ২০১০ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি। সোনালী ব্যাংকের মিরপুর ক্যান্টনমেন্ট শাখা থেকে সাড়ে ১৮ কোটি টাকা আত্মসাৎ করেন আবু সালেক নামে এক লোক। এরপর দুদকের মামলা। কিন্তু আবু সালেক নয় কারাগারে ঠাঁই হয় জাহালমের। চ্যানেল টোয়েন্টিফোরের অনুসন্ধানী অনুষ্ঠান সার্চলাইটে প্রায় ১ ছর আগেই তুলে ধরা হয় এর আদ্যোপান্ত।

মূল আসামি আবু সালেক। বাড়ি ঠাকুরগাঁওয়ে। কিন্তু নাম ঠিকানা বদলে ফেলায় জাহালম হন বলির পাঁঠা।

ছবির সাথে মিল থাকায় পাটকল শ্রমিক জাহালম জেল খাটলেও দুদদকের ৩২ মামলার একটিতেও তার সম্পৃক্ততার কথা কেউ স্বীকার করেননি।

চ্যানেল টোয়েন্টিফোরের দীর্ঘ অনুসন্ধানে বেরিয়ে আসে নানা তথ্য। জাহালম যেখানে বাংলায় স্বাক্ষর করতে পারেন না সেখানে চেকে স্বাক্ষর ইংরেজিতে। এ নিয়ে দুদকের মামলায় গ্রেপ্তার এক আসামির সাথে চ্যানেল টোয়েন্টিফোরের কথা হয়, যিনি সালেকের অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা তোলেন এবং আদালতেও জবানবন্দি দেন।

ব্যাংকের টাকা আত্মসাতের সাথে জড়িত এই নজরুলের স্বীকারোক্তি ধরে এগোলে সালেককে খুঁজে বের করা সম্ভব ছিলো। কিন্তু দুদক বিষয়টি কৌশলে এড়িয়ে যায়। চ্যানেল টোয়েন্টিফোর জাহালমের দুটি জাতীয় পরিচয়পত্র খুঁজে বের করে। এর একটিতে ঠাকুরগাঁওয়ের ভোল্লা এবং অপরটিতে গ্রামের ঠিকানা দেখানো হয়েছে জামালপুরের পিংনা।

দুটি আইডি কার্ডে সব মিল থাকলেও অত্যন্ত সুক্ষ্মভাবে ভেতরের দুটি ডিজিট পরিবর্তন করা হয়েছে। এর বাইরে জন্ম তারিখ ঠিক থাকলেও পিতার নাম এবং ঠিকানা বদলে ফেলা হয়েছে।

পুরো ঘটনার খলনায়ক আবু সালেক মূলত কাজ করতেন, নির্বাচন কমিশনের ভোটার আইডি কার্ড প্রস্তুত প্রকল্পে। সেই সুযোগ নিয়েই একজন নিরীহ মানুষকে ফাঁসিয়ে দেন। আড়াল করেন নিজের অপকর্ম।

ভুল আসামি জাহালমকে নিয়ে রিপোর্ট প্রচারের পর নড়েচড়ে বসে দুদক। সাথে যোগ দেয় জাতীয় মানবাধিকার কমিশনও। তবে চ্যানেল টোয়েন্টিফোরে রিপোর্ট প্রচারের পর থেকেই আবু সালেক আত্মগোপনে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

জাতীয় খবর