channel 24

সর্বশেষ

  • ঢাকায় পরিবহন খাতে শৃঙ্খলা ফেরাতে ব্যর্থতা স্বীকার ডিএমপি কমিশনারের

  • ছাত্র আন্দোলনে উসকানি বিএনপির দেউলিয়াত্বের প্রমাণ: হানিফ

  • পদ্মাসেতুর জাজিরা প্রান্তে আজ বসানো হচ্ছে না অষ্টম স্প্যান

  • এমপিওভুক্তির দাবিতে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে...

  • সড়ক অবরোধ করে আন্দোলন করছে শিক্ষকরা

  • সড়ক দুর্ঘটনায় সিরাজগঞ্জ, খুলনা ও নরসিংদীতে ৩ স্কুলশিক্ষার্থী নিহত

  • রাজধানীর কল্যাণপুরে তেলবাহী লরির ধাক্কায় মাদ্রাসা শিক্ষক নিহত

সৈয়দ আশরাফ আর নেই

সৈয়দ আশরাফ আর নেই

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক, বর্তমান প্রেসিডিয়াম সদস্য ও জনপ্রশাসনমন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম আর নেই (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

বৃহস্পতিবার (৩ জানুয়ারী) ব্যাংককের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে এই খবর নিশ্চিত করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন।

থাইল্যান্ডের বামরুনগ্রাদ হাসপাতালে ফুসফুসের ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে সৈয়দ আশরাফ চিকিৎসাধীন ছিলেন। গত ১৮ সেপ্টেম্বর সংসদ থেকে ছুটি নেন অসুস্থতার কারণে। সৈয়দ আশরাফ কিশোরগঞ্জ-১ (কিশোরগঞ্জ সদর ও হোসেনপুর উপজেলা) আসনে নৌকা প্রতীকে জয়ী হন দেশে না থেকেও ।

১৯৫২ সালের ১ জানুয়ারিতে ময়মনসিংহ শহরে জন্মগ্রহণ করেন সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম। তাঁর পিতা সৈয়দ নজরুল ইসলাম ছিলেন মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন মুজিবনগর সরকারের অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি ও মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক।

সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম এমএ ডিগ্রী লাভ করেন। স্বাধীনতার পর তিনি বৃহত্তর ময়মনসিংহ জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক এবং কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সহ-প্রচার সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন।

১৯৭৫ সালের ৩ নভেম্বর কারাগারে পিতা সৈয়দ নজরুল ইসলামসহ জাতীয় চার নেতার নির্মম হত্যাকাণ্ডের পর তিনি যুক্তরাজ্য চলে যান।

আশরাফুল ইসলাম ১৯৯৬ সালে দেশে ফিরে আসেন এবং কিশোরগঞ্জ সদর আসন থেকে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী হিসেবে প্রথমবার সংসদ-সদস্য নির্বাচিত হন। এ সময় তিনি বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

২০০১ সালের ১ অক্টোবরে অনুষ্ঠিত অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পুনরায় তিনি নির্বাচিত হন এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির একজন সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

২০০৮ সালের নির্বাচনেও তিনি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০১৫ সালের ১৬ জুলাই জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেন।

তিনি এক কন্যার জনক।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

জাতীয় খবর