channel 24

সর্বশেষ

  • ঢাকা উত্তর সিটির মেয়র পদে উপনির্বাচন ২৮ ফেব্রুয়ারি...

  • কিশোরগঞ্জ-১ সংসদীয় আসনে উপনির্বাচন ২৮ ফেব্রুয়ারি...

  • দুই সিটির নতুন ৩৬টি ওয়ার্ডে একই দিন নির্বাচন: ইসি সচিব...

  • প্রথম দফা উপজেলা নির্বাচনে ভোট ৮ বা ৯ মার্চ...

  • সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনে নির্বাচনের তফসিল ৩ ফেব্রুয়ারি

  • তথ্য ফাঁসের অভিযোগে দুদক পরিচালক ফজলুল হক বরখাস্ত...

  • অবৈধ সম্পদ অর্জন: মোসাদ্দেক আলী ফালুর বিরুদ্ধে চার্জশিট অনুমোদন...

  • দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে সাঁড়াশি অভিযান চলবে: দুদক চেয়ারম্যান

  • চলমান প্রকল্পের কাজ নির্ধারিত সময়ে শেষ করতে...

  • নজরদারি বাড়াতে হবে: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

বড় ধরণের সহিসংতা ছাড়াই একাদশ জাতীয় নির্বাচন সম্পন্ন

বড় ধরণের সহিসংতা ছাড়াই একাদশ জাতীয় নির্বাচন সম্পন্ন

বড় ধরণের সহিসংতা ছাড়াই দলীয় সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত হলো একাদশ জাতীয় নির্বাচন।

বিশ্লেষণ বলছে, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকাকালীন দলটির নেতাকর্মীরাই বেশি সহিসংতার শিকার হয়েছেন। অন্যদিকে বিএনপি ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য সহিংসতা করেছে বেশি।

২০০১ সালে বিএনপি ও ২০১৪ সালে নির্বাচনকেন্দ্রিক প্রাণহানির রেকর্ড করেছিলো বিএনপি-জামায়াতের তথাকথিত আন্দোলন। সে তুলনায় এবারের নির্বাচন ছিলো মোটামুটি শান্তিপূর্ণ।

১৯৯১ থেকে ২০১৮। বাংলাদেশে জাতীয় নির্বাচন হয়েছে সাতটি। এরমধ্যে ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারির বিতর্কিত নির্বাচন বাদ দিলে সবশেষ জয়সহ আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসেছে চারবার, বিপরীতে বিএনপি এককভাবে একবার আর জামায়াতকে সাথে নিয়ে ক্ষমতা পেয়েছে আরো একবার।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সেন্টার ফর জেনোসাইড স্টাডিজের গবেষণা বলছে, ১৯৯১ সাল থেকে ২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর পর্যন্ত নির্বাচনি সহিসংতায় সাড়ে ৫০০ মানুষ নিহত হয়েছেন। এসব ঘটনা ঘটেছে ভোটের আগের দুই সপ্তাহ ও পরের এক সপ্তাহের মধ্যে।

পঞ্চম সংসদ নির্বাচন ঘিরে ৭৬টি ঘটনায় নিহত হন ২৫ জন, আহত ৭২০ জন। ষষ্ঠ সংসদ নির্বাচনে বিএনপি ক্ষমতা নিলেও ১৫৪টি সহিসংতার ঘটনা ঘটে। যাতে নিহত হন ৫১ জন। আহতের সংখ্যা প্রায় এগারশ।

যেখানে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরাই বেশি হামলার শিকার। ১৯৯৬ সালের জুনে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসলেও থামেনি বিএনপির আগ্রাসন। মারা যান ৪৫ জন, ১০৩টি ঘটনায় আহত হন দেড় হাজার মানুষ।

২০০১ সালে বিএনপি জামায়াত জোট ক্ষমতায় আসলে দেশব্যাপি ছড়িয়ে পড়ে রাজনৈতিক সহিংসতা। প্রায় আড়াইশো মানুষ নিহত হন ৫০৪টি ঘটনায়। আহতের সংখ্যা ছিলো ১১ হাজারেরও বেশি।

অপরদিকে ২০০৮ সালে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে মহাজোট ক্ষমতায় আসার আগে-পরে ১৯৩টি ঘটনায় মারা যান ২১ জন। আহত দেড় হাজার। ২০১৪ সালের নির্বাচনের আগে পেট্রোলবোমা ও  আগুন সন্ত্রাসের বলি হন আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীসহ সাধারণ মানুষ।

হিসাব বলছে, একাদশ সংসদ নির্বাচন ঘিরে কমেছে সহিংসতার ঘটনা। তফসিল ঘোষনার পর নির্বাচনের দিন পর্যন্ত ২৪ জনের প্রাণহানির যে ঘটনা ঘটেছে তাতে ১৫ জনেরও বেশি আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী।

সহিংসতা বন্ধে প্রশাসন ও সরকারের তৎপরতাকে সাধুবাদ জানান বিশেষজ্ঞরা।

দেশের চলমান উন্নয়নের ধারবাহিকতা বজায় রাখতে, রাজনৈতিক সহিংসতা বন্ধ ছাড়া বিকল্প নেই বলে মত দেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

জাতীয় খবর