channel 24

সর্বশেষ

  • উপজেলা নির্বাচন ছিল একতরফা, যা গণতন্ত্রের জন্য অশনিসংকেত: ইসি মাহবুব

  • রূপপুর বিদ্যুৎকেন্দ্রে রাশিয়া থেকে ৫২৩ কোটি ৯০ লাখ টাকার...

  • ইউরেনিয়াম কেনার অনুমোদন সরকারের ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির

  • রোহিঙ্গাদের মিয়ানমার ফেরাতে সৌদিতে ৬০ বিদেশি কূটনীতিকের কাছে...

  • সহায়তা চাইলো বাংলাদেশ; রিয়াদে ব্রিফ করেছেন রাষ্ট্রদূত গোলাম মসিহ

  • খালেদা জিয়ার জামিন আটকে রেখেছে সরকার: মির্জা ফখরুল...

  • আদালত মুক্তি দিলে সরকারের কিছু করার নেই: ওবায়দুল কাদের

  • মুক্তিযোদ্ধাদের ন্যূনতম বয়স নিয়ে হাইকোর্টের রায় বহাল রেখেছেন...

  • চেম্বার আদালত; আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে শুনানি ২৩ জুলাই

'কতটা অপমানিত হলে আত্মহত্যার মতো পথ বেছে নেয়?'

'কতটা অপমানিত হলে আত্মহত্যার মতো পথ বেছে নেয়?'

রাজধানীর ভিকারুননিসা নূন স্কুলের নবম শ্রেণির ছাত্রী অরিত্রী অধিকারীর (১৫) আত্মহত্যার ঘটনায় শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেন, একজন শিক্ষার্থী কতটা অপমানিত হলে, কতটা কষ্ট পেলে আত্মহত্যার মতো পথ বেছে নেয়?

মঙ্গলবার (৪ ডিসেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বেইলি রোডে ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজ ক্যাম্পাসে আসেন শিক্ষামন্ত্রী। সেখানে তিনি স্কুলের শিক্ষক, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ঘটনাগুলো শুনছি, এর পেছনের কথা শুনছি, ঘটনার পেছনে বা ঘটনার সঙ্গে যারাই জড়িত থাকুক, যদি প্রমাণ পাওয়া যায়, তবে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ ঘটনায় তিন সদস্যর তদন্ত কমিটি করা হয়েছে।

শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, ভিকারুননিসা নূন স্কুলের জনপ্রিয়তার কারণে স্কুল কর্তৃপক্ষের নানা অনিয়মের কথা অনেক আগেই কানে এসেছে। এসব অনিয়মের কারণে টাকার বিনিময়ে ভর্তি বন্ধের উদ্যোগ নেওয়া হয়। এখানে ভর্তির জন্য একসময় ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত নেওয়া হতো, যা বন্ধ করা হয়েছে।

সোমবার (৩ ডিসেম্বর) রাজধানীর শান্তিনগর থেকে অরিত্রীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরিবারের অভিযোগ, স্কুলে নকলের অভিযোগে অপমানের জের ধরে সে আত্মহত্যা করেছে। সে ভিকারুননিসায় নবম শ্রেণিতে পড়ত। বিকেলে সাড়ে চারটার দিকে ঢাকা মেডিকেলে কলেজ হাসপাতালে (ঢামেক) চিকিৎসকেরা অরিত্রীকে মৃত ঘোষণা করেন।

অরিত্রীর বাবা দিলীপ অধিকারী জানান, তার মেয়ের পরীক্ষা চলছিল। রোববার পরীক্ষা চলাকালে শিক্ষক অরিত্রীর কাছে মোবাইল ফোন পায়। মোবাইলে নকল করছে, এমন অভিযোগে অরিত্রীকে সোমবার তার বাবা-মাকে নিয়ে স্কুলে যেতে বলা হয়। তিনি স্ত্রী ও অরিত্রীকে নিয়ে স্কুলে যান। তারা প্রথমে ভাইস প্রিন্সিপালের কক্ষে যান। কিন্তু ভাইস প্রিন্সিপাল তাদের অপমান করে কক্ষ থেকে বের হয়ে যেতে বলেন। মেয়ের টিসি নিয়ে যেতেও বলা হয়। দিলীপ অধিকারী বলেন, এরপর তিনি প্রিন্সিপালের কক্ষে যান। যেখানে স্কুল পরিচালনা পর্ষদের একজন সদস্যও ছিলেন। প্রিন্সিপালও ভাইস প্রিন্সিপালের মতো আচরণ করেন। এ সময় অরিত্রী দ্রুত প্রিন্সিপালের কক্ষ থেকে বের হয়ে যায়। পরে স্ত্রীসহ তিনি বাড়ি গিয়ে দেখেন, অরিত্রী তার কক্ষে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ওড়নায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় ঝুলছে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

জাতীয় খবর