channel 24

সর্বশেষ

  • সমৃদ্ধির অগ্রযাত্রায় বাংলাদেশ স্লোগানে...

  • আওয়ামী লীগের ইশতেহারে ২১ দফা অঙ্গীকার...

  • অতীতের ভুলভ্রান্তি ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখার অনুরোধ প্রধানমন্ত্রীর

  • বিএনপির নির্বাচনি ইশতেহার ঘোষণা করলেন মির্জা ফখরুল...

  • জাতীয় সংসদে উচ্চকক্ষ প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি...

  • রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতায় ভারসাম্য আনাসহ ১৯ প্রতিশ্রুতি

  • নির্বাচনে অংশ নিতে পারছেন না খালেদা জিয়া...

  • প্রার্থিতা বাতিলের বিরুদ্ধে রিট তৃতীয় বেঞ্চেও খারিজ

  • জামায়াতের ২২ নেতার প্রার্থিতা বাতিলে হাইকোর্টের রুল...

  • তিন কার্যদিবসের মধ্যে নিষ্পত্তি করতে ইসিকে নির্দেশ

আজ পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.)

আজ পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.)

১ হাজার ৪৪৮ বছর আগে এই দিনে আরবে মা আমিনার কোল আলো করে জন্ম নিয়েছিলেন সর্বশ্রেষ্ঠ ও সর্বশেষ নবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)। আবার এই দিনেই তিনি পৃথিবী ছেড়ে চলে যান।

বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) পৃথিবীতে এসেছিলেন তৌহিদের মহান বাণী নিয়ে এবং প্রচার করেছেন শান্তির ধর্ম ইসলাম। হযরত মুহাম্মদ (সা.) জন্ম ও ওফাত দিবস আজ ১২ রবিউল আউয়াল।

এই দিনকে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) হিসেবে পালন করেন সারা বিশ্বের মুসলমানেরা।

সমগ্র আরব যখন অন্ধকারে ডুবে গিয়েছিল, তখন মহান আল্লাহ পাক মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-কে বিশ্বজগতের রহমতস্বরূপ পাঠিয়েছিলেন।

তিনি ৪০ বছর বয়সে নবুয়ত লাভ করেন। এরপর বিশ্ববাসীকে মুক্তি ও শান্তির পথে আহ্বান জানান।

সব ধরনের কুসংস্কার, গোঁড়ামি, অন্যায়, অবিচার ও দাসত্বের শৃঙ্খল ভেঙে মানবসত্তার চিরমুক্তির বার্তা বহন করে এনেছিলেন তিনি।

এরপর মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) দীর্ঘ ২৩ বছর এ বার্তা প্রচার করে ৬৩ বছর বয়সে ইন্তেকাল করেন।


ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণী দিয়েছেন।

রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ এক বাণীতে বলেছেন, ধর্মীয় ও পার্থিব জীবনে মহানবী (সা.)-এর শিক্ষা সমগ্র মানবজাতির জন্য অনুসরণীয়। দুনিয়ায় তাঁর আগমন ঘটেছিল 'সিরাজাম মুনিরা' তথা আলোকোজ্জ্বল প্রদীপরূপে। ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে দেশবাসীসহ মুসলিম উম্মাহর সবাইকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও মোবারকবাদ জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণীতে বলেছেন, দ্বন্দ্ব-সংঘাতময় বিশ্বে প্রিয় নবী (সা.)-এর অনুপম শিক্ষার অনুসরণের মাধ্যমেই বিশ্বের শান্তি, ন্যায় এবং কল্যাণ নিশ্চিত হতে পারে। মহানবী (সা.)-এর সুমহান আদর্শ অনুসরণের মধ্যেই প্রতিটি জনগোষ্ঠীর অফুরন্ত কল্যাণ, সফতা ও শান্তি নিহিত রয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

জাতীয় খবর