channel 24

সর্বশেষ

  • লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরির দায়িত্ব ইসির: ওবায়দুল কাদের...

  • ভালো প্রার্থী পেলে মহাজোটের অন্য দলকে আসন ছাড়বে আ.লীগ

  • মুক্তিযুদ্ধের শক্তি ঐক্যবদ্ধ, বিজয় সুনিশ্চিত: নাসিম

  • বর্তমান সরকারের ক্ষমতায় থাকা অসাংবিধানিক: ড. কামাল

  • সরকার ইচ্ছামতো বিচার ব্যবস্থা নিয়ন্ত্রণ করছে: ফখরুল

  • নির্বাচন বানচালের চেষ্টা করলে জাতি তাদের ক্ষমা করবে না: বি. চৌধুরী

  • প্রশ্নবিদ্ধ নির্বাচন চায় না ইসি, নিরপেক্ষতার প্রশ্নে ছাড় নয়: কমিশনার শাহাদাত

  • কাল শুরু পিইসি ও ইবতেদায়ি পরীক্ষা; থাকছে না এমসিকিউ

সরকারি কর্মচারী গ্রেপ্তারে কর্তৃপক্ষের অনুমতি লাগবে

সরকারি কর্মচারী গ্রেপ্তারে কর্তৃপক্ষের অনুমতি  লাগবে

সরকারি কর্মচারীর দায়িত্ব পালনের সঙ্গে সম্পৃক্ত অভিযোগে করা ফৌজদারি মামলায় আদালতে অভিযোগপত্র গৃহীত হওয়ার আগে কর্মচারীকে গ্রেপ্তার করতে হলে সরকার বা নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিতে হবে। এ বিধান রেখে রোববার (২১ অক্টোবর) সরকারি চাকরি বিল ২০১৮ উত্থাপিত হয়েছে।

জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ইসমত আরা সাদেক বিলটি সংসদে উত্থাপন করেন।

বিলের ৪১ ধারায় এই কথা বলা হয়েছে, কোনো সরকারি কর্মচারীর বিরুদ্ধে কোনো আদালতে ফৌজদারি বা অন্য কোনো আইনি কার্যধারা বিচারাধীন থাকলে বিচারাধীন একা বা একাধিক অভিযোগের বিষয়ে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় কার্যধারা রুজু বা নিষ্পত্তির ব্যাপারে কোনো প্রতিবন্ধকতা থাকবে না।

বিলের ৭ ধারায় বলা আছে, এই আইনের আওতাভুক্ত কোনো কর্ম বা কর্ম বিভাগে সরাসরি জনবল নিয়োগের ভিত্তি হবে মেধা ও উন্মুক্ত প্রতিযোগিতা।

বিলের ২৫ ধারায় বলা আছে, কোনো ব্যক্তি সেবা পাওয়ার জন্য আবেদন করলে সরকার নির্ধারিত সময়ের মধ্যে, কিংবা সময়সীমা উল্লেখ না থাকলে যুক্তিসংগত সময়ের মধ্যে আবেদন নিষ্পত্তি করতে হবে। কোনো কর্মচারী এই ধারার বিধান লঙ্ঘন করলে তা ওই কর্মচারীর অদক্ষতা ও অসদাচরণ হিসেবে গণ্য হবে।

৩২ ধারায় বলা আছে, নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষ দোষী সাব্যস্ত কোনো কর্মচারীর ওপর বিধি মোতাবেক একাধিক লঘু ও গুরুদণ্ড আরোপ করতে পারবে। লঘু দণ্ডের মধ্যে আছে তিরস্কার, নির্দিষ্ট মেয়াদের জন্য পদোন্নতি ও বেতন-ভাতা স্থগিত করা, বেতন স্কেল অবনমিত করা এবং সরকারি অর্থ ও সম্পত্তির ক্ষতি হলে ক্ষতিপূরণ আদায় করা। গুরুদণ্ডের মধ্যে আছে- বেতন নিম্ন স্কেলে অবনমিত করা, বাধ্যতামূলক অবসর প্রদান করা, চাকরি হতে অপসারণ করা এবং চাকরি হতে বরখাস্ত করা।

৩৮ ধারায় বলা আছে, প্রজাতন্ত্রের কর্ম হতে বরখাস্ত হয়েছেন, এমন কোনো ব্যক্তি ভবিষ্যতে প্রজাতন্ত্রের কোনো কর্মে বা রাষ্ট্রের অন্য কোনো কর্তৃপক্ষে নিয়োগ লাভের যোগ্য হবেন না।

৪২ ধারায় বলা আছে, কোনো সরকারি কর্মচারী ফৌজদারি মামলায় আদালত কর্তৃক মৃত্যুদণ্ড বা এক মেয়াদের বেশি কারাদণ্ডে দণ্ডিত হলে ওই ব্যক্তি দণ্ড আরোপের রায় প্রদানের দিন থেকে চাকরি হতে তাৎক্ষণিক বরখাস্ত হবেন। তবে কর্মচারী এক বছর বা তার কম মেয়াদের জন্য দণ্ডিত হলে কর্তৃপক্ষ ওই ব্যক্তিকে তিরস্কার, পদোন্নতি ও বেতন স্থগিত করা, পদ ও বেতন স্কেলের অবনমন করা এবং সরকারি সম্পদের ক্ষতি হয়ে থাকলে ক্ষতিপূরণ আদায় করতে পারবে।

তবে এই আইনে যাই থাকুক না কেন, রাষ্ট্রপতির কাছে সন্তোষজনক মনে হলে তিনি সাজা পাওয়া ব্যক্তিকে অব্যাহতি প্রদান করতে পারবেন এবং চাকরিতে পুনর্বহাল করতে পারবেন।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

জাতীয় খবর