channel 24

সর্বশেষ

  • চট্টগ্রামে চলছে চাকরি মেলা

  • নরসিংদীর বাঁশগাড়িতে আ.লীগের দুপক্ষের সংঘর্ষে এক শিক্ষার্থীর মৃত্যু

  • নির্বাচনি ইশতেহারে স্বাস্থ্য খাতকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয়ার আহবান

  • রাইড শেয়ারিং অ্যাপ উবারের ১০৭ কোটি ডলার লোকসান

  • মূলার বাম্পার ফলনের পরও লোকসানে লালমনিরহাটের চাষীরা

  • ইতিহাসের সাক্ষী হবার অপেক্ষায় নোয়াখালী শহীদ ভুলু স্টেডিয়াম

  • শীতকালীন সবজিতে ছেয়ে গেছে কাঁচাবাজার

  • নিপুণ রায়সহ ৭ জন পাঁচ দিনের রিমান্ডে

  • মিডিয়া কাপ ক্রিকেটে বাংলা ট্রিবিউন চ্যাম্পিয়ন

  • বকুলতলায় নাচে-গানে উদযাপিত হচ্ছে নবান্ন উৎসব

  • বর্ণময় জীবনের অধিকারী ছিলেন শিল্পী বারী সিদ্দিকী

  • সংখ্যালঘু নির্যাতনকারীদের মনোনয়ন না দেয়ার দাবি হিন্দু জোটের

  • সানরাইজার্সের হয়েই আইপিএল খেলবেন সাকিব

  • বরিশালের সঙ্গে ঝালকাঠিসহ ছয়টি রুটে বাস চলাচল বন্ধ

  • সৃষ্টির মাঝেও কাটছে না শূন্যতার রেশ

ইলিশের পূর্ণাঙ্গ জীবনরহস্য উন্মোচনের দাবি বিজ্ঞানীদের

ইলিশের পূর্ণাঙ্গ জীবনরহস্য উন্মোচনের দাবি বিজ্ঞানীদের

জাতীয় মাছ ইলিশের জীবন রহস্য উন্মোচন করেছেন, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীরা। সকালে সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়। বিজ্ঞানীরা বলছেন, এই গবেষণা ইলিশের টেকসই প্রজনন ও সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। বাঙালির সবচেয়ে কাঙ্খিত মাছের নাম ইলিশ। সবচেয়ে দামিও। যে কারণে চাইলেও সবার পাতে উঠে না এই মাছ।

সেই ইলিশের জীবন রহস্য প্রস্তুত করা, জিনোমিক ডাটাবেজ স্থাপন, এবং মোট জিনের সংখ্যা নির্ণয়ে সাফল্য পেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল গবেষক। জিনকে বলা হয় জীবনগতির ধারক এবং বাহক। এর মাধ্যমেই নির্ধারিত হয় জীবের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যসহ পরিবেশগত নানা আচরণ। বাকৃবি, ফিশারিজ বায়োলজি অ্যান্ড জেনেটিক্স বিভাগের প্রফেসর ড. মো. সামছুল আলম বলেন, জিন বিন্যাসের মাধ্যমে, নতুন তথ্য উন্মোচনের মাধ্যমে নিশ্চিত করা যাবে ইলিশের টেকসই প্রজনন ও সংরক্ষণ।

পোল্টি বিজ্ঞান বিভাগের প্রফেসর ড. মো. বজলুর রহমান মোল্যা জানান, ২০১৭ সালের ৩১ জুলাই ইলিশের পূর্ণাঙ্গ জিনোম অ্যাসেম্বলি প্রস্তুত হয়। ওই বছরের ২৫ আগস্ট সম্পূর্ণ জিন বিন্যাস আন্তর্জাতিক জিনোম ডাটাবেজ ন্যাশনাল সেন্টার ফর বায়োটেকনোলজি ইনফরমেশনে জমা করা হয়।

বাকৃবির ফিশারিজ বায়োলজি এন্ড ডেনেটিক্স বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. সামছুল আলম জানান, ইলিশের জিনোমিক ডাটাবেজ স্থাপন এবং মোট জিনের সংখ্যা নির্ণয় করার জন্য গবেষণার সাফল্য পেয়েছেন তারা। ইলিশের জিনোমে ৭৬ লক্ষ ৮০ হাজার নিউক্লিওটাইড রয়েছে। যা মানুষের জিনোমের প্রায় এক চতুর্থাংশ। ২০১৫ সাল থেকে এই গবেষণা শুরু করেন বিজ্ঞানীরা।

ইলিশের জিন বিন্যাস আবিস্কারে দেশের অন্য একটি গবেষণা দল যে দাবি করেছেন, তা সঠিক নয় বলে জানান বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর ড. মো. সামছুল আলম। গেলো বছর বাংলাদেশের ভৌগলিক নির্দেশক পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি মেলে ইলিশ মাছের।

 

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

জাতীয় খবর