channel 24

সর্বশেষ

  • ঈদের আগের ৭ ও পরের ৫ দিন সিএনজি ও পেট্রোল পাম্প ২৪ ঘণ্টা খোলা...

  • আগের ৩ দিন ট্রাক, কাভার্ড ভ্যান চলাচল বন্ধ থাকবে: কাদের

  • ভারতের লোকসভা নির্বাচন: বিজেপি জোট এগিয়ে ৩২৬ আসনে...

  • কংগ্রেস জোট ১০৫ আসনে; পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি-তৃণমূল হাড্ডাহাড্ডি লড়াই...

  • বসিরহাটে এগিয়ে নুসরাত; যাদবপুরে মিমি চক্রবর্তী; ঘাটালে এগিয়ে দেব

দীপনপুর, একটা বইয়ের গ্রাম

দীপনপুর, একটা বইয়ের গ্রাম

রাজধানীর কাঁটাবনে অবস্থিত দীপনপুর বুক ক্যাফে শপটি ইতিমধ্যেই হয়ে উঠেছে পাঠকপ্রিয়। যদিও প্রকাশক দীপনের স্মৃতিকে বাঁচিতে রাখতে যে স্বপ্নরাজ্য গড়ার ইচ্ছে প্রয়োজনীয় অর্থাভাবে তার অনেকটাই রয়ে গেছে বাকি। তবু হাল ছাড়েননি স্ত্রী রাজিয়া রহমান জলি। অল্প অল্প করেই এগিয়ে চলেছেন তিনি। আশা প্রজন্মের ভেতরে জাগুক জানার আগ্রহ তৈরী হোক প্রতিবাদের ভাষা।

দীপনপুর নাগরিক কোলাহলের ভীড়ে এই নামটি যেনো খুব বেশি নির্জনতার গল্পই বলে, নাকে এসে লাগে গাঁও গেরামের ঘ্রাণ। সত্যিই তাই, ইট-কাঠের নগরীতে দীপনপুর যে একটা বইয়ের গ্রাম।

দীপনপুরের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক রাজিয়া রহমান জলি বলেন, কল্পনাতে যখন একটা গ্রামের দৃশ্য আসে, তখন সেখানে একটা উন্মুক্ত পরিবেশ থাকে। আমি এটাই চেয়েছি যে শহরের ভিতর, কোলাহলের ভিতর একটা শান্তির জায়গা।

কি নেই এই দীপনপুরে। আছে সবুজ ঘাসে ছাওয়া দীপান্তর, যে স্বপ্নরাজ্যে ঠাকুরমার ঝুলি কিংবা রাজকন্যা আর রাজপুত্তরের গল্পে। হৈ-হুল্লড়ে মতে ওঠে শিশুরা।

আছে ছোট্ট একটি মাচান, নাম যার দীপনতলা। যে সবুজ বৃক্ষতলে জমে ওঠে সাহিত্যের আড্ডা। চলে কবিতা পাঠের আসর আর প্রকাশনা উৎসবও।

সাথে এককাপ ধুঁমায়িত চা কিংবা কফির সাথে প্রিয় লেখকের বই পড়তে, এই দীপনপুরেই আছে ক্যাফে দীপাঞ্জলী। ঘন্টার পর ঘন্টা এখানে বইপোকাদের তুমুল তর্ক-বিতর্কও চলে রসনাবিলাসেই।

রাজধানীর কাঁটাবনে দীপনমাখা এই দীপনপুর শুধুমাত্র একটি ক্যাফে বুক সপই নয়, এই উদ্যোগের সাথে জড়িয়ে আছে প্রতিবাদের ভাষাও।

ফয়সাল আরেফিন দীপনের স্মৃতি মানসপটে ধরে রাখার পাশাপাশি, আলোকিত মানুষ গড়ার ভাবনাও মিশে আছে দীপনপুরের ২৮০০ বর্গফুটের এই সুখস্মৃতিতে।

দীপনপুর এরই মধ্যে হয়ে উঠেছে বইপ্রেমীদের প্রিয়। তবে বই এর গ্রাম নিয়ে এখনো অনেক স্বপ্নই বুনে যাচ্ছেন সুহৃদ শুভানুধ্যায়ীরা। কিছুটা তার পূরণ হয়েছে, অনেকটাই রয়ে গেছে বাকী।

প্রার্থনা ও প্রত্যাশার রঙ দীপনপুরে ছেঁয়ে আছে যতোটা অন্ধকার, সুহৃদের ভালোবাসায় সেখানেই ফুটুক আলোর ফুল। প্রজন্মও হয়তো তখন পাবে বর্ণময় আলোকচ্ছটা।

প্রতিবেদনের ভিডিও-

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

লাইফস্টাইল খবর