channel 24

সর্বশেষ

  • কোচিং বাণিজ্য: উইলস লিটল স্কুলের ৩০ শিক্ষককে দুদকের শোকজ

  • নাটোরের বাগাতিপাড়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় একই পরিবারের নিহত ৩

  • রোহিঙ্গা ইস্যুর সমাধান দীর্ঘায়িত হলে বাংলাদেশ সমস্যায় পড়বে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

  • এসএসসি ও সমমান পরীক্ষাকালীন কোচিং সেন্টার বন্ধ থাকবে: শিক্ষামন্ত্রী

  • জামায়াত ও যুদ্ধাপরাধীর সন্তানরা যেন সরকারি চাকরি না পায়...

  • তার জন্য আইন করতে হবে: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী

  • সমাজে ব্যাধির মতো ছড়িয়ে গেছে দুর্নীতি: প্রধানমন্ত্রী...

  • সব অপরাধ দমনে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে তৎপর থাকার নির্দেশ

  • ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন নিয়ে সাংবাদিকদের...

  • উদ্বেগের বিষয়গুলো নিয়ে কাজ করছে সরকার: তথ্যমন্ত্রী

  • রিজার্ভ চুরি: চলতি মাসেই নিউইয়র্কে মামলা- অর্থমন্ত্রী

  • হলি আর্টিজান মামলার আসামি জঙ্গিনেতা মামুন ৫ দিনের রিমান্ডে

  • ডিপিডিসির নির্বাহী পরিচালক রমিজ উদ্দিন সরকার ও...

  • তার স্ত্রীর সম্পদের হিসাব দিতে দুদকের নোটিশ

ঘরের অন্দরসাজে গামছার ব্যবহার

ঘরের অন্দরসাজে গামছার ব্যবহার

ফ্যাশন ডিজাইনার বিবি রাসেলের হাত ধরেই নগর ফ্যাশনে গামছা সমাদৃত হয়েছিল। দেশের গন্ডি ছাড়িয়ে দেশের বাইরেও গামছার তৈরি পোশাক ও গয়না তুলে ধরেছেন তিনি। বাঙালি ঐতিহ্যের ধারা বজায় রেখে ঘরের অন্দরসাজেও আসছে গামছার ব্যবহার।

পোশাক আর গয়নার পাশাপাশি এখন ল্যাম্পশেড, কুশন কাভার, পর্দা, ঘরের গাছের পটসহ ঘর সাজানোর নানা জিনিসে নানাভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে গামছা।

বাংলাদেশে যে গামছা তৈরি হয় তাতে রং ও বুননের অনেক বৈচিত্র্য থাকে। অনেকে আবার কুশন কাভার, পর্দায় গামছার আদলে (দেখতে গামছার মতো তাঁতের কাপড়) তৈরি কাপড়ে বানিইয়ে থাকেন এসব পণ্য। আবার অনেকে সরাসরি গামছাকেই ব্যাবহার করে থাকেন। গামছাকে জড়িয়ে দেওয়া বানানো হচ্ছে ল্যাম্পশেডে, বানানো হচ্ছে কুশন কাভার, লেপের আদলে কুইল্ট ইত্যাদি।

 ল্যাম্পশেড, কুশন কাভার, পর্দা ছাড়াও লোকজ পণ্যগুলোতে (যেমন মাটির পট, মাটির ফটো ফ্রেম আয়না ইত্যাদি) এক টুকরো গামছার কাপড়ের ব্যবহার পুরো জিনিসটাতেই একধরনের নতুনত্ব এনে দেয়। তাই এ ধরনের জিনিস দিয়ে ঘর সাজানোর সময় কিছু বিষয় খেয়াল রাখতে হবে। না হলে ঘর সাজানোর মূল সৌন্দর্যটাই নষ্ট হবে।

চিনির থেকেও বিপজ্জনক কৃত্রিম চিনি

ছবি থেকে জেনে নিন নিজের মানসিক চরিত্র সম্পর্কে

যেমন যে ঘরে এসব পণ্য রাখা হবে, সেই ঘরের আসবাবগুলো দেশীয় উপাদানের, যেমন বেত বা বাঁশের তৈরি হতে হবে। খুব বেশি জমকালো আসবাবের সঙ্গে গামছার পণ্যটা একেবারেই ভালো দেখাবে না। যদি আসবাবটা কাঠের হয়, সে ক্ষেত্রে তা ডার্ক পলিশ হতে হবে। আসবাবের নকশাটাও দেশীয় হতে হবে।

গামছার তৈরি জিনিসের মধ্যে রানারের ব্যবহার বেশ জনপ্রিয়। রানারটা খাবার টেবিলের পাশাপাশি বসার ঘরেও ব্যবহার করতে পারেন। গামছার কাপড়ের রানার তো আছেই চাইলে পাটির চারদিকে চিকন করে গামছা মুড়িয়ে দিয়েও রানার বানিয়ে নিতে পারেন। ঘরের কোনো কোনার টেবিলে ছোট বেতের ম্যাট বানিয়ে চারদিকে গামছা মুড়িয়ে দিন। এর ওপরে মাটির তৈরি ঘোড়া বা পুতুল রেখে দিতে পারেন।

গামছা দিয়ে তৈরি পর্দাও ব্যবহার করতে পারেন। তবে তা শুধু বসার ঘরেই ভালো দেখাবে। এ ক্ষেত্রে বসার ঘরে উজ্জ্বল রঙের সুতার বুননের গামছা লাগাতে পারেন। পুরো বাসা বা ঘরজুড়ে গামছার জিনিস না রাখাই ভালো। ঘরের অল্প কোনো জায়গায় এসব জিনিসের ব্যবহার অন্দরের সৌন্দর্যে যোগ করবে বাড়তি মাত্রা।

শরীর মোছার কাজে ব্যবহৃত এই গামছা দিয়েও যে এত নান্দনিক জিনিস বানানো যায় তাই করে দেখিয়েছিলেন বিবি রাসেল। এতে একদিকে যেমন সমৃদ্ধ হচ্ছে দেশীয় পণ্যের বাজার, অপরদিকে এই শিল্পের সঙ্গে জড়িত অনেক তাঁতিও ফিরে পাচ্ছেন সুদিন।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

লাইফস্টাইল খবর