channel 24

সর্বশেষ

  • পরিসর বাড়ছে ঐক্যফ্রন্টের

  • বাজেটে এবারও গুরুত্ব পায়নি বাণিজ্যিক কৃষি

  • শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে তালিকার শীর্ষে অস্ট্রেলিয়া

  • তিন ম্যাচ পর প্রথম জয়ের দেখা পেলো দক্ষিণ আফ্রিকা

  • পেশাগত দক্ষতা বিবেচনায় সেনা সদস্যদের পদোন্নতির নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

  • ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মুক্তিযোদ্ধাকে লাঞ্ছনার অভিযোগ পুলিশের বিরুদ্ধে

  • পরিবর্তন হল কারাগারের সকালের নাস্তার মেন্যু

  • ব্যবসায়ীকে থানায় নির্যাতন, চার পুলিশ সদস্য সাময়িক বরখাস্ত

  • আকাশের মতোই বিশাল বাবা

  • সাগরে দুই মাস মাছধরা বন্ধে ভালো নেই জেলেরা

  • মাগুরায় আ.লীগের দুপক্ষের সংঘর্ষে আহত ২০

  • আজ মুখোমুখি হবে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারত-পাকিস্তান

  • রামসাগর জাতীয় উদ্যানের গাছ কেটে পাচারের সময় চালক আটক

  • সৌদি তরুণ মুর্তজার ফাঁসি বাতিলের সিদ্ধান্ত

  • টেকনাফে বন্দুকযুদ্ধে ৩ মাদক ব্যবসায়ী নিহত

কোন কুসুম বেশি পুষ্টি? হলুদ না কমলা?

কোন কুসুম বেশি পুষ্টি? হলুদ না কমলা?

শীত, গ্রীষ্ম, বর্ষা যাই হোক না কেন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত নানা পদে ডিমের উপর ভরসা রাখেন বেশির ভাগ মানুষ। ডিম প্রায় প্রতি দিনই সব বাড়িতে কম বেশি আনা হয়। আট থেকে আশি প্রায় সকলেরই ডিম পছন্দের তালিকায়। তবে সাদা ডিম না কি লালচে খোলার ডিম কোনটা ভাল, কোনটা খাওয়া বেশি উপকারী, এ নিয়ে দ্বন্দ্ব রয়েছেই।

ইউনাইটেড স্টেটস ডিপার্টমেন্ট অব এগ্রিকালচার (ইউএসডিএ) এর গবেষকদের মতে, একটি মোটামুটি ৫০ গ্রাম ওজনের ডিমে ৭২ ক্যালোরি ও ৪.৭৫ গ্রাম ফ্যাট ( যার মধ্যে দ্রবণীয় মাত্র ১.৫ গ্রাম) থাকে। সাদা ও লাল ডিমে এই পুষ্টিগুণের পরিমাণ প্রায় এক। সুতরাং লাল হোক বা সাদা, দু’ধরনের ডিমের খাদ্যগুণ বা পুষ্টিগুণ যে প্রায় সমান সে কথা মেনে নিচ্ছেন বিশ্বের বেশির ভাগ পুষ্টিবিদই।

কিন্তু এ তো জানা গেল ডিমের খোলার রং অনুযায়ী তার খাদ্যগুণ বা পুষ্টিগুণ সম্পর্কে। এটা নিশ্চয়ই খেয়াল করেছেন, ডিমের কুসুমের রংও দু’রকমের হয়, হলুদ আর কমলা। কিন্তু কোন রঙের কুসুমের ডিম বেশি স্বাস্থ্যকর তা জানেন?

বেশিরভাগ মানুষেরই ধারণা, কুসুমের রং যত গাড়, ওই ডিম তত স্বাস্থ্যকর। কিন্তু জানেন কী, এই ধারণা কতটা সঠিক?

ইউএসডিএ-র গবেষকদের মতে, কুসুমের রং নির্ভর করে মূলত মুরগির খাবারের ওপর। আর ডিমের কুসুমের রং কমলা হয় ক্যারোটিনয়েড নামের এক রকম রাসায়নিকের প্রভাবে। মুরগি খোলা জায়গায় যত বেশি ঘুরে বেড়ানোর সুযোগ পাবে, তার ডিম ততই গাড় রঙের হবে।  বেশ কিছু খামারে ক্যারোটিনয়েড সমৃদ্ধ খাবার দেওয়া হয় মুরগিকে। যার প্রভাবে ওই সব মুরগির ডিমের কুসুমের রং কমলা হয়। মার্কিন গবেষকদের মতে, দু’টি কারণে কুসুমের রং গাড় হতে পারে। এক,  মুরগিটি খোলা জায়গায় যত বেশি ঘুরে বেড়ানোর সুযোগ পাচ্ছে এবং প্রাকৃতিক খাবার থেকে পুষ্টি আহরণ করছে অথবা তাকে বিশেষ ধরনের খাবার খাওয়ানো হচ্ছে।

মার্কিন গবেষকদরা জানাচ্ছেন, খামারের যে কোনও মুরগির চেয়ে প্রাকৃতিক উপায়ে পুষ্টিকর খাবার খুঁজে খাওয়া মুরগির ডিমে ভিটামিন ই, ভিটামিন এ আর ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিডের পরিমাণ অনেক বেশি থাকে। আর রংও গাড় হয়। তাই কুসুমের রং যাতে গাড় হলুদ বা কমলা হয়, তার জন্য অনেক খামারের মালিক মুরগিকে ক্যারোটিনয়েড সমৃদ্ধ খাবার যেমন লাল ক্যাপসিকাম খাওয়ান। কিন্তু তাতে কুসুমের খাদ্যগুণ বা পুষ্টিগুণে খুব একটা পরিবর্তন হয় না।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

লাইফস্টাইল খবর