channel 24

সর্বশেষ

  • বর্তমানে মাথাপিছু আয় ১ হাজার ৯০৯ ডলার: অর্থমন্ত্রী...

  • চলতি অর্থবছরে জিডিপি হবে ৮.১৩ শতাংশ

  • রাঙ্গামাটির বিলাইছড়ি উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি...

  • সুরেশ কান্তি তঞ্চঙ্গ্যা দুর্বৃত্তের গুলিতে নিহত

  • রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়িতে সন্ত্রাসী হামলায় নিহত ৭ জনের মরদেহ...

  • ময়নাতদন্তের জন্য নেয়া হয়েছে খাগড়াছড়ি জেনারেল হাসপাতালে..

  • আশঙ্কাজনক ৭ জনকে ঢাকা সিএমএইচে আনা হয়েছে...

  • আহত আরও ১০ জন চট্টগ্রাম সিএমএইচে চিকিৎসাধীন...

  • তদন্তের পর দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা: চট্টগ্রামে সিইসি

  • রাজধানীর প্রগতি সরণিতে সড়ক দুর্ঘটনায় বিইউপির ছাত্র নিহত...

  • সড়ক অবরোধ করে শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসীর বিক্ষোভ

হাঁটার উপকার পেতে হলে মেনে চলুন হাঁটার নিয়ম

হাঁটার উপকার পেতে হলে মেনে চলুন হাঁটার নিয়ম

আধুনিক জীবনযাত্রা, পেশাগত চাপ ও খাদ্যাভ্যাসের কারণে যে সব অসুখ আমাদের শরীরে বাসা বাঁধে, তাদের বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই হাঁটাকেই অন্যতম সমাধান হিসাবে বলেন চিকিৎসকরা। ডায়াবিটিস থেকে রক্তচাপ, কোলেস্টেরল থেকে ওবেসিটি সব কিছুরই ওষুধ শুধু মাইলের পর মাইল হাঁটা। কাজের ফাঁকে হাঁটার সময় পাওয়া যাচ্ছে না বলে টেনশনও কম নেই।

অনেকে তো হাঁটাহাঁটির প্রভাব আরও বাড়াতে গাঁটের কড়ি খরচ করে জিমেও ভর্তি হন। কিন্তু আমাদের অনেকেরই ধারণা নেই, কতটা হাঁটা আর কী ভাবে হাঁটা প্রয়োজন। আর এই অজানা কারণেই অনেক সময় নিয়ম মেনে শরীরচর্চা করলেও সহজে ঝরতে চায় না মেদ। অথবা অসুখের ভোগান্তি পিছু ছাড়ে না।

ফিটনেস এক্সপার্ট ও ডায়েট বিশেষজ্ঞের মতে, কতটা হাঁটছি তার চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ কী ভাবে হাঁটছি। মোটামুটি ৩০ মিনিট হাঁটা খুবই জরুরি, কিন্তু এই ৩০ মিনিট মানে, তা কখনওই ভেঙে ভেঙে কয়েক ধাপে নয়। বরং একটানা হেঁটে বা দু’ধাপেই তা ৩০ মিনিট পূর্ণ করা উচিত। এ ছাড়াও হাঁটার জন্য বেশ কিছু নিয়ম মানা দরকার বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। দেখে নিন সে সব।

► এক টানা অনেক ক্ষণ নয়। চেষ্টা করুন অন্তত ৩০ মিনিট থেকে ৪০ মিনিট হাঁটার। এতে হৃৎপিণ্ড যে গতিশীল অবস্থায় পৌঁছায় তার স্থায়ীত্ব বেশ কিছুক্ষণ থাকে। ফলে শরীরের মেদ ঝরাতে বা অসুখ মোকাবিলা করতে সাহায্য করে।

► ধীরে ধীরে বা খুব দ্রুত নয়, বরং ঘণ্টায় ২.৫ থেকে ৩ কিলোমিটার গতিতে হাঁটুন।

► অনেকই বাড়ির ছাদে বা ছোট মাঠের এ মাথা-ও মাথা হাঁটেন। এতে কিন্তু খুব একটা কাজ হয় না। বার বার বাঁক বদলে হাঁটার গতি কমে ও একটানা সোজা পথ ধরে হাঁটার যে উপকার তা মেলে না। বরং চেষ্টা করুন রাস্তা ধরে বা বড় পার্কে একটানা অনেকটা হাঁটতে।

► দিনের যে কোনও একটি নির্দিষ্ট সময় হাঁটার চেষ্টা করুন। খুব ঘড়ি ধরে না পারলেও অন্তত ওই সময়টা মেনে চলুন। এতে শরীরের বায়োলজিক্যাল ক্লক খুব বেশি হেরফের হবে না। যে কোনও রুটিনেই এটা বজায় রাখা জরুরি।

► সকালে হেঁটে এসেই অনেকে চা-কফি খেয়ে ফেলেন, কেউ বা ঘুমিয়েও নেন একটু। এ সব করবেন না। এতে যেটুকু মেদ ঝরিয়ে এলেন, তার অনেকটাই আবার শরীরকে ফেরত দেওয়া হয়।

► পোষ্য নিয়ে হাঁটতে বের হন অনেকে। এতে হাঁটার গতি বাড়ে না, হাঁটায় বাধাও আসে। তাই ওই ভুল নয়। বরং পোষ্য নিয়ে পরে বেড়াতে বেরোন, হাঁটার সময় একা হাঁটুন। এই সময় মোবাইল বা বন্ধুদের সঙ্গে গল্প করতে করতে হাঁটবেন না। মোবাইল ঘাঁটলে বা গল্পের প্রভাবে হাঁটার গতি ও প্রকৃতি স্বাভাবিক থাকে না।

► হাঁটার সময় চেষ্টা করুন স্বাভাবিক পোশাক পরতে। খুব খোলামেলা বা খুব আঁটসাঁট পোশাক শরীরের রক্ত সঞ্চালনকে স্বাভাবিক রাখে না।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

লাইফস্টাইল খবর