channel 24

সর্বশেষ

  • জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নির্বাচনি ইশতেহার ঘোষণা...

  • রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতায় ভারসাম্য আনা...

  • নির্বাচনকালীন সরকারের বিধানসহ ১৪ প্রতিশ্রুতি...

  • পরপর দুবারের বেশি প্রধানমন্ত্রী থাকা যাবে না...

  • পুলিশ ও সামরিক বাহিনী ছাড়া সরকারি চাকরির বয়সসীমা তুলে দেয়া...

  • অনগ্রসর জনগোষ্ঠী ও প্রতিবন্ধী ছাড়া সব কোটা বাতিল...

  • ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিল করা এবং...

  • সংখ্যালঘুদের জন্য আলাদা মন্ত্রণালয় গঠনের প্রতিশ্রুতি

এক সময়ের তৃণভূমি এখন বিস্তীর্ণ মরু

এক সময়ের তৃণভূমি এখন বিস্তীর্ণ মরু

ইউক্রেনের ওলেশকি স্যান্ডস মরুভূমি। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে এক সময়ের তৃণভূমি এখন বিস্তীর্ণ মরু। কৃষ্ণ সাগরের পাড় ঘেষা এই বালুকায় দেখা মেলে নয়নাভিরাম সূর্যাস্ত। যার জন্য ওলেশকি স্যান্ডস এখন জনপ্রিয় পর্যটকদের কাছে। সরকারি হিসাবে এবছরই ওলেশকি ঘুরে গেছেন আড়াই হাজারেরও বেশি পর্যটক।

বালুর সাগরে ডুবন্ত সূর্য। পানির মতো ঝলমলে রূপ না নিলেও, শেষ গোধুলির আভায় সোনা রঙ ছড়াতে নিতান্তই ভুল হয় না এখানে।

বলছি ইউক্রেনের মরুভূমি ওলেশকি স্যান্ডের কথা। কৃষ্ণ সাগরের পাশেই সম্পূর্ণ বিপরীত বৈশিষ্ট্যের সহাবস্থান। ১৬১০ বর্গকিলোমিটারের এই মরুতে দেখা মেলে চোখ জুড়ানো সূর্যাস্তের রূপ।

শুধু তাই নয়, আকার পরিবর্তন করা বালির পাহাড়, মরুদ্যান আর বালুকা ঝড়েরও অস্তিত্ব রয়েছে এখানে। তবে ব্যতিক্রমটা হচ্ছে, অন্যসব মরুভূমির মতো নিষ্প্রাণ নয় এর লেক বা জলাশয়। এসব লেকে এখনো মেলে মাছ। কিছুদূর পর পর রয়েছে সদ্য জন্ম নেয়া ঘাস আর লতাগুল্ম।

এক সময় নাকি এমন অনুর্বর ছিলো না বিস্তৃত এই বালুকাভূমি। ওলেশকি স্যান্ডস নামের এই মরু ছিলো তৃণভূমি। চড়ে বেড়াতো পশুও। তবে ১৮ ও ১৯ শতকে অতিরিক্ত পশুচারণে ধীরে ধীরে কমতে থাকে ঘাস।

ইকোলজিস্ট ভোলোদিমির শেলুদকো মন্তব্য করেন, মরুভূমিটা ধীরে ধীরে বাড়ছিলো। শুষ্কতা ক্রমে মানব বসতির কাছে চলে আসছিলো। এটা বন্ধ করতে এখানকার বাসিন্দারা মরুর তীর ঘেষে পাইন গাছ লাগানো শুরু করে। প্রথমে গাছ না জন্মালেও এখন এগুলো বেশ ভালোই বাড়ছে।

ওলেশকি মরুর অদ্ভূত সৌন্দর্য ইদানিং জনপ্রিয়তা পেয়েছে দেশি বিদেশি পর্যটকদের কাছে।

একজন পর্যটক মাইকোলা ফিসায়ুক বলেন, প্রথমে ভেবেছিলাম যে, কালো মাটির ইউক্রেনে কি আর দেখার আছে। তবে এখানে এসে সেই ধারণা বদলে গেছে। নজরকারা মরুর সৌন্দয্যের পাশেই বনভূমি অন্যরকম আনন্দ দেয় চোখকে।

২০১০ সালে একে জাতীয় উদ্যান ঘোষণা করে ইউক্রেন।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

লাইফস্টাইল খবর