channel 24

সর্বশেষ

  • কুমিল্লায় সিজারে নবজাতক দ্বিখণ্ডিত: আয়া ও পরিচ্ছন্নতাকর্মী সাময়িক বরখাস্ত

  • বিশেষায়িত হাসপাতালে খালেদা জিয়ার চিকিৎসা বিষয়ে...

  • রিটের শুনানি ১ অক্টোবর পর্যন্ত মুলতুবি

  • রোহিঙ্গা ইস্যুতে বিশ্ব নেতাদের একসাথে কাজ করতে প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান

  • নির্বাচনে সৎ ও যোগ্য প্রার্থীকে মনোনয়ন দেয়ার আহবান রাষ্ট্রপতির

  • ১৮ ঘণ্টা পর শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ি রুটে স্বল্প পরিসরে ফেরি চলাচল শুরু

  • ১০ ঘণ্টা পর রাজধানীর মহাখালী টার্মিনাল থেকে বাস চলাচল শুরু

  • চট্টগ্রামে আলাদা সড়ক দুর্ঘটনায় অন্তত ৬ জন নিহত

বিমান দুর্ঘটনার জন্য কুখ্যাত নেপালের ত্রিভুবন এয়ারপোর্ট 

বিমান দুর্ঘটনার জন্য কুখ্যাত নেপালের ত্রিভুবন এয়ারপোর্ট 

বিমান দুর্ঘটনার জন্য কুখ্যাত নেপালের ত্রিভুবন এয়ারপোর্ট।

পাহাড় ঘেরা এই বিমানবন্দরটি কাঠমাণ্ডু উপত্যকায় এবং শহরের কেন্দ্র থেকে প্রায় ৬ কিলোমিটার দূরে। আন্তর্জাতিক বিমান অবতরণ শুরুর পর প্রায় ৬০ বছরের পুরনো এয়ারপোর্টটিতে এ পর্যন্ত ৭০ টি ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটেছে। যাতে প্রাণ হারিয়েছেন বাংলাদেশিসহ প্রায় ৭শ মানুষ। নেপালের ত্রিভুবন বিমানবন্দর যেন মৃত্যুকূপের নাম। রাজধানী কাঠমান্ডু থেকে ৬ কিলোমিটার দূরে এর অবস্থান। নেপালের রাজা মাহেন্দ্রা ১৯৫৫ সালে বিমানবন্দরটি উদ্বোধন করেন। তারপর থেকেই নিয়মিত বিরতিতে একের পর এক বিমান গ্রাস করতে থাকে ত্রিভুবন। 

সর্বশেষ ইউএস-বাংলা এয়ার লাইন্সের ড্যাশ 8 Q400 বিমানটি গ্রাস করলো ত্রিভুবন। কেড়ে নিলো অর্ধশত প্রাণ। যেখানে বাংলাদেশি ও নেপালি'সহ চার দেশের নাগরিক ছিলেন। ত্রিভুবনে অবতরণের পর এখন পর্যন্ত ৭০টিরও বেশি বিমান দুর্ঘটনার শিকার হয়েছে। যাতে প্রাণ গেছে প্রায় ৭শ জনের। বিভিন্ন সময় এসব দুর্ঘটনার মধ্যে ১৫টি দুর্ঘটনার শোক চিরদিনই বয়ে বেড়াবেন স্বজনরা। ১০ মে ১৯৭২, থাই এয়ারওয়েজের ডগলাস ডিসি-৮ বিমান বিধ্বস্তের মধ্যদিয়ে ত্রিভুবনে প্রাণহানির সূচনা। ঐ দুর্ঘটনায় প্রাণ যায় ১১০ জনের। তারপর ১৯৯২র ৩১ জুলাই ও ২৮ সেপ্টেম্বর আবারো থাই বিমান এবার মৃত্যুকূপ ত্রিভুবনে প্রাণ হারান ২৮০ জন। ১৯৯৫র ১৭ জানুয়ারি নেপাল রয়েল এয়ার ওয়েজের একটি বিমান বিধ্বস্তে নিহত হন ২ জন।

২০১০ সালে আবারো জোড়া আঘাত হানে ত্রিভুবন। ২৪ আগস্ট ও ১৫ ডিসেম্বর দুটি দুর্ঘটনায় মারা যান ৩৬ জন। পরের বছর ২৫ সেপ্টেম্বর বুদ্ধ বিমান বিধ্বস্ত হয়ে প্রাণহানি ঘটে ১৯জনের। ২০১২র ২৮ সেপ্টেম্বর সিতা এয়ারের একটি বিমান ত্রিভুবন থেকে উড়ার পর একটি শকুনের সাথে ধাক্কা লেগে বিধ্বস্ত হয়। এতে প্রাণ যায় ১৯ জনের। তিন বছর শান্ত থেকে ২০১৫ সালের ৪ মার্চ ফের আগ্রাসী হয়ে ওঠে ত্রিভুবন। কিন্তু ঐ যাত্রায় তুর্কি বিমানের ২২৭ জন যাত্রি প্রাণে বাঁচেন কোনো মতে। গত বছর ২৭মে সামিট এয়ারওয়েজের একটি বিমান দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। এতে প্রাণ যায় দুইজনের।

সর্বশেষ সংবাদ

আন্তর্জাতিক খবর