channel 24

সর্বশেষ

  • নয়াপল্টনে বিএনপি নেতাকর্মীদের সাথে পুলিশের ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া...

  • ইটপাটকেল-টিয়ারশেল নিক্ষেপ; পুলিশের গাড়ি ভাঙচুর ও আগুন

চীনের সবচেয়ে ক্ষমতাবান নেতা শি চিন পিং 

চীনের সবচেয়ে ক্ষমতাবান নেতা শি চিন পিং 

সংবিধানে আজীবন প্রেসিডেন্ট থাকার নীতি যুক্ত করার মধ্যদিয়ে মাও সেতুংয়ের মৃত্যুর ৪০ বছর পর চীনের সবচেয়ে ক্ষমতাবান নেতা এখন শি চিন পিং। 

ক্ষমতাসীনরা একে দেশের স্থিতিশীলতা ও উন্নয়নে সহায়ক হিসেবে দেখছেন। তবে একে একনায়কতন্ত্রের সঙ্গে তুলনা করেছেন দেশটির রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। তাদের শঙ্কা, ১৩৮ কোটি মানুষের দেশটিতে দীর্ঘমেয়াদে এর ফল হবে ভয়াবহ। আমৃত্যু চীনের প্রেসিডেন্ট থাকবেন সি চিন পিং। নির্দিষ্ট মেয়াদ বিলুপ্ত করে ঐতিহাসিক এমন আইন পাসে চলছে নানা সমীকরণ। চীনের ক্ষমতাসীন কমিউনিস্ট নেতাদের দাবি, এর মধ্য দিয়ে দেশটির অর্থনৈতিক উন্নয়ন সুদৃঢ় হবে। একে দেশের শান্তি ও স্থিতিশীলতার সহায়কও বলছেন তারা। এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। ক্ষমতার রশি এখন থাকবে চিনপিংয়েরে হাতে। এতে করে দেশ ও দলের স্থিতিশীলতা বজায় থাকবে। 

নেতৃত্বে স্থিতিশীলতা আসলেই দেশের উন্নয়ন ঘটবে। একমাত্র চিন পিংয়ের নেতৃত্বেই চীন আরো উন্নতির দিকে যাবে। অবশ্য অনেক রাজনৈতিক বিশ্লেষক একে তুলনা করছেন একনায়কতন্ত্রের সাথে। বলা হচ্ছে, ১৩৮ কোটি মানুষের দেশটিতে দীর্ঘমেয়াদে এর ফল হবে ভয়াবহ। অনেকের শঙ্কা, শি চিনপিং কে ঘিরে ক্ষমতাসীন কমিউনিস্ট পার্টিতে বাড়বে, বিভাজন। এ সিদ্ধান্ত দেশটিকে পেছনের দিকে ঠেলে দিলো। ক্ষমতাসীন আর বুদ্ধিজীবী সম্প্রদায়ের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি করবে। তারা অনেকেই একে মাওবাদী নেতৃত্বের সাথে তুলনা করছেন। আগে রাশিয়ায় পুতিন, তুরস্কে এরদোয়ানের নাম উচ্চারিত হতো একনায়ক হিসেবে। এখন এ তালিকায় যুক্ত হলো শি চিনপিংয়ের নাম। এটি পশ্চিমাদেরও ভাবিয়ে তুলবে। 

১৯৯০ তে দুই মেয়াদে প্রেসিডেন্ট থাকার বিধান আরোপ করে চীন। সে অনুযায়ী, ২০২৩ সালে মেয়াদ শেষ হবার কথা ছিলো চিনপিংয়ের। ২০১২ তে চীনের প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব নেয়ার পরই নিজ দলের ১০ লাখের বেশি সদস্যকে বিচারের মুখোমুখি করেন শি চিনপিং। তার বিরুদ্ধে ভিন্নমত, মুক্তচিন্তা দমন ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম নিয়ন্ত্রনের অভিযোগ রয়েছে। 

 

সর্বশেষ সংবাদ

আন্তর্জাতিক খবর