channel 24

সর্বশেষ

  • দিল্লিতে সহিংসতার প্রতিবাদ জানিয়েছে ছাত্র অধিকার পরিষদ

  • অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের সময় র‍্যাবের হাতে লাঞ্ছিত ম্যাজিস্ট্রেট

  • ব্যাংক খালি হয়ে গেছে: হাইকোর্ট

  • ডাকঘর সঞ্চয়ে সুদহার আগের মতোই থাকছে: অর্থমন্ত্রী

  • দুদককে নিয়ে টিআইবির প্রতিবেদন সত্য নয়: দুদক সচিব

  • একে একে বেরিয়ে আসছে পাপিয়ার নানা পাপ

  • উন্নত চিকিৎসায় সম্মত হননি খালেদা জিয়া

  • দিল্লিতে গুজরাটের ছায়া; শিশু ও গোয়েন্দা কর্মকর্তাসহ প্রাণ গেছে ২৩ জনের

  • কোনো ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান বন্ধ হলে গ্রাহকরা সব টাকা পাবেন

  • ঢাকা মেডিকেলে পরজীবী শিশু আলাদা করে সফল অস্ত্রোপচার

  • ভর্তি পরীক্ষা হবে ৪টি গুচ্ছ পদ্ধতিতে, থাকছে না ঢাকাসহ ৫টি বিশ্ববিদ্যালয়

  • কোনো নারী বিয়ে পড়াতে পারবেন না: হাইকোর্ট

  • কাপ্তাই হ্রদের পানি কমছে ধীরগতিতে, ফসল নিয়ে দু:চিন্তায় চাষীরা

  • দেশের পুঁজিবাজারে বড় পতন

  • অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে কঠিন পরীক্ষায় নামছে বাংলাদেশ নারী দল

২০ বছরের মধ্যেই মহাবিপর্যয় নেমে আসতে পারে: বিজ্ঞানীদের প্রতিবেদন

২০ বছরের মধ্যেই মহাবিপর্যয় নেমে আসতে পারে: বিজ্ঞানীদের প্রতিবেদন

জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে যে ক্ষতি ২০ বছর পরে হওয়ার কথা ছিল তা এখনই হচ্ছে। কারণ, কার্বণ নিঃসরণ বেড়ে যাওয়ায় তাপমাত্রা বাড়ছে ধারণার চেয়েও বেশি। যদি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থ্য না নেয়া হয়, ৫০ বছর পর যে মহাবিপর্যয় হওয়ার আশঙ্কা আছে, তা আগামী ২০ বছরের মধ্যেই হতে পারে। জাতিসংঘের জলবায়ু সম্মেলনকে সামনে রেখে বিজ্ঞানীরা যে প্রতিবেদন দিয়েছেন, তাতে এই ভয়াবহ চিত্র উঠে এসেছে।

যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতে যখন বিতর্ক হয় জলবায়ু পরিবর্তন আসল নাকি ভুয়া তখন তাদের শিশুরা ভবিষ্যৎ নিয়ে শঙ্কিত। গত শুক্রবার সারা বিশ্বের মত নিউইয়র্কের রাজপথেও লাখো শিশু বিক্ষোভ করেছে জরুরী পদেক্ষপেরে দাবিতে। অথচ ট্রাম্পের যুক্তরাষ্ট্র প্যারিস জলবায়ু চুক্তি থেকে বেড়িয়ে গেছে।

জাতিসংঘের জলবায়ু সম্মেলন সামনে রেখে বিজ্ঞানীরা একটি প্রতিবেদন দিয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রাক শিল্প যুগ তথা ১৮৫০ সাল থেকে ১৯০০ সালের তুলনায় পৃথিবীর তাপমাত্রা বেড়েছে ১.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ২০১১ সাল থেকে ২০১৫ সালের তুলনায় ০.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ২০১৫ সাল থেকে ২০১৯ সাল, এই পাঁচ বছর ইতিহাসের সবচেয়ে বেশি উষ্ণ বছর। যার জন্য দায়ী অধিক মাত্রায় কার্বণ নিঃসরণ।

কার্বণ নিঃসরণের পরিমাণ প্রতি বছর ২ শতাংশ বাড়ছে। ২০১৮ সালে কার্বণ নিঃসরণ হয়েছে ৩৭ বিলিয়ন টন। ফলে তাপমাত্রা বাড়ছে, সেই সাথে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে প্রাকৃতিক দুর্যোগ। গলছে বরফ, বাড়ছে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা। ভিটেছাড়া হচ্ছে মানুষ, বাড়ছে রোগ বালাই।

বিজ্ঞানীরা বলছেন, পৃথিবী ও মানব সভ্যতাকে বাঁচাতে হলে কার্বণ নি:সরণ দ্রুততম সময়ের মধ্যে কমাতে হবে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

আন্তর্জাতিক খবর