channel 24

ব্রেকিং নিউজ

  • ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মন্দবাগে তূর্ণা নিশীথা ও উদয়ন এক্সপ্রেসের সংঘর্ষে...

  • নিহত অন্তত ১৬; রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শোক...

  • ৫ জনের পরিচয় নিশ্চিত; একজন হবিগঞ্জ জেলা ছাত্রদল সহসভাপতি...

  • রেল চালকদের আরও উন্নত প্রশিক্ষণ প্রয়োজন: প্রধানমন্ত্রী...

  • নিহতদের পরিবারকে ১ লাখ ও আহতদের ১০ হাজার টাকা ক্ষতিপূরণ: রেলমন্ত্রী...

  • তূর্ণা নিশীথা ট্রেন সিগন্যাল অমান্য করে: প্রত্যক্ষদর্শীদের অভিযোগ...

  • তদন্তে ৫টি কমিটি; তূর্ণা নিশীথার ২ সহকারী পরিচালক সাময়িক বরখাস্ত...

  • কুমিল্লা মেডিকেলসহ আশপাশের হাসপাতালে আহতদের চিকিৎসা চলছে...

  • প্রায় ৮ ঘণ্টা পর রেল যোগাযোগ স্বাভাবিক

ট্রাম্পের গ্রীনল্যান্ড কেনার ইচ্ছা হাস্যকর: ডেনিশ প্রধানমন্ত্রী

ট্রাম্পের গ্রীনল্যান্ড কেনার ইচ্ছা হাস্যকর: ডেনিশ প্রধানমন্ত্রী

গেলো সপ্তাহে বিশ্বের বৃহত্তম দ্বীপ গ্রীনল্যান্ড কেনার ইচ্ছা প্রকাশ করে, নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। প্রতি বছর অন্তত ৭০ কোটি মার্কিন ডলারের আর্থিক ক্ষতির কারণে, দ্বীপটির মালিক ডেনমার্কের জন্য অর্থনৈতিক বোঝায় পরিণত হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন তিনি। তবে বিশ্লেষকরা বলছেন, প্রাকৃতিক সম্পদ, সামরিক ও বাণিজ্যিকসহ নানা কারণেই এ দ্বীপটি কেনার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন ট্রাম্প। তাঁর মন্তব্যকে হাস্যকর দাবি করেছেন ডেনিশ প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডরিকসন। আর দ্বীপটি বিক্রির জন্য নয় বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন গ্রিনল্যান্ডর প্রধানমন্ত্রী কিম কিয়েলসন।

নান্দনিক সৌন্দর্যের বিশ্বের বৃহত্তম দ্বীপ গ্রিনল্যান্ড। ২১ লাখ ৬৬ হাজার বর্গকিলোমিটার আয়তনের এই দ্বীপটির অবস্থান, উত্তর ও আটলান্টিক মহাসাগরের মাঝে। ৫৮ হাজার মানুষের বসবাস এই দ্বীপের ৮০ শতাংশই বরফে ঢাকা।

ভৌগলিকভাবে উত্তর আমেরিকার কাছে হলেও, দ্বীপটির মালিকানা ডেনমার্কের। আর ইউরোপের সাথেই দ্বীপটির শত বছরের রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক মেলবন্ধন। ১৯৭৯ সাল থেকে দ্বীপটি স্বায়ত্বশাসিত।

তবে ট্রাম্পই প্রথম মার্কিন প্রেসিডেন্ট নন, যিনি গ্রিনল্যান্ড কিনতে চাইলেন। এর আগে ১৯৪৬ সালে দ্বীপটি কিনতে ডেনমার্ককে, ১০ কোটি মার্কিন ডলার প্রস্তাব দিয়েছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট হ্যারি এস ট্রুম্যান।

মাছ আহরণ ও পর্যটন গ্রিনল্যান্ডের অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি হলেও, এখানে প্রাকৃতিক সম্পদের বিশাল মজুদ আছে বলে ধারণা করা হয়। বিশেষ করে আকরিক লোহা ও বিরল কয়েকটি খনিজ সম্পদের কারণে দিন দিন বাণিজ্যিক গুরুত্ব বাড়ছে দ্বীপটির।   

মার্কিন সেনাবাহিনীর জন্যও  সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে গ্রিনল্যান্ড। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর থেকেই এক চুক্তির মাধ্যমে এখানে সামরিক উপস্থিতি রয়েছে যু্ক্তরাষ্ট্রের।

দ্বীপটির প্রতি আগ্রহ প্রকাশ করেছে চীনও। ২০১৮ সালে গ্রীনল্যান্ডে নতুন বিমানবন্দর ও খনিজ সম্পদ উত্তোলন সুবিধা তৈরিতে আগ্রহ প্রকাশ করেছিলো দেশিটি।

তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, গ্রিনল্যান্ড নিয়ে বিশ্বের পরাশক্তিগুলোর এই আগ্রহ, নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে অঞ্চলটিতে। খনিজসম্পদ আহরণ করতে গিয়ে পরিবেশ ধ্বংসেরও আশঙ্কা রয়েছে।

তবে গ্রিনল্যান্ড কেনার প্রস্তাবকে হাস্যকর বলে উড়িয়ে দিয়েছেন ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডরিকসন। এরপরই আগামী মাসে ডেনমার্ক সফর বাতিল করেছেন ট্রাম্প। আর গ্রিনল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী কিম কিয়েলসনও জানিয়ে দিয়েছেন, দ্বীপটি বিক্রির জন্য নয়।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

আন্তর্জাতিক খবর