channel 24

সর্বশেষ

  • স্প্যানিশ লিগে ভিন্ন ম্যাচে নামবে বার্সা-রিয়াল

  • ইংলিশ লিগে রাতে লড়বে ম্যান সিটি-লেস্টার, চেলসি-টটেনহ্যাম

  • ইরানে ১১তম সংসদ নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশ আজ

  • বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে প্রদর্শনী ঘুরে দেখলেন প্রধানমন্ত্রী ও শেখ রেহানা

  • করোনাভাইরাসে ইতালিতে একজনের মৃত্যু, আক্রান্ত ১৬

  • লাখো মোমবাতির আলোয় উজ্জ্বল নড়াইল

  • বসানো হলো পদ্মা সেতুর ২৫তম স্প্যান, দৃশ্যমান ৩৭৫০ মিটার

  • আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের ব্যানারে বীরশ্রেষ্ঠদের ছবি!

  • চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে সর্বস্তরের মানুষের ঢল

  • অভিনব প্রতারনা!

  • টেকনাফে গোলাগুলিতে যুবক নিহত

  • চট্টগ্রামে ১৪ হাজার ইয়াবাসহ সেনা সদস্য আটক

  • কুষ্টিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় জাতীয় হ্যান্ডবল দলের গোলরক্ষক সোহান নিহত

  • জাতিধর্ম আর দলমত নির্বিশেষে সবাই এককাতারে

  • নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ: ভারতের কাছে হারলো অস্ট্রেলিয়া

জাতিবিদ্বেষী মন্তব্যে ক্ষমা চাইলেন জাকির নায়েক

জাতিবিদ্বেষী মন্তব্যে ক্ষমা চাইলেন জাকির নায়েক

সম্প্রতি মালয়েশিয়ায় জাতিবিদ্বেষী মন্তব্যের জন্য ক্ষমা চাইলেন ভারতের বিতর্কিত ইসলামী বক্তা জাকির নায়্কে। স্পর্শকাতর মন্তব্যের জেরে সৃষ্ট ভুল বোঝাবুঝির কারণে ক্ষমা চান তিনি।

জাকির নায়্কে জানান, তিনি বর্ণবাদী নন। তার বক্তব্যের অংশবিশেষ অতিরঞ্জিতভাবে প্রকাশ করা হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

মঙ্গলবার (২০ আগস্ট) মালয়েশিয়ার জাতিগত ও সংখ্যালঘুদের লক্ষ্য করে স্পর্শকাতর মন্তব্য করায় পুলিশের জেরার মুখে পড়েন তিনি। প্রায় ১০ ঘন্টা তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। এর কয়েক ঘণ্টা পর ক্ষমা চান তিনি।

চলতি মাসের শুরুতে জাকির নায়েক ধর্মীয় অনুষ্ঠানে জাতিগত বৈষম্যমূলক বক্তব্য প্রদান করেন বলে অভিযোগ ওঠে। এক বক্তব্যে তিনি বলেন, ভারতীয় মুসলিমদের তুলনায় শতভাগ বেশি অধিকার ভোগ করেন মালয়েশিয়ায় বসবাসকারী হিন্দুরা। চীনারা একসময় মালয়েশিয়ার মেহমান ছিল। যেখানে তিন কোটি ২০ লাখ জনসংখ্যার ৬০ শতাংশ মুসলমান আর বাকিরা চীনা ও ভারতীয়। সেখানে ভারতীয়দের সিংহভাগ হিন্দু ধর্মাবলম্বী।

এ ঘটনায় মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী মাহাথির মোহাম্মদ জাকির নায়েক সীমা লঙ্ঘন করেছেন বলে মন্তব্য করেন।

এরআগে মালয়েশিয়ার অন্তত ৭টি রাজ্যে তার বক্তৃতা নিষিদ্ধ করা হয়।   

২০১৬ সালে ভারতে তাঁর বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাৎ ও বিদ্বেষমূলক বক্তব্য ছড়ানোর অভিযোগ তোলা হয়। এরপর তাঁর প্রতিষ্ঠান ইসলামিক রিসার্চ ফাউন্ডেশন (আইআরএফ) ও ধর্মীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করে  দেওয়া হয়।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

আন্তর্জাতিক খবর