channel 24

সর্বশেষ

  • ভবিষ্যতে কেউ যাতে দেশের মানুষের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি...

  • খেলতে না পারে সে ব্যাপারে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সতর্ক থাকতে হবে...

  • ১৫ আগস্টের হত্যাকাণ্ডে জিয়াউর রহমান জড়িত ছিলেন বলেই...

  • খন্দকার মোশতাক তাকে সেনাপ্রধান করেছিলেন...

  • শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসের আলোচনায় প্রধানমন্ত্রী

  • ব্রিটেনে নির্বাচনে জয়ী হওয়ায় বরিস জনসনকে প্রধানমন্ত্রীর অভিনন্দন

  • শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের স্মরণে পুরো দেশ...

  • মিরপুরে শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

  • যুদ্ধাপরাধী জামায়াত নেতা কাদের মোল্লাকে 'শহীদ' বলায়...

  • দৈনিক সংগ্রামের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া উচিত: ওবায়দুল কাদের

  • জাতীয় ঐক্যের মাধ্যমে দেশে গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনতে হবে: ফখরুল

  • মুন সিনেমার মালিকানা নিয়ে সংবিধান সংশোধনী...

  • কতটা যৌক্তিক, প্রশ্ন সাবেক বিচারপতি আব্দুল মতিনের

  • বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রী রুম্পার শরীরে ধর্ষণের আলামত মেলেনি: চিকিৎসক...

  • কাল পুলিশের কাছে দেয়া হবে প্রাথমিক প্রতিবেদন

  • সাময়িক বন্ধ থাকার পর স্বাভাবিক হয়েছে তামাবিল সীমান্তে যাত্রী চলাচল

  • সড়ক দুর্ঘটনায় পাবনার আটঘরিয়ায় জামাই-শ্বশুর নিহত

ক্রমেই ভয়ঙ্কর হয়ে উঠছে সাগরপথে ইউরোপ যাত্রা

ক্রমেই ভয়ঙ্কর হয়ে উঠছে সাগরপথে ইউরোপ যাত্রা

ক্রমেই ভয়ঙ্কর হয়ে উঠছে সাগরপথে ইউরোপ যাত্রা। ভূমধ্যসাগর থেকে আটক বাংলাদেশিসহ অনেকেরই ঠাঁই হচ্ছে লিবিয়ার শরণার্থী বন্দিশিবিরে। গেল মাসে হাফতার বাহিনীর বিমান হামলার কারণে আতঙ্ক আর অনিশ্চয়তায় দিন কাটছে অভিবাসীদের। বন্দিশিবিরে নেই পর্যাপ্ত খাবার, জীবনধারণের ন্যূনতম সুবিধাটুকুও। তাই এ সব বন্দিশালা বন্ধের দাবি জানিয়েছে জাতিসংঘ।

আহমেদ সালেহ ইব্রাহিম নামে ১৯ বছরের এক যুবক সুদানের পূর্বাঞ্চলের কাসালা থেকে এসেছেন। সংঘাত থেকে প্রাণ বাঁচাতে জন্মভূমি ছাড়লেও; লিবিয়ার সাবাহ বন্দিশিবিরে তিনি ব্যস্ত বেঁচে থাকার সংগ্রামে।

বিশুদ্ধ পানি আর খাবারের সংকট তো আছেই; যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশটিতে হঠাৎই গোলার আঘাতে বেঘোরে প্রাণ হারানোর শঙ্কাও রয়েছে।

অভিবাসীরা বলছে, 'চার মাস ধরে এখানে আছি। খাবারের অভাবের পাশাপাশি নেই পরিচ্ছন্নতার তেমন উপকরণ। এছাড়া, রাতে মশাদের দখলে চলে যায়, পুরো বন্দিশিবির।'

তবে, এত সমস্যার মধ্যেও নিজ দেশে ফিরতে চান না এই যুবক। কারণ, সেখানকার অবস্থা আরও খারাপ। বন্দিশিবিরের এ সব সমস্যার কথা স্বীকার করলেন কর্তৃপক্ষও। 

 সাবাহ বন্দিশিবিরের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ জিবরিল বলেন, খাদ্য, পানি, চিকিৎসা সেবাসহ বন্দিশিবিরটি পরিচালনার জন্য অনেক কিছুই প্রয়োজন। এগুলো নিশ্চিত করা গেলেই, কেবল এখানকার পরিস্থিতির উন্নতি সম্ভব।
 
লিবিয়ার সাবাহর এই বন্দিশিবিরের ধারণ ক্ষমতা ৪৫ জনের। তবে, অনেককেই তাদের দেশে পাঠিয়ে দেয়া হয়েছে।

মোহাম্মদ জিবরিল বলেন, আটক অভিবাসীর সংখ্যা এখন কম। তামানহিন্ট বিমানবন্দর দিয়ে অনেককেই নিজ দেশে পাঠানো হয়েছে।

লিবিয়ার বাকি বন্দিশিবিরগুলোর অবস্থাও প্রায় একই রকম। যাতে মানবেতর জীবন কাটাচ্ছেন, অন্তত ৬ হাজার অভিবাসী। এছাড়া, জুলাইয়ের প্রথম সপ্তাহে, বিমান হামলায় ত্রিপোলীর তাজোরা বন্দিশিবিরে প্রাণ হারান, নারী-শিশুসহ অন্তত অর্ধশত অভিবাসী।

এমন পরিস্থিতিতে লিবিয়ার বন্দিশিবিরগুলো বন্ধের আহ্বান জানিয়েছে জাতিসংঘ। কিন্তু, এগুলো বন্ধ হলে, আটক অভিবাসীদের কী হবে, সে ব্যাপারে কোনো সিদ্ধান্ত জানায়নি তারা।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

আন্তর্জাতিক খবর