channel 24

সর্বশেষ

  • ঈদের আগের ৭ ও পরের ৫ দিন সিএনজি ও পেট্রোল পাম্প ২৪ ঘণ্টা খোলা...

  • আগের ৩ দিন ট্রাক, কাভার্ড ভ্যান চলাচল বন্ধ থাকবে: কাদের

  • ভারতের লোকসভা নির্বাচন: বিজেপি জোট এগিয়ে ৩২৬ আসনে...

  • কংগ্রেস জোট ১০৫ আসনে; পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি-তৃণমূল হাড্ডাহাড্ডি লড়াই...

  • বসিরহাটে এগিয়ে নুসরাত; যাদবপুরে মিমি চক্রবর্তী; ঘাটালে এগিয়ে দেব

লোকসভা নির্বাচনে প্রচারণায় বড় ক্ষেত্র ফেসবুক-ইউটিউব

লোকসভা নির্বাচনে প্রচারণায় বড় ক্ষেত্র ফেসবুক-ইউটিউব

দিনের বেশিরভাগ সময় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কাটান ভারতীয়দের একটি বিশাল অংশ। তাই, লোকসভা নির্বাচন ঘিরে, ফেসবুক-ইউটিউবসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমকে এবার গুরুত্ব দিয়েছে, ভারতের প্রধান দুই দল-বিজেপি ও কংগ্রেস।

ভারতীয় ফ্যাক্ট চেকার 'অল্টার নিউজের' জরিপ বলছে, গেল দেড় মাসে ফেসবুকে রাজনৈতিক বিজ্ঞাপণের বাজার মূল্য ছাড়িয়েছে প্রায় ৩৫ লাখ ডলার। যার বেশিরভাগই বিজেপির।

ভারতের ১৬ তম লোকসভা নির্বাচনে ডিজিটাল প্রচারণায় কাড়ি কাড়ি অর্থ ঢালছে রাজনৈতিক দলগুলো। বলিউডি ধারার মিউজিক ভিডিওকে প্রচারণার অন্যতম প্রধান হাতিয়ার বানিয়েছে বড় দুই রাজনৈতিক দল বিজেপি ও কংগ্রেস।

বর্তমান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির 'ম্যায় ভি চৌকিদার' শ্লোগানকে প্রচারণা সঙ্গীত বানিয়েছে বিজেপি। আর ইউটিউবে এই মিউজিক ভিডিওটিতে রয়েছে লাখ লাখ ফলোয়ার।

পিছিয়ে নেই কংগ্রেসও। সাম্প্রদায়িক ও অর্থনীতির জন্য ক্ষতিকর অ্যাখ্যা দিয়ে, বিজেপির বিরুদ্ধে প্রচারণা চালাচ্ছে তারা। ভারতের উন্নয়নে কংগ্রেসই একমাত্র বিকল্প দাবি করে, তারাও বানিয়েছে মিউজিক ভিডিও।

ভারতীয় ফ্যাক্ট চেকার অল্টারনিউজের জরিপ অনুযায়ী, মার্চ মাসের প্রথম দু সপ্তাহে ফেসবুকে রাজনৈতিক বিজ্ঞাপণগুলোর বাজার মূল্য ছাড়িয়েছে প্রায় ৩৫ লাখ ডলার। আর এসব বিজ্ঞাপণের সিংগভাগই ক্ষমতাসীন বিজেপির।

ডিজিটাল মার্কেটার সঞ্জয় বাসুদেভা বলেন, নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা গোষ্ঠীকে টার্গেট করে খুব সহজেই আপনার বার্তা তাদের কাছে পৌঁছে যাবে এখানে। অন্যান্য মাধ্যম থেকে সাশ্রয়ী হওয়ায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমকেই বেছে নিচ্ছে রাজনৈতিক দলগুলো। গেলো নির্বাচনের পর থেকেই, দিনকে দিন এটি আরো জনপ্রিয় হচ্ছে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেই বেশির ভাগ সময় কাটান ভারতীয়দের একটি বিশাল অংশ। নির্বাচনের বিভিন্ন খবরাখবর জানতে, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দলগুলোর অফিসিয়াল পেজ ও গ্রুপগুলোতে চোখ রাখছেন তারা। তাদের রাজনৈতিক চিন্তায় প্রভাব ফেলতেই, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমকে বেছে নিচ্ছে নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী দলগুলো।   

প্রযুক্তি আইন বিশেষজ্ঞ অপার গুপ্তা বলছেন, ভারতে প্রতি ১০ জনের ৪ জনই অনলাইনে থাকেন। কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ আসনসহ বেশ কয়েকটি আসনের নির্বাচনি মতামত গঠনে ভালোই প্রভাব ফেলবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলো। তাই যারা এটির যথাযথ ব্যবহার করতে পারবে তাদেরই নির্বাচন জেতার সম্ভাবনা বেশি।

তরুণ ভোটারদের মধ্যে রাজনৈতিক সম্পৃক্ততার ক্ষেত্রে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে রাজনৈতিক ইস্যুতে সবসময়ই সতর্ক দৃষ্টি রাখছেন তরুণ, বিশেষ করে প্রথমবার ভোট দিবেন এমন ভোটাররা।    

ইতিহাস ছাত্র সার্থক সিং দালাল বলছেন, র‍্যালি মিছিলে নিষ্ক্রিয় দর্শক থাকার চেয়েও, নিজেদের রাজনৈতিক মতামত দেয়ার এটিই সেরা মাধ্যম।

তবে নির্বাচনি প্রচারণায়, শুধুমাত্র সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের ওপর ভরসা রাখছে না রাজনৈতিক দলগুলো। এখনো বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটার সাথে কুশলাদি বিনিময়ের মাধ্যমে প্রচারণাকে মূল হাতিয়ার মনে করা হয় ভারতে। তাই রাস্তায় নেমে প্রচারণা চালাতে দেখা যাচ্ছে বিজেপি ও কংগ্রেস উভয়েরই শীর্ষ নেতাদের।

গেলো সপ্তাহে শুরু হওয়া সাত ধাপের লোকসভা নির্বাচন চলবে আগামী ১৯ মে পর্যন্ত। কোন দল দিল্লীর মসনদের অধিকার পাবে, তা ২৩ মে ভোট গণনার দিনই জানা যাবে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

আন্তর্জাতিক খবর