channel 24

সর্বশেষ

  • গ্রেনেড হামলার মাস্টারমাইন্ডদের কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে: কাদের

  • চট্টগ্রামে ওয়াসার রাস্তা কাটাকাটিতে দুর্ভোগে নগরবাসী

  • মোজাফফর আহমদের প্রথম জানাজা জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায়

  • চুয়াডাঙ্গায় ধর্ষণে বাধা দেয়ায় মামা খুন, গণপিটুনিতে নিহত ধর্ষকও

  • ঐক্যফ্রন্ট নিয়ে ভাবনা নেই বিএনপির

  • রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে ফিরতে না চাওয়ার অন্যতম কারণ পরিবারের বাড়তি সদস্য

  • আশুগঞ্জে কিশোরীকে ধর্ষণ, যুবক আটক

  • আমাজনের দাবানল ঠেকাতে সেনা পাঠানোর নির্দেশ

  • রোহিঙ্গাদের প্ররোচনা দানকারী এনজিওগুলো চিহ্নিত করছে সরকার: তথ্যমন্ত্রী

  • কমরেড মোজাফফর আহমদ আর নেই

  • সারাদেশে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৫

  • মাদ্রাসাছাত্রী ধর্ষণের পর হত্যার প্রতিবাদে মানববন্ধন

  • মিয়ানমারের ওপর আন্তর্জাতিক চাপ বাড়ছে, সফলতা আসবে

  • কাশ্মীরে জাতিসংঘের অফিস অভিমুখে লংমার্চের ডাক

  • ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ

মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে রুশ হস্তক্ষেপের প্রমাণ মিলেছে

মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে রুশ হস্তক্ষেপের প্রমাণ মিলেছে

২০১৬ সালের মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে হস্তক্ষেপ করেছিলো রাশিয়া। এমন তথ্যই দিয়েছে, সাবেক এফবিআই প্রধান রবার্ট মুলারের বহুল প্রতীক্ষিত প্রতিবেদন। তবে, রুশ হস্তক্ষেপের তদন্তে ট্রাম্প কতটা বাধা দিয়েছেন, তার স্পষ্ট ব্যাখ্যা নেই এতে। মুলার তার রিপোর্টে জানান, কংগ্রেস চাইলে, প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধে তদন্ত চালিয়ে যেতে পারে।

যুক্তরাষ্ট্রে ২০১৬ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ট্রাম্পের অভাবনীয় জয় রীতিমত হতবাক করে বিশ্বকে। অভিযোগ ওঠে, নির্বাচনে কলকাঠি নেড়েছে রাশিয়া। 

২০১৭ সালে বিষয়টি নিয়ে তদন্তে নামে যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা-এফবিআই। সংস্থাটির শীর্ষ পদ থেকে জেমস কোমিকে বরখাস্তের পর, তদন্তে বিশেষ কৌসুলীর দায়িত্ব পান, সাবেক এফবিআই পরিচালক রবার্ট মুলার।

২৩ মাসের তদন্ত শেষে, গত মার্চে আইনমন্ত্রীর কাছে পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন জমা দেন, তিনি। স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার সাড়ে চারশো পৃষ্ঠার প্রতিবেদনটি প্রকাশ করে, মার্কিন বিচার বিভাগ।  যাতে, মার্কিন নির্বাচনে রুশ হস্তক্ষেপ ছাড়াও; উঠে আসে তদন্ত কাজ প্রভাবিত করার বিষয়। বলা হচ্ছে, উইকিলিকসে হিলারি ও ডেমোক্রেটদের ইমেইল ফাঁসেও যোগসাজশ ছিলো রাশিয়ার। 

মার্কিন অ্যাটর্নি জেনারেল উইলিয়াম বার, বলছেন,  প্রায় ২ বছরের তদন্তশেষে এই রিপোর্টে নিশ্চিত করা হয়েছে, ২০১৬ সালের মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে অবৈধ হস্তক্ষেপ করেছিলো রাশিয়া। তবে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প কিংবা তার প্রচারণা দল এমনকি কোনো মার্কিনিও রুশ কর্মকর্তাদের সহায়তা দেয়নি। 

অবশ্য, ডেমোক্রেট নেতারা অভিযোগ করেছেন, এ রিপোর্ট আংশিক এবং সম্পাদিত। ট্রাম্পের অভিশংসন ঠেকাতেই এমন উদ্যোগ।

ডেমোক্রেট দলীয় সিনেটর রিচার্ড ব্লুমেন্থাল বলছেন, অ্যাটর্নি জেনারেল প্রেসিডেন্টকে রক্ষার চেষ্টা করছেন। তিনি মার্কিন জনগনের নন বরং প্রেসিডেন্টের আইনজীবীর মতো কাজ করেছেন।
 
মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদের বিচারিক কমিটি জেরি চেয়ারম্যান নাডলার বলেন, অ্যাটর্নি জেনারেলের কথা বিশ্বাসযোগ্য নয়। যতদ্রুত সম্ভব মূল রিপোর্ট নিয়ে রবার্ট মুলারকে হাউস জুডিশিয়ারি কমিটিতে জিজ্ঞাসাবাদের অনুরোধ করছি। 

ডোনাল্ড ট্রাম্প বলছেন, 'রিপোর্টে স্পষ্টতই বলা হয়েছে, আমার সঙ্গে কোনো যোগসাজশ কিংবা তদন্তকাজে বাধা দেয়া হয়নি। বন্ধুদের বলতে চাই, কোনো মার্কিন প্রেসিডেন্টের সঙ্গে এমনটা আর ঘটবে না।'

মুলারের এই রিপোর্ট বলছে, একইসঙ্গে বেশ কয়েকজন রুশ নাগরিকের বিরুদ্ধে ফেডারেল কোর্টে অভিযোগ আনা হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

আন্তর্জাতিক খবর