channel 24

সর্বশেষ

  • খবরের ফেরিওয়ালা ঝুমু রানী দাস

  • মানবতাবিরোধী অপরাধ: জাপার সাবেক এমপিসহ ৮ জনের বিচার শুরু

  • চট্টগ্রামকে বাণিজ্যিক রাজধানী করতে প্রয়োজন বাস্তবসম্মত পরিকল্পনা

  • বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে ছাত্রলীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটির শ্রদ্ধা

  • বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম কমতির দিকে

  • নিজ সংসদীয় আসন বারানসি সফরে গেছেন মোদি

  • পোশাক শ্রমিকদের ৩০ মে বোনাস, ২ জুনের মধ্যে বেতন দেওয়া হবে

  • ডিএসইতে লেনদেন বাড়লেও কমেছে সিএসইতে

  • চট্টগ্রামে খাদ্যে রাসায়নিক সন্ত্রাস বিষয়ে সেমিনার অনুষ্ঠিত

  • বাংলাদেশ ফেরত প্রবাসীদের পুনর্বাসনের দাবী

  • যুক্তরাষ্ট্রে টর্নেডোর আঘাতে ৬ জনের প্রাণহানি

  • কাজের মাধ্যমে জণগণের আস্থা অর্জনের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

  • আইনশৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ আইনের মেয়াদ আরও ৫ বছর বৃদ্ধি

  • ফটিকছড়িতে গৃহবধুকে হত্যার পর স্বজনদের হুমকীর অভিযোগ

  • প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরে বাণিজ্য ও কর্মসংস্থান বাড়ার আশা

মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে রুশ হস্তক্ষেপের প্রমাণ মিলেছে

মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে রুশ হস্তক্ষেপের প্রমাণ মিলেছে

২০১৬ সালের মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে হস্তক্ষেপ করেছিলো রাশিয়া। এমন তথ্যই দিয়েছে, সাবেক এফবিআই প্রধান রবার্ট মুলারের বহুল প্রতীক্ষিত প্রতিবেদন। তবে, রুশ হস্তক্ষেপের তদন্তে ট্রাম্প কতটা বাধা দিয়েছেন, তার স্পষ্ট ব্যাখ্যা নেই এতে। মুলার তার রিপোর্টে জানান, কংগ্রেস চাইলে, প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধে তদন্ত চালিয়ে যেতে পারে।

যুক্তরাষ্ট্রে ২০১৬ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ট্রাম্পের অভাবনীয় জয় রীতিমত হতবাক করে বিশ্বকে। অভিযোগ ওঠে, নির্বাচনে কলকাঠি নেড়েছে রাশিয়া। 

২০১৭ সালে বিষয়টি নিয়ে তদন্তে নামে যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা-এফবিআই। সংস্থাটির শীর্ষ পদ থেকে জেমস কোমিকে বরখাস্তের পর, তদন্তে বিশেষ কৌসুলীর দায়িত্ব পান, সাবেক এফবিআই পরিচালক রবার্ট মুলার।

২৩ মাসের তদন্ত শেষে, গত মার্চে আইনমন্ত্রীর কাছে পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন জমা দেন, তিনি। স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার সাড়ে চারশো পৃষ্ঠার প্রতিবেদনটি প্রকাশ করে, মার্কিন বিচার বিভাগ।  যাতে, মার্কিন নির্বাচনে রুশ হস্তক্ষেপ ছাড়াও; উঠে আসে তদন্ত কাজ প্রভাবিত করার বিষয়। বলা হচ্ছে, উইকিলিকসে হিলারি ও ডেমোক্রেটদের ইমেইল ফাঁসেও যোগসাজশ ছিলো রাশিয়ার। 

মার্কিন অ্যাটর্নি জেনারেল উইলিয়াম বার, বলছেন,  প্রায় ২ বছরের তদন্তশেষে এই রিপোর্টে নিশ্চিত করা হয়েছে, ২০১৬ সালের মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে অবৈধ হস্তক্ষেপ করেছিলো রাশিয়া। তবে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প কিংবা তার প্রচারণা দল এমনকি কোনো মার্কিনিও রুশ কর্মকর্তাদের সহায়তা দেয়নি। 

অবশ্য, ডেমোক্রেট নেতারা অভিযোগ করেছেন, এ রিপোর্ট আংশিক এবং সম্পাদিত। ট্রাম্পের অভিশংসন ঠেকাতেই এমন উদ্যোগ।

ডেমোক্রেট দলীয় সিনেটর রিচার্ড ব্লুমেন্থাল বলছেন, অ্যাটর্নি জেনারেল প্রেসিডেন্টকে রক্ষার চেষ্টা করছেন। তিনি মার্কিন জনগনের নন বরং প্রেসিডেন্টের আইনজীবীর মতো কাজ করেছেন।
 
মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদের বিচারিক কমিটি জেরি চেয়ারম্যান নাডলার বলেন, অ্যাটর্নি জেনারেলের কথা বিশ্বাসযোগ্য নয়। যতদ্রুত সম্ভব মূল রিপোর্ট নিয়ে রবার্ট মুলারকে হাউস জুডিশিয়ারি কমিটিতে জিজ্ঞাসাবাদের অনুরোধ করছি। 

ডোনাল্ড ট্রাম্প বলছেন, 'রিপোর্টে স্পষ্টতই বলা হয়েছে, আমার সঙ্গে কোনো যোগসাজশ কিংবা তদন্তকাজে বাধা দেয়া হয়নি। বন্ধুদের বলতে চাই, কোনো মার্কিন প্রেসিডেন্টের সঙ্গে এমনটা আর ঘটবে না।'

মুলারের এই রিপোর্ট বলছে, একইসঙ্গে বেশ কয়েকজন রুশ নাগরিকের বিরুদ্ধে ফেডারেল কোর্টে অভিযোগ আনা হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

আন্তর্জাতিক খবর