channel 24

ব্রেকিং নিউজ

  • রাজধানীর চকবাজারে একটি ভবনে আগুন...

  • নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ফায়ার সার্ভিসের ৩৭টি ইউনিট...

  • নিহত অন্তত ৫৬; দগ্ধ ১৬ জনসহ আহত অর্ধশতাধিক...

  • আশপাশের লোকজনকে নিরাপদে সরিয়ে নেয়া হয়েছে

রাশিয়ায় পাথরের ভাস্কর্য

রাশিয়ায় পাথরের ভাস্কর্য

বলা হয় শিল্পীদের হাতে জাদু আছে। আর সে জাদু পূর্ণতা দেয় অভূতপূর্ব সব সৃষ্টিকে। মোহিত করে শিল্প প্রেমীদের। ঠিক যেভাবে মাতিয়ে রাখছেন রাশিয়ার একেতে-রিনবার্গের ভাস্কররা। তাদের অসাধারণ সব সৃষ্টি নজর কাড়ছে, দেশ বিদেশের দর্শনার্থীদের।

রাশিয়ার আইজট নদীর তীরে অবস্থিত উঁচু দালানের শহর ইয়াকেতেরিনবার্গ। রাজধানী মস্কো থেকে প্রায় ৮০০ মাইল দূরে অবস্থিত শহরটি দেশটির চতুর্থ বৃহত্তম।

আরও: বেসরাকারি বিমানখাত: ১০টির মধ্যে টিকে আছে ৩টি প্রতিষ্ঠান

ব্যাংকের হাজার কোটি টাকা লুট হলেও দুদক ব্যস্ত শিক্ষক হাজিরা নিয়ে: হাইকোর্ট

প্রযুক্তির ব্যবহারে মাত্র ১০ মিনিটেই শনাক্ত অজ্ঞাত মরদেহ

ইয়াকেতেরিনের অন্যতম আকষর্ণ এর পাথরের ভাস্কর্য। তবে এই পাথরগুলোও যেন তেন পাথর নয়, রীতিমতো রত্ন।

সতেরো শতকে ইউরোপে এ শিল্প ছড়িয়ে পড়লেও রাশিয়ায় এটি জনপ্রিয়তা পায় উনিশ শতকে। একটা সময় এই শিল্প থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছিলেন স্থানীয়রা।

ইকাতেরিনবার্গ জাদুঘরের শিল্প ইতিহাসবিদ লিউডমিলা বুদরিনা বলেন, ভাস্কর্য বানাতে হলে একজন শিল্পীকে ২০ থেকে ২৫ বছর কাজটি শিখতে হয়।

সাধারণত এ কাজে প্রায় দশ গুণ বেশি কাঁচামাল থেকে একটি ভাস্কর্য বানানো হয়।

কঠিন ও ব্যয়বহুল শিল্পটিকে টিকিয়ে রাখতে এগিয়ে এসেছে শহরটির শোমোতিয়েভ পরিবার। তাঁদের চেষ্টায় স্থানীয় শিল্পীরা এ শিল্পে আবারো উৎসাহিত হচ্ছেন।

পৃষ্ঠপোষক শোমোতিয়েভ জানান, শিল্পটি এতটাই আকষর্ণীয় যে, এটি আপনাকে বাধ্য করবে ভালোবাসতে। যেকোনো ভাস্কর্য স্পর্শ করে আপনি উষ্ণতা অনুভব করবেন, যদিও পাথরটি শীতল। অন্য ভাবে বললে এটি এক ধরনের শক্তি যোগায়।

রত্ন খচিত এ ধরনের ভাস্কর্য বানাতে, শিল্পীদের এক প্রকার দুঃসাধ্যই সাধন করতে হয়।

ইকাতেরিনবার্গ জাদুঘরের শিল্প ইতিহাসবিদ লিউডমিলা বুদরিনা ভাস্কর্যগুলো বানানো হয় ত্রিমাত্রিক মোজাইক পদ্ধতিতে। হাজার হাজার বছর ধরে ইউরোপে এ শিল্প চর্চা হচ্ছে। অনেক উত্থান পতনের মধ্যে এটি আজও টিকে আছে। আর কোথাও এতো ব্যাপক কারুকার্য আপনি কখনই খুঁজে পাবেন না।

ভাস্কর্যগুলোতে আপনি খুঁজে পাবেন রুশ ইতিহাস, সংস্কৃতি, পুরাণগাঁথা। নিজেদের সংগ্রহশালাটিকে আরো সমৃদ্ধ করতে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে শোমোতিয়েভ পরিবার।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

আন্তর্জাতিক খবর